Tag: Webzine

দুখিরামের অবাক পৃথিবী দর্শন
कुछ कफस की तिलियों से छन रहा है नूर सा,कुछ फ़ैज़ा कुछ हसरत-ए-परवाज़ की बातें करो। — फ़िराक़ गोरखपुरी কটা গরাদ, মধ্যে দিয়ে চুইয়ে আসে আলো,মুক্ত আকাশ, আর কিছুটা ওড়ার কথা বলো। দুখিরাম তার নাতি ক্ষুদ্র জীবনে দু/একবার জেলে/লক আপে গিয়েছে।এবার একটি স্বাভাবিক হিরণ্ময় নীরবতা। চলচ্চিত্রের ভাষায় একে freez shot-ও বলা যেতে পারে।ক্যামেরা গড়ালে পরে…

উত্তমকুমার সমীপে
সত্তরের দশকের প্রায় মধ্যভাগ। তখনও কলেজের গন্ডী পেরোইনি। একদিকে উত্তমকুমার, অন্যদিকে হেমন্ত মুখোপাধ্যায় আমাদের ভাসিয়ে নিয়ে চলেছেন। বাকি সব মহীরুহসম শিল্পীদের কুর্নিশ করেও বলি, এক বিরাট সংখ্যক বাঙালির মতো এই দুজনকে নিয়ে আমাদের আবেগের আতিশয্য ছিল বেশি। তা, হেমন্তবাবুকে দেখা, একাধিক বার তাঁর গান শোনা, হয়ে গেছে। কিন্ত মহানায়কের সাক্ষাৎ দর্শন? তার সুলুক সন্ধান তখনও…

বাপ
গাছের ডালে দোলনা টাঙিয়ে দোল দিচ্ছে সদ্যজাত শিশুটিকে নয়না l আর একটি হনুমান ছানার মত তার বুকের কাছে লেপ্টে রয়েছে l রাস্তায় ঘর সংসার নয়নার l এর মধ্যেই সে একটা পথের হোটেল চালায় l পথের হোটেল মানে লজঝরে টেবিল, ঝজ্ঝরে চেয়ার, প্যাকিং বাক্স কেটে তৈরী l বসতে গেলে যদি পেরেক ফুটে যায় তাই রেক্সিন বিছানো…

দুটি কবিতা
এটুকুই দুচোখে দুচোখ রাখাঅনৃত মায়ায়বেঁধে নেওয়া ভঙ্গুর সময়এটুকুই, আর কিছু নয় ঋণ তুমি চলে গেলেতোমার পদচ্ছাপ নেওয়া হল না তুমি চলে গেছআমি দিক-ভোলা বোষ্টুমির মতোভর দুপুরে পা ছড়িয়ে বসে গান গাইদাওয়ার চারপাশে মাধবীলতা আর সন্ধ্যামালতি লাগিয়েছিপথ ভুলে আস যদিনীলকমল হৃদয়টির সাথে কচি-গোলাপ রঙঅঞ্জলির অভাব হবে না তুমি এলে না, আসবে না আরতবু আমি অপেক্ষায় থাকি…সাঁঝঘরের…

মেঘদূত ভাবানুবাদ (পর্ব – ১০)
পূর্বকথনঃ–ধনপতি কুবের। কৈলাসে তার আবাস। নগরীর নাম অলকা। পরিপূর্ণ সৌন্দর্যের ধাম। সুউচ্চ প্রাসাদ ভবন নগরীর আকাশকে স্পর্শ করছে। ভবনের ছাদ শিখীর নৃত্যে ছন্দিত। মধুপ গুঞ্জরিত শতশতদলে সরোবরগুলি সদা আন্দোলিত। রাত্রি নিত্য জ্যোৎস্নাজড়িত। আনন্দাশ্রুছাড়া নয়নসলিল সেখানে বিরল। আর বয়স তো যৌবনেই আবদ্ধ। কুবেরের কর্মসচিব যক্ষ। তরুণবয়স সদ্যপরিণীত। সুন্দরী বধূটি। তপ্ত কাঞ্চনবর্ণা, তন্বী, শিখরীদশনা,পাকা বিম্বফলের মতো অধর।…

স্বাধীনতা, তুমি কোন্ পথে?
স্বাধীনতা! লক্ষ লক্ষ শহীদের রক্ত-রঞ্জিত স্বাধীনতা। কত কত একনিষ্ঠ দেশসাধকের বুকের মধ্যে প্রতিনিয়ত স্পন্দন তোলা স্বাধীনতা। হাজার হাজারকবি-সাহিত্যিক-শিল্পী-দার্শনিকের মননসাধনায় জারিত স্বাধীনতা। কত কত নাম-না-জানা ইতিহাসে স্থান-না-পাওয়াদের সংগ্রামের ফসল স্বাধীনতা। এ’ স্বাধীনতা বড় যত্নে, বড় আদরে, বড় শ্রদ্ধায় লালন করারই তো কথা ছিল। কথা ছিল ওই নাম-না-জানাদের সামনের সারিতে প্রতিষ্ঠা দেওয়ার। কিন্তু আমরা সেই একাগ্রতা নিয়ে,…

পেয়েছি ডাক, চলেছি আমি তাই
ছুটির দরখাস্ত তো অনেক আগেই দাখিল করেছেন রবীন্দ্রনাথ। কিন্তু ২২ শ্রাবণ ১৩৪৭-এ বসে আর ঠিক একটা বছর পরে ওই দিনটিতেই তাঁর ছুটি মঞ্জুর হবে কেই বা জানত! কেই বা সেদিন ভেবেছিল, কুহেলিকা উদ্ঘাটন করে সূর্যের মতো নূতনের আর প্রকাশ ঘটাতে আসবে আর একটাই মাত্র ২৫ বৈশাখ। ছুটিটা তো তাঁর মিলেইছিল, কিন্তু তাঁর আগে কড়ায়-গণ্ডায় পাওনাটা…

পরানের সাথে খেলিব আজিকে- ২
” হে রুদ্র, তোমার দুঃখরূপ, তোমার মৃত্যুরূপ দেখিলে আমরা দুঃখ ও মৃত্যুর মোহ হইতে নিষ্কৃতি পাইয়া তোমাকেই লাভ করি…. তোমার সেই ভীষণ আবির্ভাবের সম্মুখে দাঁড়াইয়া যেন বলিতে পারি, আবিরাবীর্ম এধি, রুদ্র বত্তে দক্ষিণং মুখং তেন মাং পাহি নিত্যম।”(মাঘ উৎসবের ভাষণ থেকে, ১৩১৪ সাল) কবির ছোটো ছেলে শমীন্দ্র বেড়াতে গিয়েছিলেন মুঙ্গেরে, কবির এক বন্ধুর বাড়িতে। এগারো…

প্রবৃত্তি ও পরিবার
১ ঘরটা প্রায় সারাদিনই বন্ধ থাকে। দরজা, জানলা, আলমারির পাল্লা, নেভা সুইচের সারি, স্নানঘরে শুকনো খটখটে মেঝে, বন্ধ স্টপককের পিছনে থমকে থাকা জল আর তার সমোচ্চশীলতার চাপ – এমনকি শামুকশিশুও আনমনে ঘোরে না, ফেরে না, অনুভবহীনতার সে ফাঁকা জমিতে। এসব সময়েই জন্মদিনের ঘুম ভাঙায় একাধিক ব্যাঙ্কের নানাবিধ বৈধ শুভেচ্ছা – হ্যাপি বার্থডে – তোমার ভবিষ্যৎ…

ভিড়
“কী আইন বানাইয়া গেল, কী শাসন দেখাইয়া গেলব্রিটিশ সরকারবেরেন খাটাইয়া বানাইছে জেলখানা-আআবেরেন খাটাইয়া বানাইছে জেলখানা-আআআ”দিনিয়া নদীর পাড়ে একটা মোটা পাকুরগাছের নিচে বসে একমনে গান গাইছে রফিক। রথের দিন গোপীনাথ সাহার আটচালায়, কাঠামো পুজো করে মূর্তি বানানো কাজ শুরু হয়েছে। এখন পুজো যত এগিয়ে এসেছে, মূর্তি ক্রমশঃ প্রাণ প্রতিষ্ঠার দিকে এগোচ্ছে। গ্রামের দুয়েকটা বাচ্চা প্রায় রোজ…
