

বঙ্গদেশে শীত আসিয়া পড়িল। সম্বৎসর উষ্ণতা ও আর্দ্রতা লইয়া বিব্রত বাঙ্গালী, আবহাওয়ার এই তৃপ্তি উপভোগ করিবার উপলক্ষে, তাহার যাবতীয় গরম পোশাক জমাইয়া রাখিয়াছেন। কিছুকাল পূর্বেও গৃহস্থ বাড়ির অঙ্গনে প্রাক শীতের দ্বিপ্রাহরিক রৌদ্রকরজ্জ্বল অঘ্রাণ সুখ গায়ে মাখিয়া, তোরঙ্গ উদ্ঘাটিত রঙিন পশমের…

সাহিত্যে নোবেল, না-নোবেল, রবীন্দ্রনাথ এবং অন্যান্য
(স্মরণীয় – ১০ ডিসেম্বর নোবেল পুরস্কার প্রদান দিবস) ১৫ নভেম্বর, ১৯১৩। রবীন্দ্রনাথ তাঁর আশ্রমসচিব নেপাল রায় এবং কয়েকজন কাছের জনকে নিয়ে সন্ধের দিকে পারুল বনের দিকে চলেছেন। পথে একজন পিয়ন তাঁকে একটি জরুরি টেলিগ্ৰাম দেন এবং তিনি যথারীতি জোব্বার পকেটে…

নাগরিক কবিয়াল ভূপেন হাজারিকার শতবর্ষ
‘বিস্তীর্ণ দু’পারের অসংখ্য মানুষের হাহাকার শুনে নিঃশব্দে নীরবে, ও গঙ্গা তুমি, ও গঙ্গা বইছো কেন—’। এই গান তাঁকে অমর করে রেখেছে। তবে গানটি শিবদাস বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা হলেও এটি অনুপ্রাণিত। গানটির একটি প্রেক্ষিত রয়েছে। প্রায় একশো বছর পূর্বে, ১৯২৭ সালে দুই…

দু এক মুহূর্ত শুধু রৌদ্রের সিন্ধুর কোলে … তুমি আর আমি
‘এই যে শ্রীমতী চিত্রিতা এই দিকে … হ্যাঁ এই টেবিলে। বসুন। নমস্কার । আমি ব্রহ্মবান্ধব উপাধ্যায়।’ = ‘অ্যাঁ! সে দিন তো বলেছিলেন তারাপদ না কি যেন ?’ ‘বাহ। ধন্য আপনার স্মৃতি শক্তি। একটু পরীক্ষা করে দেখলুম। আসলে সেদিন এমন মেঘমেদুর…

শীতল একখানি
আমার শিশু দেখা এবং বারবার দেখার অভ্যেসটা আমাকে ভরাট করেছে সারাজীবন ৷ হ্যাঁ – এ বিষয়ে মোটামুটি নিঃসন্দেহ আমি ৷ কবে থেকে নিজের সম্বন্ধে এমন নিঃসন্দেহ হওয়ার শুরু আমি জানি না ৷ তবে শিশুরা যখনই মিশেছে আমার সঙ্গে – গল্প…

কবিগুরুর বাংলা
(জনৈক আধুনিক ভক্ত ও কবিগুরুর সংলাপ) ভক্ত –আমি পরানের সাথে খেলিব আজিকেমরণখেলানিশীথবেলা।সঘন বরষা, গগন আঁধার,হেরো বারিধারে কাঁদে চারি ধার,ভীষণ রঙ্গে ভবতরঙ্গেভাসাই ভেলা;বাহির হয়েছি স্বপ্ন-শয়নকরিয়া হেলারাত্রিবেলা।রবি –আজি হতে শতবর্ষ পরেকে তুমি পড়িছ বসি আমার কবিতাখানিকৌতূহলভরে–আজি হতে শতবর্ষ পরে। ভক্ত – কে…

স্নেহ
নীলকান্ত মেয়ের শ্বশুরবাড়ির সদর দরজা পেরিয়ে যখন বেরিয়ে এলো, তখন তার মুখে অপ্রতিভ হাসিটা ঝুলে আছে, সে জানেও না, ঠিক এরকমই একটা হাসি নিয়ে তার বাবা ও তার একমাত্র পিসির বড়লোক শ্বশুরবাড়ি থেকে পাঁচ বছরের নীলকান্তর হাত ধরে বেরিয়ে এসেছিলেন।…

দু’টি অনু গল্প
(১) কিচমিচ, ম্যাও, ভৌ আর ঠাকুদ্দা কিচমিচ বড্ডো ছটফটে দুষ্টু পাখি। পিরিক পিরিক ক’রে এসে কিসের আনন্দে কে জানে অকারণে একটু ঠুক লাগিয়ে পালালো। ধুর, খালি খালি এইসব। অমনি মুখ গোঁজ হয়ে গেল তো ম্যাও বুড়োর! মাছটা ফেলে রেখে, খাবো…

রবিচক্র আয়োজিত বাংলার স্বর্ণযুগের গানের সঙ্গীতানুষ্ঠান
‘গানের গল্প, গল্পের গান’ (পর্ব ২) ফেলে আসা সময়ের বাংলা চলচ্চিত্রের ও বেসিক ডিস্কের গান, যেগুলি স্বর্ণযুগের গান বলে পরিচিত, আজও তার মধ্যে বহু গান বহু মানুষের স্মৃতিতে উজ্জ্বল এবং সঙ্গীতপ্রেমীদের মুখে মুখে ফেরে। এই সময়ের শিল্পীরা সেগুলি মঞ্চে পরিবেশনও…

