
পূর্বকথনঃ–ধনপতি কুবের। কৈলাসে তার আবাস। নগরীর নাম অলকা। পরিপূর্ণ সৌন্দর্যের ধাম। সুউচ্চ প্রাসাদ ভবন নগরীর আকাশকে স্পর্শ করছে। ভবনের ছাদ শিখীর নৃত্যে ছন্দিত। মধুপ গুঞ্জরিত শতশতদলে সরোবরগুলি সদা আন্দোলিত। রাত্রি নিত্য জ্যোৎস্নাজড়িত। আনন্দাশ্রুছাড়া নয়নসলিল সেখানে বিরল। আর বয়স তো যৌবনেই… […এখানে ক্লিক করুন]
রবিচক্রের বর্ষামঙ্গল
শান্তিনিকেতনে বাইশে শ্রাবণের স্মরণ আর বর্ষামঙ্গল যেন মিলেমিশে একাকার। এভাবেই কবির বিদায়ের সময়কালেই চলে কবিরই প্রিয় ঋতুটির উদযাপন। কলতান মুখরিত বর্ষায় রবিচক্র কবিকে স্মরণ করতে সেই ভাবনারই শরিক হয়েছিল। বর্ষার গানে ও কথায় রবিচক্রের কবি-প্রণাম। এই উপলক্ষ্যেই প্রকাশ গীতিআলেখ্য “বর্ষার… […এখানে ক্লিক করুন]
হারিয়ে যাওয়া অভিজ্ঞান
ঋষি বিশ্বামিত্র ও অপ্সরা মেনকার কন্যা শকুন্তলা, জন্মলগ্নেই পিতা মাতার দ্বারা পরিত্যক্ত। আশ্রয় দিলেন আরেক ঋষি, কণ্ব। অনসূয়া, প্রিয়ম্বদা সহ আরও অনেক আশ্রমিকের সঙ্গে মনোরম তপোবনে বেড়ে ওঠে শকুন্তলা। আবাল্য লালিত মানবিকবোধ নিয়ে বহির্জগতের সঙ্গে তার সাক্ষাত ঘটে, রাজা দুষ্যন্তের… […এখানে ক্লিক করুন]
হেমন্ত মুখোপাধ্যায় – অতিক্রান্ত শতবর্ষের অনুভব (পর্ব – ১)
“পাখিরে দিয়েছ গান, গায় সেই গান, তার বেশি করে না সে দান। আমারে দিয়েছ স্বর, আমি তার বেশি করি দান, আমি গাই গান।” সালটা মনে আছে – ১৯৫৮। বাবা একটা রেডিও কিনলেন – আমাদের সংসারের প্রথম অলঙ্কার! সঙ্গে নিয়মিত আসতে… […এখানে ক্লিক করুন]
কোম্পানি-আমলের কোলকাতা এবং বাঙালির কারিগরি কেরামতি
রবীন্দ্রনাথের জীবনস্মৃতিতে সীতানাথ ঘোষ নামের এক ব্যাক্তির কথা উল্লেখ করেছিলেন। সীতানাথ ঘোষ রবীন্দ্রনাথের প্রাকৃত বিজ্ঞানের শিক্ষক ছিলেন। কিন্তু তাঁর নেশা ছিল নানা রকমের কলকব্জা বানানো। ১৮৭০ সালের হিন্দু মেলায় সীতানাথ ঘোষ তাঁর নিজের তৈরি এয়ার পাম্প এবং যন্ত্র-চালিত তাঁত প্রদর্শন… […এখানে ক্লিক করুন]
আঁধার পেরিয়ে
১ “কাহার অভিষেকের তরেসোনার ঘটে আলোক ভরে।উষা কাহার আশিস বহিহল আঁধার পার।” মাঝেমধ্যে কিছু লাইন আমার ভিতর রাজত্ব করে। দেবদারু পাতায় সাজানো ছোট্ট মঞ্চ – সেখানে একটা হারমোনিয়াম তবলা ও মাইক্রোফোন। সন্ধের একটু আগে কালবৈশাখী থামলে বেজে ওঠে কিশোর কুমারের… […এখানে ক্লিক করুন]
নিরালা দুপুরের ভয়ঙ্করের গল্প
আমি যৌথ পরিবারে বড় হয়েছি। বাড়িতে বাবা, মা, দাদু, কাকা, কাকিমা ছোট ছোট ভাই আর দাদাদের সাথেই আমার বেড়ে ওঠা। এছাড়া প্রতিবেশী সমবয়সী বন্ধুরা তো ছিলই। সারাদিনে স্কুলে যাওয়া, পড়াশুনো ছাড়াও খেলা-ধুলো, ঝগড়া-খুনসুটিতে ভারী ব্যস্ত থাকতাম। তবু এসবের মধ্যেও সেই… […এখানে ক্লিক করুন]
বাবা কা নগরী – আমাদের সাড়ে তিন হাত জমি
(দ্বিতীয় পর্ব) काशी में इक मिला जुलाहाबोला : हमको ज़रा बतानाजो क़मीज़ पहनी है तुमनेक्या उसमें नहिं ताना-बाना(ताना-बाना- हरि मृदुल)(কাশীতে এক জোলার সঙ্গে দেখা হলো। সে বলে, আমাকে কী বলতে পারবে? যে কামিজটা তুমি পরে আছো,তাতে কি টানা-পোড়েন নেই?)(তানাবানা-হরি মৃদুল)… […এখানে ক্লিক করুন]
শিব্রাম চকরবরতি ও পেনেটির গুপো সন্দেশ
বিস্মৃতিচারণা (পর্ব ৪) আমার এবারের বিস্মৃতিচারণায় ভেসে আসছে সত্তরের দশকের মাঝামাঝি বাংলা সাহিত্যের রসসম্রাট শিবরাম চক্রবর্তীর আগরপাড়ার প্রভাসতীর্থে আগমন ও তাঁর অসামান্য ভোজনপ্রিয়তার ইতিবৃত্ত। কলকাতার বঙ্গ সাহিত্য সম্মিলনের তিন দিনব্যাপী আসর বসেছে প্রভাসতীর্থের সভাঘরে। এক এক দিন বিভিন্ন পর্বে এক… […এখানে ক্লিক করুন]
দুটি কবিতা
হলুদ আলো হলুদ আলো হলুদ আলোপড়ছে এসে মেঝের ওপরউড়ছে ধুলোয়, ত্রসরেণুররোমাঞ্চে আজ একলা ঘরেডাকছে কাকে, নষ্ট সময়?ডাকছে কাকে, ভালবাসায়মেলছে পাখা, কার আশাতেহলুদ আলো পাখির মতোএই অবেলায়, বিকেলবেলায়? দোসর সে কোন দুঃখের ঘরে থাকেনি কোনদিনতবু তাকে ভালবাসিসে কোন সান্ত্বনার হাতছোঁয়ায় নি… […এখানে ক্লিক করুন]