শিল্প, সাহিত্য, সংস্কৃতির আলোচনা ও চর্চা

Category: বিষয়

  • আগুনের পরশমণি ছোঁয়াও প্রাণে : অন্তরঙ্গ পাঠ

    আগুনের পরশমণি ছোঁয়াও প্রাণে : অন্তরঙ্গ পাঠ

    আজ আলোচনার জন্য আমরা বেছে নিয়েছি সর্বাধিক পরিচিত রবীন্দ্রসঙ্গীতের মধ্যে একটি : আগুনের পরশমণি। সুদূর শৈশবে প্রায় চেতনার উন্মেষুহূর্ত থেকেই এই গানটি আমরা শুনে থাকি। কোন না কোন সময়ে এই গানটি গায় নি ( একক কন্ঠেই হোক বা সমবেত কন্ঠেই হোক) এমন বঙ্গসন্তান বোধহয় খুঁজে পাওয়া যাবে না। অতিপরিচিত এই গানটি সম্বন্ধে আমার ব্যক্তিগত অনুভূতি…

  • বাঙালি-বিয়ের প্রথা এবং পরম্পরার প্রেক্ষাপট

    বাঙালি-বিয়ের প্রথা এবং পরম্পরার প্রেক্ষাপট

    একজন পুরুষ অথবা একজন নারী যখন সজ্ঞানে নিজেদের জন্য জীবনসঙ্গী বা জীবনসঙ্গিনী নির্বাচন করবে তার মধ্যে ধর্ম কেন এসে নাক গলাবে এ নিয়ে বহু বিতর্ক হয়েছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ঐতিহ্য, পরম্পরা, বিশ্বাস, ইতিহাস, শিকড়, পুরুষানুক্রম এই রকম কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যখন চলে এসেছে তখন অন্য সব আধুনিকতার যুক্তিগুলি পিছু হটেছে। রয়ে গেছে যা আমাদের চিয়ায়ত,…

  • বাংলা গানের উজ্বল কারিগরেরা (পর্ব – ৩)

    বাংলা গানের উজ্বল কারিগরেরা (পর্ব – ৩)

    সলিল চৌধুরী ও অনল চট্টোপাধ্যায় ‘বাংলা গানের উজ্জ্বল কারিগরেরা’ শীর্ষক আলোচনার দ্বিতীয় পর্বের শেষ দিকে গীতিকার-সুরকারদের সম্বন্ধে বলা শুরু করে সেই সময়কার একজন বিশিষ্ট সঙ্গীত ব্যক্তিত্ব সুধীন দাশগুপ্ত সম্বন্ধে কিছুটা লেখার চেষ্টা করেছি। এই পর্বের শুরুতে গীতিকার সুরকার হিসেবে বাংলা বেসিক গানের উজ্জ্বলতম নক্ষত্র সলিল চৌধুরীর কথায় আসব। সলিল চৌধুরীকে নিয়ে পাঠকদের কাছে কিছু বলা…

  • কথা বল, বল কথা

    কথা বল, বল কথা

    আমাদের স্কুলে বধির বা Hearing Impaired বিভাগে একটি দারুণ বাঁদর আর দারুণ সোনা ছেলে আছে ৷ বাঁদরামি আর সোনামি দুইয়ে মিলে fantastic হয়ে গেছে আমাদের লিডার। হ্যাঁ —–লিডার বলেই ডাকি তাকে।লিডার সবসময় হাত-পাগুলোকে ছুটিয়ে চলেছে গগনের পানে। লিডার বলেই যেন সে উড়ে চলবে বাকিদের মাথার ওপরে প্যারালালি ৷ ফলে কী হয় —-ক্লাসরুমের যেখান দিয়ে সে…

  • অলি-র কথা শুনে

    অলি-র কথা শুনে

    “এলেক্সা, একটা গান চালাবে?”“নিশ্চয়ই, কী গান শুনতে চাও?”“শুক্রবারের রাত, হাতে ডবল অন দ্য রক্স। কী শোনা উচিত?”“গজল জাতীয় কিছু? নাকি আইরিশ কান্ট্রি সঙ বা বাংলা ভাটিয়ালি? বা হেমন্ত মুখোপাধ্যায়ের ‘অলির কথা শুনে…’”“হেমন্তের গান চলতে পারে, তবে ওই গানটি নয়।”“বেশ, ওটা না হয় বাদ দিলাম।”“যা হয়, তুমি চালাও।”“শুধু ইনস্ট্রুমেন্টাল মেলোডি? চলবে?”“সব চলবে, পর পর দাও।”“বেশ। তবে…

  • খরা

    খরা

    ফাগুন শেষে মাটির কষ্ট, তৃষ্ণা কাতর প্রাণআগুন ছোঁয়া শস্য ক্ষেতে,মনের বিরূপ টান। দীঘল চোখে শুকিয়ে কাজলরাতমোহিনী হাঁকে,‘জল চাই গো, জল যে খরা,জল কোথাকে পাই’-এ পোড়া দেশ ক্লান্ত বড়ো,নটে গাছটি মুড়াই আরোবাউড়ি পাড়ার পথে ঘাটেউড়ছে ধুলোর ছাই।‘জল চাই গো, জল যে খরা,জল কোথাকে পাই।’ ফাগুন শেষে একলা ঘর- একলা মনের টানরাত দুপুরে প্রসব ব্যথায়পোয়াতি আনচান। ঋণের…

  • ন্যাপকিন

    ন্যাপকিন

    দোকানে তুফান ওঠে— ভারত বনাম চীন,সময় বিচার করে, কে পিঁপড়ে কে হাতি!দরকার মিটে গেলে ডাস্টবিনে ন্যাপকিন,বৃথাই অহংবোধে ডুবে আছি নেহাতই— বৃথাই আকাশ দেখে আশাবাদ রচনা:কে কার বদল আনে? ইতিহাস হেসে যায়।মিথ্যের স্রোত এসে কিনে নেয় জোছনা,মানুষ তো বরাবরই দিশাহীন, নিরুপায়। মানুষ তো এঁকে চলে হতাশার রঙছবিবিষাদের তুলি টেনে আপোষের নেয় স্বাদভাতের প্রশ্ন এলে কাজে যায়…

  • শ্রুতিতে পত্রসাহিত্যঃ রবীন্দ্রনাথের চিঠি অমিয় চক্রবর্তীকে

    শ্রুতিতে পত্রসাহিত্যঃ রবীন্দ্রনাথের চিঠি অমিয় চক্রবর্তীকে

    রবীন্দ্র-পরবর্তী যুগের উল্লেখযোগ্য কবি অমিয় চক্রবর্তীর জন্ম ১৯০১ সালে। রবীন্দ্রনাথের সঙ্গে তাঁর যখন যোগাযোগ হয়, তিনি তখন ১৬ বছরের একটি কিশোর। অচিরেই কবির স্নেহধন্য হয়ে ওঠেন অমিয়। সেই সময়টিতে তার জ্যেষ্ঠ ভ্রাতার অকালবিয়োগে সে প্রবলভাবে কাতর ও চূড়ান্ত অবসাদগ্রস্ত অবস্থায় দিনযাপন করছে। স্নেহসিক্ত কবি এক অসামান্য মনোবিদের মত একটির পর একটি চিঠিতে উজ্জীবিত করতে থাকেন…

  • বঙ্গজীবনের পাঁচালি : চোদ্দ শতক (৮)

    বঙ্গজীবনের পাঁচালি : চোদ্দ শতক (৮)

    নির্মলকুমার বসু একজন পন্ডিত কীর্তিমান,নৃতত্ত্ব, সমাজতত্ত্বে তাঁর বিপুল অবদান।।তাঁর আরো আগ্রহের বিষয় মন্দির-স্থাপত্য,লোকসংস্কৃতি নগরবিজ্ঞান এবং প্রত্নতত্ত্ব।।আরো কত বিদ্যায় যে তাঁর বিচিত্র গবেষণা,সকল কার্যেই মানবকল্যাণ তাঁর ধ্রুব প্রেরণা।।ভারতের সংস্কৃতির ধারায় যে পরিবর্তন —নৃতত্ত্বের আলোয় তিনি তার করেন বিশ্লেষণ। মানুষকে জানতে ও বুঝতে চালান অন্বেষণ,পায়ে হেঁটে করেন তিনি ভারত পর্যটন।।উদ্যোগে অক্লান্ত তিনি উদ্যম অফুরন্ত–ইংরেজি ও বাংলাতে তিনি…

  • ধর্ম

    ধর্ম

    “ধর্ম এব হতো হন্তি ধর্ম রক্ষতি রক্ষিতঃ।” মহাভারত বন পর্ব! অর্থাৎ , ধর্মকে তুমি রক্ষা করিলে, ধর্ম তোমাকে অবশ্য‌ই রক্ষা করিবে । পক্ষান্তরে যদি তুমি ধর্ম হইতে বিচ্যুত হ‌ও, তবে ধর্ম‌ই তোমাকে নির্মমভাবে বিনাশ করিবে। অতএব সর্বদা ধর্মের পথে বিরাজ।  যাহা ধারণ করে তাহাই ধর্ম। এক্ষণে প্রশ্ন জাগ্রত হয়, কী ধারণ করে? একক মানব চেতন…