Tag: Bengali Culture

সুভাষচন্দ্র ও তাঁর ‘The Indian Struggle’ – কিছু কথা
“CHANDRA BOSE TO BERLIN, RECEIVED BY HITLER – ONCE MORE, HE HAS MADE THE PLUNGE. AT ONE TIME TO THE RIGHT, AT ANOTHER TO THE LEFT. MOSCOW, BERLIN, TOKYO…THESE BENGALIS, VIOLENT, IMPULSIVE, NEVER A POLITICS OF REASON, THEY OBEY THE SOMERSAULTS OF THEIR PASSIONS, VICTIMS OF THEIR OWN VULNERABILITY TO JEALOUSY, VANITY, STUNG TO THE…

নেতাজী-জয়ন্তীতে কলকাতায় একদিন : স্মৃতির সরণি বেয়ে
“… হে রাজতপস্বী বীর, তোমার সে উদার ভাবনাবিধির ভাণ্ডারেসঞ্চিত হইয়া গেছে, কাল কভু তার এক কণাপারে হরিবারে?তোমার সে প্রাণোৎসর্গ, স্বদেশলক্ষ্মীর পূজাঘরেসে সত্যসাধন,কে জানিত, হয়ে গেছে চিরযুগযুগান্তর-তরেভারতের ধন।…” বিগত সাতের দশকে একটি সংবাদপত্রে দেখেছিলাম ভারতের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতির পুত্র ডঃ সর্বপল্লি গোপাল তাঁর লেখা নেহরু-জীবনীতে মন্তব্য প্রকাশ করেছেন যে, সুভাষচন্দ্র এমন একজন মানুষ, যিনি নাকি হেরে যাবার…

যুগপুরুষ
“Vivekananda’s words are great music, phrases in the style of Beethoven, stirring rhythms like the march of Handel choruses.” – Romain Rolland স্বামী বিবেকানন্দ আগ্নেয় লাভা হৃদয়ে ধরেছ তুমিচোখ থেকে নামে গেরুয়া মন্দাকিনী,আজও হাত রাখো যেখানে জন্মভূমিস্থবিরতা ছুঁয়ে পড়ে আছে দুঃখিনী। তোমার ভিতরে তানপুরা হাতে দেশঅপমানিতের কান্নার মীড় বোনে ,দীপকে জ্বালায় ক্রোধ-বহ্নির রেশশব্দে শব্দে বিপ্লব…

শিব ঠাকুরের আপন দেশে বঙ্গ সাহিত্য সম্মেলনে…(১০)
১৯৭৮ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে প্রস্তুতি চলছে কাশীতে সুবর্ণ জয়ন্তী বঙ্গ সাহিত্য সম্মেলনের। সাহিত্যপ্রেমী বাঙালির সম্বৎসরিক তিন দিনের সম্মেলন। লেখক ও পাঠকদের এ এক সর্বভারতীয় মিলনমেলা। পশ্চিমবঙ্গ সহ ভারতের বিভিন্ন প্রদেশের শাখা-সংগঠনের মাধ্যমে সাহিত্য-সচেতন বাঙালি জনগোষ্ঠীর একটা বড় অংশের মানুষের মধ্যে সম্মেলনে উপস্থিত থাকার ব্যবস্থাদি চলছে পূর্ণদ্যোমে। বলে নেওয়া ভাল, আজকের সময়ে বসে সেদিনের সাহিত্যপিপাসু সাধারণ…

হিসেবনিকেশ
আরও একটি বছর ইতিহাসের পাতায় আশ্রয় নিল। নির্দ্বিধায় বলা চলে, সে চলে গেল বেশ কিছু হাহাকার আর যন্ত্রণার স্মৃতি বুকে নিয়ে। নতুন করে আর কোনো রোজনামচা বা জমা-খরচের হিসেব তার খাতায় লেখা হবে না। বিশেষ বিশেষ ঘটনার প্রেক্ষাপটে ভবিষ্যতের ইতিহাস ও রাজনীতির অনুসন্ধিৎসুদের গবেষণার বিষয় হবে সে। আপাতদৃষ্টিতে এর বেশি কিছু গুরুত্ব নেই তার এই…

‘মধ্যবিত্ত বাঙালি ভদ্রলোক’-দের গেছে যে দিন সে কি একেবারেই গেছে …!
আমরা যদি অভিধানে ‘ভদ্রলোক’ শব্দের অর্থ খুঁজতে যাই তা হলে যে সব অর্থ দেখতে পাবো তার সঙ্গে ‘ভদ্রলোক’ শ্রেণি বলতে আসলে যা বোঝায় তার যথার্থ মিল পাবো না। অথবা যা পাবো তা অন্ধের হস্তী দর্শনের মত। খন্ডিত অংশের আভাষ মাত্র। অভিধানে ভদ্রলোকের প্রতিশব্দ বোঝাতে কোথাও লেখা আছে – ‘ভালো আচরণসম্পন্ন ব্যক্তি’ কোথাও বা ‘সজ্জন’ কোথাও…

শীতের হাওয়ার লাগল নাচন
সুপ্রভাত অদেখা বন্ধুরা। আজ শীতের সকালে শীতের একটি পরিচিত গান নিয়ে ব্যক্তিগত অনুভূতি সকলের সঙ্গে ভাগ করে নিতে চাই : “শীতের হাওয়ার লাগল নাচন”। শীতের হাওয়ার লাগল নাচন আমলকির এই ডালে ডালে।পাতাগুলি শিরশিরিয়ে ঝরিয়ে দিল তালে তালে॥উড়িয়ে দেবার মাতন এসে কাঙাল তারে করল শেষে,তখন তাহার ফলের বাহার রইল না আর অন্তরালে॥শূন্য করে ভরে দেওয়া যাহার…

গানের সখ্য – মনের যত্নঃ দিলীপকুমার রায়, নিশিকান্ত রায়চৌধুরী
ফ্রান্স্ কাফকা-ম্যাক্স ব্রড, ভিন্সেন্ট ভ্যান গখ্-পল গগ্যাঁ, বঙ্কিমচন্দ্র-দীনবন্ধু মিত্র,রবীন্দ্রনাথ-জগদীশ চন্দ্র বসু- এঁদের, এবং এঁদের মতো এরকম আরও সখ্য-সম্পর্কগুলি আঁতিপাঁতি করে পড়লে হারিয়ে যাওয়া এক একটা সময় এক লহমায় কীরকম যেন হাতের নাগালে ধরা দেয়। সঙ্গে সঙ্গে উঠে আসে এঁদের মনের একরকম ইতিহাসও। কিন্তু এ সবের পাশাপাশি যে বিষয়টা মনকে সবচেয়ে বেশি নাড়া দেয়, তা হল…

“বাঙালির ঘরে যত ভাই বোন…”
ইছামতির পাশে বসতে ভাল লাগে। জল পেরোলেই সাতক্ষীরা। সে অন্য দেশের গল্প। ভাবতে কেমন মনে হয়? ‘অন্য দেশ’ অর্থ অন্য কিছু? যা আমার মতো নয়? অথচ সীমান্ত পেরলে একই মানুষ, সার দিয়ে গ্রাম বাংলা, একই কান্না হাসি ছড়িয়ে ছিটিয়ে। একই রোদের নিচে একই ভাষায় জড়াজড়ি করে থাকে। পুরোন যাঁরা এখনও আছেন, তাঁদের গলায় ‘হারানোর হাহাকার’…

রবীন্দ্রনাটকে প্রতিবাদ (পর্ব – ২)
নিশ্চয় বলে দেবার দরকার করে না, ১৮৭৮-৭৯ সাল নাগাদ, রবীন্দ্রনাথ যখন নাটক লিখতে শুরু করেছেন, তখন এই বাংলায় অন্য ধরনের বিষয় নিয়ে নাটক লেখার কথা আর কেউ কল্পনাও করতে পারতেন না। বিষয়ের এই স্বাতন্ত্র্য স্বভাবতই জন্ম দিল প্রয়োগকৌশলের স্বাতন্ত্র্যের। এইবার সেই আলোচনায় প্রবেশ করা যাক। এও খুব আশ্চর্যের, প্রথম থেকেই রবীন্দ্রনাথ নাটক রচনার নিজস্ব ফর্ম…
