শিল্প, সাহিত্য, সংস্কৃতির আলোচনা ও চর্চা

সেদিন যে রাগিণী গেছে থেমে…

“ও পারেতে বিষ্টি এল,
ঝাপসা গাছপালা।
এ পারেতে মেঘের মাথায়— .
একশো মানিক জ্বালা।
বাদলা হাওয়ায় মনে পড়ে
ছেলেবেলার গান—
‘বিষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর,
নদেয় এল বান।”

একদা জীবনপ্রভাতে, বহুশ্রুত, বহুপঠিত এই কবিতার পংক্তিগুলি আজ জীবনের অস্তাচলপ্রান্তে এসে যখন মনে মনে আবৃত্তি করি তখন বুকের ভিতর হুহু করে ওঠে। শুধু ছেলেবেলার নয়, জীবনের সব পর্বে সব মুহূর্তে থেমে যাওয়া সমস্ত গান যেন এক নীরব করুণ-মধুর ঐকতানে বেজে ওঠে। রবীন্দ্রনাথের গানের সরণি বেয়ে মন চলে হারানো দিনের অভিসারে। হারানো অতীতে সেই কল্পপ্রত্যাবর্তনে পথের দিশারী “বাদলা হাওয়া” — “সজল বাতাস”, “পূব হাওয়া”, অথবা কখনও বিশেষণবিহীন “বাতাস” ‘হাওয়া” যার পটভূমিতে আছে বর্ষণমন্দ্রিত পরিমণ্ডল — যে নামেই তাকে ডাকা হোক না কেন — স্বপ্নে পাওয়া সেই বাদল হাওয়া ক্ষণে ক্ষণে দেখা দিয়ে যায় রবীন্দ্রনাথের বর্ষার গানে। বাদল দিনের পাগলা হাওয়াতেই তো পাগল মন জেগে ওঠে — যে মন অসম্ভবের পায়ে মাথা কুটে মরে — যে মন সব বিশ্ববিধান অস্বীকার করে — মুহূর্তে কালের উজান বেয়ে মনপবনের নাও ভিড়ায় হারানো দিনের স্বর্ণালি তটরেখায়। রবীন্দ্রনাথের বর্ষার গানে যেমন অতীতচারিতা আছে অন্য কোন ঋতুসঙ্গীতে নেই। স্মৃতি উদ্দীপক বর্ষার গানের মধ্যে প্রথমেই মনে আসে —

“আমার যে দিন ভেসে গেছে চোখের জলে,

তারি ছায়া পড়েছে শ্রাবণগগনতলে॥

সে দিন যে রাগিণী গেছে থেমে অতল বিরহে নেমে

আজি পুবের হাওয়ায় হাওয়ায় হায় হায় হায় রে

কাঁপন ভেসে চলে॥”

লক্ষণীয় কবিতার মত বর্ষার কোন গানে কিন্তু “ছে্লেবেলা” বা অতীত জীবনের সুনির্দিষ্ট কোন পর্বের চিত্রায়ণ দেখা পাওয়া যায় না। আশ্চর্যের বিষয়, তেমন আভাস মেলে শুধু গ্রীষ্মের একটি গানে — “মধ্যদিনের বিজন বাতায়নে। (কৈশোরে যে সলাজ কানাকানি/ খুঁজেছিল প্রথম প্রেমের বাণী / আজ কেন তাই তপ্ত হাওয়ায় মর্মরিছে গহন বনে।) এবারও আশ্চর্যের বিষয় এই যে হারানো কৈশোরের বাণী বহন করে আনছে সেই হাওয়া — সজল হাওয়ার পরিবর্তে তপ্ত হাওয়া।

বর্ষার গানেই আবার ফিরে আসা যাক। অনেক গানেই এই স্বপ্নযাত্রা্র অভিমুখ ব্যক্তিজীবনের কোন বিস্মৃত পর্ব নয়। এই যাত্রা কালান্তরের উদ্দেশ্যে। কখনও সজল হাওয়ায় তার চকিত আভাস —

“আজ আকাশের মনের কথা ঝরোঝরো বাজে

সারা প্রহর আমার বুকের মাঝে॥

দিঘির কালো জলের ’পরে মেঘের ছায়া ঘনিয়ে ধরে,

বাতাস বহে যুগান্তরের প্রাচীন বেদনা যে”

কখনো অতীতের চিত্রকল্পগুলি আরো দীর্ঘায়িত হয় যেমন পরের গানগুলিতে —

“বৃষ্টিশেষের হাওয়া কিসের খোঁজে বইছে ধীরে ধীরে

গুঞ্জরিয়া কেন বেড়ায় ও যে বুকের শিরে শিরে॥

অলখ তারে বাঁধা অচিন বীণা ধরার বক্ষে রহে নিত্য লীনা– এই হাওয়া

কত যুগের কত মনের কথা বাজায় ফিরে ফিরে॥”

কখনও অতীতচারী হৃদয় প্রাচীন যুগের ছায়াসুনিবিড় অরণ্যতলে নাম না জানা সেই বিরহিণীর সন্ধান করে ফেরে —

“শ্রাবণের পবনে আকুল বিষণ্ণ সন্ধ্যায়

সাথিহারা ঘরে মন আমার

প্রবাসী পাখি ফিরে যেতে চায়

দূরকালের অরণ্যছায়াতলে॥

কী জানি সেথা আছে কিনা আজও বিজনে বিরহী হিয়া”

কখনও বর্ষার গানে উদ্ভাসিত সেই অতীত সাহিত্যে কাব্যে উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্ত স্বপ্নময় প্রাচীন ভারত — কালিদাসের কাল; বাদল বাতাস যুগান্তরের সুরভিধারা বহন করে আনে —

“বহু যুগের ও পার হতে আষাঢ় এল আমার মনে,

কোন্‌ সে কবির ছন্দ বাজে ঝরো ঝরো বরিষনে॥

যে মিলনের মালাগুলি ধুলায় মিশে হল ধূলি

গন্ধ তারি ভেসে আসে আজি সজল সমীরণে॥”

এই প্রসঙ্গে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য “ওই আসে ঐ অতি ভৈরব হরষে” গানটি। এই গানে দ্বিতীয়,তৃতীয়, চতুর্থ স্তবক জুড়ে কালিদাসের যুগের ভারতের রূপকল্প। শেষ স্তবকটি এই আলোচনায় বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। বাতাস এখানে বর্তমান বাস্তবতা ও স্বপ্নমেদুর অতীতের মধ্যে সেতুবন্ধন রচনা করে। বাস্তব বর্তমান মুহূর্তে দেখি “দুলিছে পবনে সনসন বনবীথিকা” আবার সেই “মত্তমদির বাতাসে”ই শতেক যুগের কবিদল” মিলে রচনা করেন “শতেক যুগের গীতিকা”।

কখনও এই স্বপ্নাভিসার ইতিহাসের কোন সুনির্দিষ্ট পর্বের লক্ষ্যে নয়, এই যাত্রাশেষে মন উপনীত হয় সৃষ্টির উষালগ্নে, এক নামহীন অতীতে, রবীন্দ্রনাথের গানের ভাষায় এক কালহারা কালে।

“আজ শ্রাবণের আমন্ত্রণে

দুয়ার কাঁপে ক্ষণে ক্ষণে,

ঘরের বাঁধন যায় বুঝি আজ টুটে॥

(…)

প্রথম যুগের বচন শুনি মনে

নবশ্যামল প্রাণের নিকেতনে।

পুব-হাওয়া ধায় আকাশতলে, তার সাথে মোর ভাবনা চলে

কালহারা কোন্‌ কালের পানে ছুটে॥”

পূর্বোক্ত প্রতিটি গানেই স্মৃতি-উদ্দীপনায় বাতাসের ভূমিকা আছে।

অনেকদিনের আমার যে গান আমার কাছে ফিরে আসে, তার কাছে তাইতো প্রশ্ন “তুমি ঘুরে বেড়াও কোন বাতাসে”। কিন্তু বসন্তবাতাসে ভোলাদিনের কান্নাহাসির সুর তো বাজে না। ফাগুন হাওয়ায় হাওয়ায় যে গান গাওয়া হয় সে তো অতীত দিনের গান নয়। চৈত্রমাসের উতল হাওয়ায় কার মনের বেদন বাজে তা জানা যায় না কিন্তু সেই হাওয়া তো শেষ স্তবকটি এই আলোচনায় বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। বাতাস এখানে বর্তমান বাস্তবতা ও স্বপ্নমেদুর অতীতের মধ্যে সেতুবন্ধন রচনা করে। বাস্তব বর্তমান মুহূর্তে দেখি অতীতের বাণী বহন করে আনে না। উদাসী হাওয়ার পথে পথে ঝরে পড়া মুকুলে যে মালা গাঁথা হয় তা তো স্মরণ করায় শুধু গত দিনের কথা। একটি ব্যতিক্রম : পূর্বাচলের পানে তাকাই অস্তাচলের ধারে আসি।… মাঝে মাঝে কোন বাতাসে চেনা দিনের গন্ধ আসে / হঠাৎ বুকে চমক লাগায় আধভোলা সেই কান্নাহাসি। ফিরে আসা গানের কাছে রাখা প্রশ্নের উত্তর তাই “বাদল বাতাস” — “ধরণীর গগনের মিলনের ছন্দে” যে “বাদল বাতাস” আনন্দে মেতে ওঠে।

এমন অবশ্য নয় যে স্মৃতি-উদ্দীপনায় অনুঘটকের ভূমিকায় কেবল বাদল বাতাস। অনেক গানে বর্ষার বাদল মেঘের মায়াময় অন্ধকার সেই অতীতস্বপ্নে উত্তরণ ঘটায়। “বহুযুগের ওপার হতে” সজল সমীরণ যেমন করে বহন করে আনে মিলনমালার সৌরভ তেমনি করেই রেবানদীতটে কালোমেঘের মায়াবী ছায়াবিস্তারে, শৈলশিখরে অবিরল বৃষ্টিধারায় মালবিকার অনিমেষ দৃষ্টির উদ্ভাস।

“মালবিকা অনিমিখে চেয়েছিল পথের দিকে,

সেই চাহনি এল ভেসে আজি কালো মেঘের ছায়ার সনে।”

একদিন অনাদি অতীতে যে বংশীরব প্রথম প্রাণকে উতলা করে তুলেছিল আজ আষাঢ়ের কাজল মেঘ তারই বাণী বহন করে আনে —

“সে কে বাঁশি বাজিয়েছিল কবে প্রথম সুরে তালে,

প্রাণেরে ডাক দিয়েছিল সুদূর আঁধার আদিকালে।

তার বাঁশির ধ্বনিখানি আজ আষাঢ় দিল আনি,

সেই অগোচরের তরে আমার হৃদয় নিল হ’রে॥”

শুধু অবিরাম বর্ষণধারাও মনকে স্মৃতিমেদুর করে তোলে

“আজি বরিষনমুখরিত শ্রাবণরাতি,

স্মৃতিবেদনার মালা একেলা গাঁথি॥

যেমন বরষধারায় অরণ্য আপনা হারায় বারে বারে

ঘন রস-আবরণ

তেমনি তোমার স্মৃতি ঢেকে ফেলে মোর গীতি

নিবিড় ধারে আনন্দ-বরিষনে, হায়॥

প্রেম পর্যায়ের “অনেক কথা বলেছিলেম” গানটিতে দেখা যায় বহুকাল পূর্বে কোন নিভৃত নিশীথে প্রেমাস্পদের কানে কানে উচ্চারিত গোপন বাণী আজ অকস্মাৎ ধ্বনিত হয় বর্ষণসিক্ত মৃত্তিকার সুবাসে —

“বৃষ্টিধারার ঝরোঝরে ঝাউবাগানের মরোমরে

ভিজে মাটির গন্ধে হঠাৎ সেই কথা সব মনে আনে॥”

চিরাচরিতভাবে বর্ষাসৌন্দর্যের প্রতিভূ যারা — সেই কাজল মেঘ, অঝোর বৃষ্টিধারা ছাড়াও এইক্ষেত্রে অনুঘটকের ভূমিকা নিতে পারে বর্ষার অনুষঙ্গবাহী তৃণদল — তুচ্ছ তৃণদল, যার অবস্থান বিশ্বজনের চরণতলে প্রতিমুহূর্তে যে পদদলিত হয়ে চলেছে। রবীন্দ্রভাবনাবিশ্বে সেই দীনহীন তৃণ প্রাণহীণ মরুময়তার বিরুদ্ধে সংগ্রামে বিজয়ী সৈনিক, তারাই স্মরণ করিয়ে দেয় সেই আদিকালের কথা — যখন মানবপ্রাণ বিশ্বপ্রাণের সঙ্গে নিবিড় বন্ধনে নিগড়িত ছিল :

“ওরা যে এই প্রাণের রণে মরুজয়ের সেনা,

ওদের সাথে আমার প্রাণের প্রথম যুগের চেনা—”


এ’ তো গেল আমাদের চিরচেনা চিরকালের রবীন্দ্রনাথের বর্ষা। এবার একটু এ’কালের শপিং মল-বিহারী ড্যাড-মমের ইঙ্গবঙ্গ সন্তানের দৃষ্টিতে রবীন্দ্রনাথের বর্ষাকে দেখি আমরা।

“মেঘের খেলা দেখে কত
খেলা পড়ে মনে,
কত দিনের নুকোচুরি
কত ঘরের কোণে।”

— লুকোচুরি ? You mean hide and seek? তা video games ছেড়ে ওইসব primitive ageএর games এখন আবার কে খেলে? তাতে কাউকে shoot করা যায় না, মাথা কাটা যায় না। যত্তোসব !!! আর Harry Potter ছেড়ে ওইসব কঙ্কাবতী না কীসব … সুয়োরানী ??Hey, What’s that ? সুয়ো…সুয়ো…সুয়ো শুয়োর ??? a pig ??? you mean a pig becoming a queen? what rubbish!!!

আর শিবঠাকুরের বিয়ে?? Who cares ?? ok Ok bro নাহয় একটা message পাঠিয়ে দেওয়া যাবে Hi Lord Shiva ! Happy Marriage Anniversary! ব্যস।

Well ওই Tagore এর poem নিয়ে আজকে…… why so much fuss? আজকে কোন special occasion আছে নাকি? হ্যাঁ হ্য্যঁ জানি তো বছরের কতগুলো special day তে একটু বাঙালি সাজতে হয়। যেমন Bengali New Year , Tagore’s Birthday এইগুলো। যদিও বাংলাটা আমাদের ঠিক আসে না but ওই কয়েকটা occasion এ বাঙালি সাজলে status বাড়ে। সেইদিন নিজেদের cultural roots সম্বন্ধে বাংরেজিতে কথা বলতে হয়। Mom Dad এর সঙ্গেই হোক বা girlfriend, boyfriend এর সঙ্গেই হোক বিশেষ কোন রেস্তোঁরায় গিয়ে একটু Bengali cuisine taste করতে হয়। ওই দুই একদিনের জন্য একটু Tagore’s song ও শুনতে হয়। তা এখন তো Tagore’s song আর আগের মত প্যানপ্যানে lullaby নেই। fusion করে একেবারে বিন্দাস হয়ে গেছে। সারাদিন একেবারে Bong কায়দায় মস্তি করে pic upload করলে হাজার হাজার Like পড়বে আর commentsএ Awesome, so sweet, ফাটাফাটি, বিন্দাসের বন্যা বইবে। But আজ তো সেইরকম কিছু নয়, তো এখন Tagoreএর poem নিয়ে unnecessary fuss করার দরকার নেই।


“মনে পড়ে মায়ের মুখে

শুনেছিলেম গান —

“বিষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর,

নদেয় এল বান।”

বিছানায় ঘুমন্ত শিশু……… দুরন্ত ছেলের দাপাদাপি …….. মায়ের ঘুমপাড়ানি গান……… সুয়োরাণী, দুয়োরাণীর গল্প, কঙ্কাবতীর ব্যাথাভরা অভিমান……..শিবঠাকুরের বিয়ের গল্প …….. সেইসব নিয়ে আজ ভাবার অবকাশ কোথায় ? অবকাশ যদি বা মেলে সেই মন যে হারিয়ে গেছে। ইট কাঠ কংক্রীটের জঙ্গলে, নাগরিক জীবনে বেহাল নিকাশি আর পরিবহন ব্যবস্থায় বর্ষা রোম্যান্টিকতার চেয়ে বিরক্তিই বেশি নিয়ে আসে। মেঘদূত প্রবন্ধে রবীন্দ্রনাথ যেমন বলেছেন “রামগিরি হইতে হিমালয় পর্যন্ত প্রাচীন ভারতবর্ষের যে দীর্ঘ এক খণ্ডের মধ্য দিয়া মেঘদূতের মন্দাক্রান্তা ছন্দে জীবনস্রোত প্রবাহিত হইয়া গিয়াছে, সেখান হইতে কেবল বর্ষাকাল নহে, চিরকালের মতো আমরা নির্বাসিত হইয়াছি।”

তবু রবীন্দ্রনাথের গান, কবিতার মধ্য দিয়ে মুহূর্তের জন্য হলেও আমরা সেই অলকাপুরীতে উত্তীর্ণ হই। প্রকৃতির নিয়মে বহির্জগতে যে ঋতুই আসুক, রবীন্দ্রনাথের গান যে কোন মুহূর্তে পরিপূর্ণ বর্ষা নিয়ে আসতে পারে। নদীতে নয়, বন্যা আসে অস্তিত্বের পরতে পরতে, অবিরাম বর্ষণধারায় উত্তপ্ত প্রাণমণ জুড়িয়ে যায়। ক্ষণিকের জন্য হলেও সব বৈষয়িক চাওয়া পাওয়া মিথ্যা হয়ে যায়, কালিলেপা অন্ধকারে চকিত আলোর আভাসের মত অতীত স্মৃতিরা এসে ভিড় করে। ঘুম …… গভীর ঘুম…… গভীর ঘুমের আড়াল থেকে …… যেন সব দেশকালের ওপার থেকে সম্মোহিনী মায়াভরা কোন কন্ঠস্বর ভেসে আসে :

“না জানি কোন্ নদীর ধারে,
না জানি কোন্ দেশে,
কোন ছেলেরে ঘুম পারাতে
কে গাহিল গান
বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর
নদেয় এল বান।”

[লেখকের অন্য রচনা]

Facebook Comments Box

আপনি এই পত্রিকা পড়ছেন জেনে ভাল লাগল।

নতুন লেখা বা ভিডিও সংযোজন, অথবা রবিচক্রের অন্যান্য খবরাখবর সম্পর্কে জানতে, ইমেল নথিভুক্ত করতে পারেন।

We don’t spam! Read our privacy policy for more information.


0 0 votes
Article Rating
1 Comment
Oldest
Newest Most Voted
shouvik De
shouvik De
10 months ago

যার জীবন বিন্দাস সে তেমনি থাক। রবি কবির প্রবল বিরোধীও – বিশেষত বরষায় -গেয়ে ওঠে তাঁর গান। নজরুলের কথায় বলা যায় ‘সেই তো আমার জয় গো প্রিয়, অন্তরে রই, রই না গলে ‘. ধুলো ঝেড়ে হারমোনিয়াম বেরোয়, স্নানঘর কেঁপে ওঠে গানের ধাক্কায়। বাঙালির এই রাহুগ্রাস থেকে মুক্তি নেই। লেখক সেই বিড়ম্বনাটি আবার স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন তার সুললিত গদ্য।