শিল্প, সাহিত্য, সংস্কৃতির আলোচনা ও চর্চা

Tag: Bengali Literature

  • নিখিলেশ – তাঁর হৃদয়ের প্রতিবেশী

    নিখিলেশ – তাঁর হৃদয়ের প্রতিবেশী

    “আমিও দেশকে ভালোবাসি, তা যদি না হত তা হলে দেশের লোকের কাছে লোকপ্রিয় হওয়া আমার পক্ষে কঠিন হত না। সত্য প্রেমের পথ আরামের নয়, সে পথ দুর্গম। সিদ্ধিলাভ সকলের শক্তিতে নেই এবং সকলের ভাগ্যেও ফলে না, কিন্তু দেশের প্রেমে যদি দুঃখ ও অপমান সহ্য করি তা হলে মনে এই সান্ত্বনা থাকবে যে কাঁটা বাঁচিয়ে চলার…

  • গীতাঞ্জলি : উন্মেষ পর্ব

    গীতাঞ্জলি : উন্মেষ পর্ব

    ***গীতাঞ্জলি :স্বর্ণবীণায় নম্র উষারসুরের রেখা । গীতাঞ্জলি :দগ্ধ নিদাঘ স্তব্ধ বনেবাতাস একা।। গীতাঞ্জলি :আকাশ পথে সায়ন্তনীরস্বর্ণাভ রথ। গীতাঞ্জলি :ঝড়ের রাতে দুয়ার ভাঙারিক্ত বসত।। গীতাঞ্জলি :ঋতুচক্রের নুপুর নৃত্যেপদধ্বনি। গীতাঞ্জলি :পাহাড় চূড়োর পরমোজ্বলমুকুটমণি।। গীতাঞ্জলি :দিগন্তনীল পারাবারেসোনার তরী। গীতাঞ্জলি :মর্ত কাছে স্বর্গ যা চায়সেই মাধুরী।। প্রাসঙ্গিক তথ্য:গীতাঞ্জলির প্রথম প্রকাশ ২০এ ভাদ্র, ১৩১৭।১৩১৩ থেকে ১৩১৭র ২৯এ শ্রাবণের মধ্যে রচিত…

  • ‘মাংপবী’ মৈত্রেয়ী দেবীর সান্নিধ্য-সুখ

    ‘মাংপবী’ মৈত্রেয়ী দেবীর সান্নিধ্য-সুখ

    বিস্মৃতিচারণা (১১) সময়টা আশির দশকের একেবারে গোড়ার দিক। সম্ভবত ১৯৮১ সাল। আমার পিতৃদেবের আগ্রহে বাড়িতে আসতে লাগল মৈত্রেয়ী দেবীর একের পর এক অসামান্য সব গ্রন্থ। ‘ন হন্যতে’ পড়ে নেশাগ্রস্ত হয়ে পড়লাম। এরপর হাতে এল ‘মংপুতে রবীন্দ্রনাথ’। নেশা গভীর হল। আরও, আরও, আরও। এক মহীরুহর মানসকন্যার কলমে বিশ্ববরেণ্য কবির ব্যক্তিসত্তার অন্তরমথিত করা অনিঃশেষ উন্মোচন। পরের পর…

  • বেবিবাম্প

    বেবিবাম্প

    দরজায় নক করে ঘরে ঢুকে সবিতা বললো, ‘ম্যাডাম, আপনার সঙ্গে দুরন্ত সংবাদ চ্যানেলের সম্পাদক ও সঙ্গে সাংবাদিক প্রিয়ন্ত মজুমদার দেখা করতে এসেছেন। এই যে কার্ড পাঠিয়েছেন। বলছেন, খুব জরুরি দরকার। ’

  • এত হাসি আছে জগতে তোমার…

    এত হাসি আছে জগতে তোমার…

    একটি অসমর্থিত রসিকতা ঘুরে বেড়ায় পশ্চিম বঙ্গের আনাচে কানাচে। কিম্বদন্তী রাজনীতিবিদ শ্রদ্ধাস্পদ জ্যোতি বসু – হাসতেন না। সে সময়ের বাঙলা দেশের রাষ্ট্র প্রধানের সঙ্গে প্রথম সাক্ষাতে শেখ মুজিবরের কন্যা নাম বললেন ‘শেখ হাসিনা’। জবাবে শ্রী জ্যোতি বসু না কি বলে ছিলেন ‘শেখবার কিছু নেই আমিও হাসিনা’। দুখিরামের মনে আছে এ রকম একটি পত্র যুদ্ধের অবতারণা…

  • ভো.. ও…. ও…. ও….কাট্টা

    ভো.. ও…. ও…. ও….কাট্টা

    অ্যালার্ম ক্লকটা কি আজ বড্ড তাড়াতাড়ি বাজল? তা-ই বা কী করে হয়? কাল রাতে শুতে শুতে সত্যিই তো কত দেরি হয়ে গেল। প্রায় দুটো। প্যান্ডেলের কাজ আর বাকি ডেকোরেশনগুলো যে এত সময় খেয়ে নেবে কেউ ভাবতেই পারিনি।বাইরে তখনও অন্ধকার। স্ট্রিট ল্যাম্পগুলো দিব্যি জ্বলছে। পাড়ার অলিগলির অতন্দ্র প্রহরী সারাবছরের বিশ্বস্ত সাথী লালু-ভুলু কালুর দল সারারাত ডিউটি…

  • বঙ্গজীবনের পাঁচালি : চোদ্দ শতক (৭)

    বঙ্গজীবনের পাঁচালি : চোদ্দ শতক (৭)

    সোনার বাংলার ইতিহাসের প্রসঙ্গে এখনধর্ম-আন্দোলনের কথা করিব বর্ণন।।ধর্মচর্চার সঙ্গে সঙ্গে জগতের কল্যাণরামকৃষ্ণ মিশনের ছিল বিশেষ অভিজ্ঞান।।শতকের শুরুতে হলে প্লেগের প্রাদুর্ভাব ,ছিল স্বাস্থ্যচেতনা ও চিকিৎসার অভাব —বিবেকানন্দের নির্দেশে তাঁর শিষ্যগণদুর্গতদের সেবায় রত ছিলেন অনুক্ষণ।।কলকাতার পথঘাট ও পল্লী জঞ্জাল পরিকীর্ণ,ঝাড়ু হাতে নিবেদিতা সেথা হন অবতীর্ণ।।সদানন্দের সঙ্গে তিনি অকুণ্ঠিত চিতেচিকিৎসার পরিষেবা দেন পল্লীতে পল্লীতে।।দুর্ভিক্ষের প্রকোপে উত্তরবঙ্গে, বৈদ্যনাথেরামকৃষ্ণ সংঘের…

  • গল্পপাঠের আসর- অকূল দরিয়া

    গল্পপাঠের আসর- অকূল দরিয়া

    এবারের সংখ্যায় শ্রুতিপাঠে সম্প্রতি প্রকাশিত অসামান্য একটি ছোটগল্প ‘অকূল দরিয়া’র সংযোগ রবিচক্রের পাঠক শ্রোতাদের জন্য। গল্পটির লেখক ও কথক সৌরভ হাওলাদার, গানে কাঞ্চন বন্দ্যোপাধ্যায়।নিজের দেশ গ্রাম হারিয়ে আসা সর্বস্বান্ত এক বৃদ্ধের কবি জসীমুদ্দিনের গানের সুরের স্পর্শে আপন মনোজগতকে ফিরে পাবার এক মর্মস্পর্শী কাহিনি। [গল্প শুনতে নিচের ইউটিউব বোতামে ক্লিক করুন। কোন কারণে, বোতামটি আসতে দেরী…

  • হাসির সাতকাহন ও বাঙালি

    হাসির সাতকাহন ও বাঙালি

    মানুষের অভিব্যক্তির সর্বোত্তম প্রকাশ হাসিতে। প্রফুল্লতা, আনন্দ, উচ্ছ্বাস হইতে শুরু করিয়া বেদনা, যন্ত্রণা, দুঃখ পর্যন্ত নানা আঙ্গিকের হাসির রকমফেরে আবেগের ভিন্ন ভিন্ন প্রকাশ। পৃথিবীতে মানুষই একমাত্র প্রাণী যে হাসিতে জানে, হাসিকে মূলধন করিয়া বন্ধুত্বের বন্ধনীতে বাঁধা পড়ে। হাসির স্বপক্ষে সর্বাপেক্ষা বড় যুক্তি বোধহয় ইহাই যে হাসির আবেদন সার্বজনীন, দেশ-কাল, এমনকি ভাষা-নিরপেক্ষ। দেশ ও সংস্কৃতি নির্বিশেষে…

  • বটতলা থেকে কলেজ স্ট্রিট – বাংলা বইয়ের পথচলা

    বটতলা থেকে কলেজ স্ট্রিট – বাংলা বইয়ের পথচলা

    ন্যাথিয়েল ব্রাসি হ্যালহেড সাহেবের ‘ অ্যা গ্রামার অফ দি বেংগলি ল্যাঙ্গুয়েজ’ ছাপা হয়েছিল ১৭৭৮ সালে। বইটি ইংরেজিতে হলেও তাতে রামায়ন, মহাভারত, বিদ্যাসুন্দর ইত্যাদি বাংলা বই থেকে উদ্ধৃতি দেওয়া হয়েছিল বাংলা হরফে। সেই হরফ তৈরি করেছিলেন উইলকিনসন নামের এক সাহেব। কিন্তু তারও বছর পাঁচেক আগে উইলিয়াম বোলটস নামের এক সাহেব অনেক পরিশ্রম করে বাংলা হরফ তৈরি…