

কোনো নিবিড় অরণ্যভূমিতে, যেখানে বৃহদায়তন বনস্পতিরা ডালপালা ছড়িয়ে আকাশ ঢেকে রাখে, সেখানেও বনানীর ফাঁক-ফোকর দিয়ে আসা সূর্যের আলোর ছোঁয়া, মাটিতে মাঝারি বা ছোট গাছ, এমনকি লতাগুল্মেরও জন্ম দিয়ে, তাতে ফুল ফুটিয়ে, ফল ফলিয়ে অরণ্যের শোভা বাড়িয়ে তোলে।

বিষয়- ছায়াছবির গল্প, শোলে- অপরাজিত ৫০
বৈঠকে সকলেরই চিন্তান্বিত মুখ। তাহলে কি সব আশার বিনাশ হল অঙ্কুরেই? ওদিকে বেশ কয়েকটি বিরোধী প্রোডাকশন হাউস পার্টি দিতে শুরু করেছে। তারা আড়ালে দুয়ো দিয়ে বলছে, ‘ফুঃ! ফালতু মাল্টি স্টারার নিয়ে হাইপ তুলেছিল। বেশ হয়েছে, দেখ কেমন লাগে!’ অবশ্য এসব…

স্বপ্ন
(১) এতক্ষণে চারপাশটা একটু খালি হওয়াতে কাজে বেশি করে মন দিতে পারলো অর্ণব। চার মাসের প্রজেক্টের অন্তিম পর্ব চলছে। নামী ইন্সুরেন্স কোম্পানির নতুন পেমেন্ট অ্যাপ বানানোর বরাত পেয়েছে অর্ণবদের আই টি কোম্পানি। এই ইন্সুরেন্স কোম্পানির বাজার-চলতি জনপ্রিয় প্রোডাক্টগুলোর প্রিমিয়াম যাতে…

বিষধর
“গতর নড়ে না মোটে! পুরুষ মানুষ এত বেলা অবধি বিছনায় না গড়িয়ে, একটু বাজারের দিকে গেলে তো পারো।” সকাল সকাল লবঙ্গর ঝাঁজে ঘুম ভাঙে মনতোষের। “জন্মানোর পর, তোর জিভে কি একটু মধু দেয় নি কেউ?” কথাটা মনে মনেই বলে মনতোষ।…

আমাদের লুপ্ত সব বোধ
তোমারকরতলে রাখি হীরণ্যগর্ভ মাটি,প্রসবিনী হও —দয়াবান মেঘ আর উন্মুখ সূর্যের প্রসন্নতা নিয়ে। এখানে করোটির ভিতর অদ্ভুত লিখনথেমে আছে,পূণ্যশ্লোক অসমাপ্ত — জাগাও আমাদের লুপ্ত সব বোধমেধার ভিতর জন্মদাগ রেখে যায়।খুঁজেছি তাকে,খুঁজেই চলেছিস্তব্ধতার পাশে জাগিয়ে রেখেছি এই চোখএকাকী — এখনও দেখিনি তাকেআমার…

“তবু অশুভ বাক্য নয়…”
“আমি খুবই দারিদ্র্য! কিছু সাহায্য করুন।”সাহায্যপ্রার্থী মানুষটি লোকমুখে শুনিয়াছিল, বিদ্যাসাগর মহাশয় মহাপন্ডিত এবং অতি দানশীল, ওঁনাকে প্রভাবিত করিতে কিঞ্চিত প্রমিত ভাষার অবলম্বন করিয়াছে। কিন্তু পেটে বিদ্যা না থাকিলে যাহা হয়, বিশেষ্য বিশেষণে গোল বাধিয়া গেল। ইহাতে ফল যাহা অবশ্যম্ভাবী, তাহাই…

রবীন্দ্রনাথ, ‘Nationalism’ ও লেনিন – একটি জিজ্ঞাসা
“… the idea of the Nation is one of the most powerful anaesthetics that man has invented.” রবীন্দ্রনাথ ও লেনিন? দুটি নাম পাশাপাশি দেখে আঁতকে ওঠার কোনোই কারণ নেই। না, ‘মার্ক্সবাদের আলোয় রবীন্দ্রনাথ’, ‘রবীন্দ্রনাথ কি মার্ক্সবাদী?’ অথবা ‘রবীন্দ্র ও লেনিন’…

রবীন্দ্রসঙ্গীত সাধনার স্বাধীনতা
কত রাজা আসে যায়, ইতিহাসে চিহ্নহীন তার পদ ধ্বনি বেজে বেজে চলে …। ( ফেরারি ফৌজ, প্রেমেন্দ্র মিত্র) ‘স্বপন দেখিছে রাধারানী, আহা স্বপন দেখিছে রাধারানী’। না । রাধারানী নন – স্বপ্ন দেখছিল দুখিরাম। সে ভারি খুবসুরত খোয়াব, জীবন ধন্য করা…

একদিন চাঁদনি রাতে
কৃষ্ণপক্ষের রাত।চারিদিক নিকষ কালো অন্ধকার। একফালি শীর্ণকায় চাঁদটিকে আর দেখা যাচ্ছে না। পাগলা কোকিলটার ডাকে হঠাৎ ঘুমটা ভেঙে গেল। জেগে জেগে আকাশকুসুম ভাবছি। ভাবছিলাম এখানে যদি একটা ঠিকঠাক স্বাস্থ্যকেন্দ্র থাকত, রাত-বিরেতে মানুষের সুরাহা হত। গাড়ি ভাড়া করো, তারপর মাইলের পর…

সহস্রপদ্ম
“এটা কী গো বিশুদা? কী যেন বলছিলে সেদিন তোমার কাছে নাকি কয়েকটা মুখশুদ্ধি আছে? তাও নাকি আবার তিব্বতের কোন সাধুবাবার কাছ থেকে পাওয়া! এই সেই বস্তুটি বুঝি? কৈ দাও দেখি একটু টেস্ট করে দেখি!”ডাইনিং টেবিলে রাখা মাঝারি মাপের একটা পাউচ…
