শিল্প, সাহিত্য, সংস্কৃতির আলোচনা ও চর্চা

১৯৪০: সজনীকান্তকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে অন্য রবীন্দ্রনাথ

কলকাতার ফুটপাত থেকে এবং চোরাবাজার থেকে পুরানো বই সংগ্রহ করা সজনীকান্তের একটা বাতিক ছিল। এইপথেই একদিন নগদ চার আনা দিয়ে ওজনে ভারী একটি বই কিনলেন – National Council of Education, Bengal Calendar 1906-1908. পরিশিষ্টে দেখা গেল একটি বাংলা প্রশ্নপত্র, নীচে লেখা Paper set by – Babu Rabindranath Tagore. প্রশ্নপত্রটি সজনীকান্তের অভিনব মনে হল। বেতনভোগী শিক্ষকের দায়সারা মামুলী ছেলে ঠকানো দুর্বুদ্ধি এই প্রশ্নগুলিতে নেই। বরং আছে বিষয় সম্বন্ধে পরীক্ষার্থীর সত্যকার বিদ্যা যাচাইয়ের প্রয়াস। প্রশ্নপত্র ছেড়ে বহুরূপী রবীন্দ্রনাথ সম্পর্কে কৌতূহলী হয়ে হাজির হলেন বরানগরে -রবীন্দ্রনাথের কাছে।
কবি তখন ১লা বৈশাখের উৎসব সেরে কালিম্পঙ থেকে কলকাতায় প্রশান্তচন্দ্র মহালনবিশের বরানগরের বাড়িতে এসে উঠেছেন। তাঁর কাছে প্রশ্নপত্র মেলে ধরে সজনীকান্ত এ বিষয়ে প্রশ্ন করাতে তিনি ম্লান হেসে বললেন – “যারা শান্তিনিকেতন, বিশ্বভারতী আর শ্রীনিকেতনকে কবি-খেলোয়াড়ের শুধু দুদিনের খেলা ভেবে এবং এই প্রচার করে মনে মনে আশ্বাস লাভ করে থাকেন, তোমার এই আবিষ্কারে তারা ব্যথিত হবেন। এগুলি প্রমাণ করবে যে আমি হঠাৎ আকাশকুসুম রচনা করতে বসিনি, আজীবন এই বিষয়ে ভেবেছি এবং ভাবনাকে সাধ্যমত কাজে খাটাবার চেষ্টাও করেছি। নিষ্ফলতার দুঃখ পেয়েছি, কিন্তু ফাঁকি দেওয়ার সান্ত্বনা পাইনি।”

সজনীকান্তের নানরকম কৌতূহলী জিজ্ঞাসার উত্তরে রবীন্দ্রনাথ স্বদেশী-যুগের স্মৃতির ঝাঁপি খুলে সেদিন যে-সব কথা বলেছিলেন, ১৯৪০ সালের এপ্রিলের শেষ ভাগে বাংলাদেশ ও বাংলার বাইরের বহু সংবাদপত্রে বাংলা ইংরাজিতে সেই মর্মান্তিক ক্ষোভের কথা প্রকাশিত হয়েছিল। কবির সঙ্গে সজনীকান্তের মূল সাক্ষাৎকারের বিবরণ ১৩৪৭ সালের বৈশাখের ‘শনিবারের চিঠি’তে প্রকাশিত হয়েছিল। বাংলাদেশের জনসাধারণের কাছে সম্ভবত তাই হল কবির সর্বশেষ বাণী-সর্বশেষ আবেদন। সুতরাং ঘটনাটি ঐতিহাসিক। সেই ঐতিহাসিক দলিল মনোযোগ সহকারে পাঠ করলে আমরা এক অন্য রবীন্দ্রনাথকে খুজে পাই—

“দেশের জন্য আমার যত কিছু ভাবনা, সুদূর বাল্যকাল থেকে যা আমার মনকে অবিরত আচ্ছন্ন করে ছিল, ছন্দোবদ্ধ রূপেই শুধু তা প্রকাশ পায়নি। আমি বরাবরই সেই ভাবনাকে রূপ দিতে চেয়েছি কাজে। এর জন্যে সর্বস্ব পণ করেছিলাম। আমার সর্বস্ব খুব বেশি ছিল না;যতটুকু ছিল, ততটুকুই নিঃশেষে উজাড় করে পরীক্ষার কাজ চালিয়েছি…। ভিক্ষাপাত্র হাতে খালি পায়ে পাগলের মত ঘুরে বেড়িয়েছি -পথে পথে, দেশের লোকের প্রাণে সাড়া জাগাবার জন্যে। দিনের পর দিন কত অজ্ঞাত অখ্যাত জায়গায় সভা করে বক্তৃতা দিয়ে ফিরেছি। এক মুহূর্ত নিশ্বাস ফেলবার সময় ছিল না। শুধু সভা আর পরামর্শ -পরামর্শ আর কাজ। দুর্ভাগ্যের বিষয় সে ইতিহাস কেউ লিখে রাখে নি। আজ চেষ্টা করলেও তোমরা সে নষ্ট ইতিহাস উদ্ধার করতে পারবে না ; টুকরো টুকরো খবর পাবে, কিন্তু আমাদের সেই নিরলস সাধনার সম্পূর্ণ ইতিহাস কোনও দিনই আর লোকচক্ষুর গোচরে আসবে না। আসবে না, তার বড় কারণ এই যে, আমারই হস্তরচিত সেই বিপুল উদ্যমের খসড়া যাঁদের কাছে ছিল, রাজার প্রহরীর ভয়ে তাঁরা একদিন নিঃশেষে তা অগ্নিস্যাৎ করে নিশ্চিন্ত হয়েছিলেন। আমার অনেক দিনের অনেক ভাবনা সেইসঙ্গে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।

আমাদের কাজ ছিল কি? কি ছিলনা, তাই ভাবি। জাতীয় জীবনের প্রত্যেক বিভাগে দৃষ্টি ছিল আমাদের। দেশীয় বিদ্যালয় থেকে আরম্ভ করে দেশীয় সমবায় পর্যন্ত সব কিছুই পত্তন করেছিলাম। শিল্প ও সাহিত্যের প্রসার-চেষ্টা তো ছিলই, পল্লীমঙ্গল, পল্লীগঠন, বৈজ্ঞানিক শিক্ষাবিস্তার, কুটির শিল্প ও কলকারখানার সাহায্যে আমাদের দৈনন্দিন প্রয়োজনের যাবতীয় দ্রব্য নির্মাণ – আমরা করি নি কি? জ্যোতিদাদা সর্বস্ব খুইয়ে জাহাজের খোল কিনে এই অকৃতজ্ঞ দেশের খেয়াপারের কান্ডারী হবার চেষ্টা পর্যন্ত করেছিলেন। বিদেশীদের পাল্লায় উৎসাহী দেশপ্রেমিকের তিলে তিলে সর্বস্ব ত্যাগের আত্মঘাতী মহিমার প্রতি বিন্দুমাত্র দরদী না হয়ে তারা খাবারের ঠোঙা হাতে মজা দেখেছে, একজনও কেউ এগিয়ে এসে বলে নি, বহুত আচ্ছা আমিও আছি। আমারই কি কম লাঞ্ছনা ঘটেছে! বিজ্ঞতার ভান করে দেশের কল্যানের কাজে যিনি যে উপদেশ দিয়েছেন, সরল বিশ্বাসে আমি তাই পালন করতে গিয়ে সর্বস্বান্ত হয়েছি। তাদের কর্তব্য বক্তৃতা এবং উপদেশ পর্যন্ত গিয়েই শেষ হত, আমি গাঁটের কড়ি খরচ করে শেষ পর্যন্ত দেখতে চাইতাম। কুষ্ঠিয়ায় আমার তাঁতের কারখানার ইতিহাস যদি কোনদিন জানতে পাও তো দেখতে পাবে, ওই তাঁতের সুতো ধরে আমি সর্বনাশের দরজা পর্যন্ত পৌছতেও ইতস্তত করি নি। সুতো সরবরাহ করে যারা আমায় ঠকিয়েছিলেন, তাঁরা আমারই দেশের লোক, স্বদেশীয়ানাকে মূলধন করে বেশ গুছিয়ে নিয়েছিলেন তাঁরা। কিন্তু ঠকাটাকে গ্রাহ্য করি নি, পরীক্ষার পর পরীক্ষা চালিয়েছি, একদিন সত্য একটা কিছু পাব এই আশায়। আলুর চাষ, গুটিপোকার চাষেও নামজাদা এক্সপার্টদের পরামর্শে কম লোকসান দিই নি। দুঃখ সেই লোকসানের জন্য নয়; যাঁরা আমাকে এই সব কাজে নামিয়ে ছিলেন, তাঁদের অসাধুতা আমাকে সবচেয়ে বেশি আঘাত দিয়েছে। যাদের অভিজ্ঞতার মূল্য সরকারী তহবিল থেকে মাসে মাসে দেওয়া হত, কাজের বেলায় বার বার দেখলাম, তাঁদের অনভিজ্ঞতার যূপকাষ্ঠে সরল বিশ্বাসে বলি হয়েছি আমরাই। সরকারী খেতাব এবং বেতন তাঁরা যথানিয়মেই পেয়ে গেছেন। দেশের প্রতি আমাদের স্বতঃউৎসারিত প্রেমকেই তাঁরা অপমান করেছিলেন সেদিন।

এই আমাদের দেশ, এ দেশের কোন সফল কীর্তি আমরা আশা করতে পারি?…. নিজেরা করব না, কাউকে কিছু করতে দেব না…। এখানকার লোকে তাই তিলে তিলে কিছু গড়ার জন্যে দল বাঁধে না, দল বাঁধে গড়া জিনিষকে ভাঙবার পৈশাচিক আনন্দে। এ জিনিষকেও ক্ষমা করা যেত, যদি না দেখতাম, পিছনে ব্যক্তিগত স্বর্থবুদ্ধি তার দংষ্ট্রা বের করে আছে।

এই সর্বনাশা প্রবৃত্তি দিনে দিনে প্রবল হয়ে উঠেছে বাংলাদেশে ; বুদ্ধির অভাববশতঃ নয়, এর মধ্যে দুর্বদ্ধি আছে, আছে শয়তানী। জীবনের প্রত্যেক ক্ষেত্রে অসাধুতা তার জয়পতাকা তুলছে ; স্বার্থবুদ্ধি এবং স্বেচ্ছাচার সকল কল্যাণকে করছে বিনষ্ট । অভিভাবকদের অন্নে পুষ্ট দায়িত্বহীন ছাত্রদের নীতি-অমান্যের সহজ প্রবৃত্তিকে স্বাধীনতার দাবী বলে ঘোষণা করে তাদের ক্ষেপিয়ে অপরের সৎকীর্তি যারা ধ্বংস করতে চায়, তারা নামে এবং মহিমায় যেই হোক, আসলে দেশের প্রবল শত্রূ। আজকের দিনে তারাই প্রবল হয়ে আমাদের দুর্ভাগ্যকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে। আমাদের বাঁচবার কোন পথ নেই।

দেখ, আমার এই দীর্ঘ জীবনের জন্য এখন প্রায়ই মনে ধিক্কার জাগে। মনে এ আশাও নেই যে কোন দিন এই ভাঙনের মধ্যে থেকেই সৃজনের দেবতার কাজ শুরু হবে। এখানে হবে না। মিথ্যার জঞ্জালস্তূপ ভেদ করে সত্যের অঙ্কুর উদ্গত হতে পারে না।

অথচ দেখ, ১৯১৭ খ্রীষ্টাব্দে রাশিয়ায় যারা আন্দোলন আরম্ভ করেছিলেন, কত অসুবিধার মধ্যে তাঁদের কাজ করতে হয়েছে। তখন সেখানকার নৈতিক সামাজিক এবং আর্থিক অবস্থা আমাদের চাইতেও হেয় ছিল। যে দুর্ভাগ্যের স্তরে তারা পৌঁছেছিল, আমরা তার কল্পনা করতে পারব না। কিন্তু জননায়করা মিথ্যাচার করেন নি বলে সেই ভয়াবহ পঙ্ক কুন্ড থেকে সমগ্র জাতিকে টেনে তুলতে বড় বেশি সময় লাগেনি….সর্বনাশা স্বার্থবুদ্ধি তাদের আত্মকেন্দ্রিক করে নি বলেই রাতারাতি দেশটা গা ঝাড়া দিয়ে উঠে দাঁড়াল। সে কি বিপুল জাগরণ! এক থেকে দুই, দুই থেকে তিন, তিন থেকে চার – শিক্ষা ও জ্ঞান বিস্তারের কাজে পাশাপাশি অগ্রসর হয়ে ছড়িয়ে পড়ল দেশের প্রান্তসীমা পর্যন্ত। এই lateral movement সম্ভব হয়েছিল -যাঁরা এদের নেতৃত্ব করেছিলেন, শিক্ষা দিয়েছিলেন, তাঁদের সত্যনিষ্ঠার জোরে। বাঙালীর মত মিথ্যাচারকেই তাঁরা আঁকড়ে পড়ে থাকেন নি।

বাঙালীও সুযোগ পেয়েছিল। পাশ্চাত্য শিক্ষা ও সভ্যতার সঙ্গে ভারতবর্ষে সর্বপ্রথম তার পরিচয় ; সে যুগের বাঙালীরা এই পরিচয়কে কাজে লাগিয়েছিল, ফলে ভারতবর্ষের অন্যান্য প্রদেশকে পিছনে ফেলে শিক্ষায় ও সংস্কৃতিতে বাঙালী চলেছিল এগিয়ে। এই সাধনার পুরস্কার সে লাভ করেছিল তার শিল্প ও সাহিত্যের ফসলে। কিন্তু জাতিগঠনের কাজ তার একটুও এগোয় নি। কারণ শিল্প ও সাহিত্য ব্যক্তির কাজ, একের কাজ, খোশখেয়ালের খুশিতে নিভৃত রাত্রির অবসরে তার সাধনা। কিন্তু জাতি গড়ার কাজ একলার নয়। এ কাজে মিলতে হবে সকলকে। এই মিলতে বাঙালী পারল না। দল বেঁধে দলাদলি করে গড়ে তোলার সব কিছু সম্ভাবনাকে সে ভেঙে ভেঙে চলেছে। আজ সমস্ত ভারতবর্ষের মধ্য বাংলার এই অবস্থা বেদনাদায়ক হয়ে উঠেছে।….
ধ্বংস করবার কাজে কোন কৃতিত্বের প্রয়োজন নেই, বাঙালী আজ এতেই পটু হয়ে উঠেছে। যুদ্ধ চালাবে অথচ শৃঙ্খলা মানবে না, পৃথিবীতে এমন অদ্ভুত সমরায়োজন কুত্রাপি দেখা যায় নি। বাঙালীর যুদ্ধ বাইরের কোন শত্রুর সঙ্গে নয়, পরস্পর নিজের সঙ্গে পরকে উপলক্ষ্য করে ব্যক্তিগত স্বার্থ বজায় রাখবার জন্য এরা অবিরত শান দিচ্ছে ছুরিতে; সে ছুরিও কোন ধাতুর তৈরী নয় –কুৎসা এবং কাদা দিয়ে তৈরী তার অস্ত্র। বড়কে, বৃহৎকে, নমস্যকে, মানব না পরস্পরের কাঁধে চড়ে তার ওপর কাদা ছুড়বে –এই মনোবৃত্তি থেকে কোনও কল্যাণ আসতে পারে না।

আমরা সব রকম চেষ্টা করেই দেখেছি। আমি নিজে হাতে কলমে কাজ করেছি। ভাববিলাসের স্বপ্নভঙ্গের দুঃখ এ নয়…। আমরা আস্ফালন করিনি কাজ করে ছিলাম…পথ খুজে বের করার সে কি ব্যাকুলতা! দেহচর্চার আখড়া হ’ল, দেশীয় শিল্প প্রদর্শনী হ’ল; আগেই বলেছি স্বায়ত্তশাসনের খসড়া পর্যন্ত আমি নিজের হাতে প্রস্তুত করেছিলাম। সেটা যদি পাওয়া যেত তো দেখতে পেতে, আজকের দিনে যে যে বিষয় নিয়ে আমাদের সমস্যা জাগছে, তার প্রত্যেকটির সমাধান-চেষ্টা তার মধ্যে ছিল। নিজেরা পথে পথে বের হয়ে প্রচার করতাম। দেশও আশ্চর্য রকম সাড়া দিয়েছিল….শিল্প সাহিত্য সমাজ রাষ্ট্র–একসঙ্গে চতুর্দিকে আমাদের জয়রথ ছুটিয়েছিলাম।
তারপর, একটা কিছু প্রাপ্তির সম্ভাবনা যেমনই ঘটল, অমনিই শুরু হল স্বার্থের সংঘাত। উচ্চতর আদর্শকে ঠেলে ফেলে মাথা চাড়া দিয়ে উঠল বাঙালীর স্বভাব। অপঘাত ঘটতে বিলম্ব হল না। সে মহৎ আদর্শকে আমরা আর ফিরে পাই নি। স্বার্থের পাঁকেই গড়াগড়ি দিয়ে মাতামাতি করেছি। সমগ্র দেশের সম্মিলিত চেষ্টায় যে কল্যাণ একবার চকিতে দেখা দিয়েছিল, মাটির অন্ধকারে কোথায় যে তা তলিয়ে গেল, তাকে আর খুঁজে পাওয়া গেল না। কোথায় গেল সেই জাতীয় সমবায় ভান্ডার, কোথায় গেল স্বদেশের কল্যাণে উদ্যত সমবেত শক্তি! – সেই প্রচন্ড স্বার্থবুদ্ধির সংঘাতে সে প্রশ্ন তোলবারও অবকাশ রইল না বাঙালীর।

এই আমাদের ললাটলিপি। নইলে সেদিন যে সুযোগ বাঙালী পেয়েছিল, তেমন সুযোগ জাতির জীবনে ক্বচিৎ আসে। না আসুক, কিন্তু সেদিনের শিক্ষা কি আমাদের জীবনে কোনও কাজে লেগেছে? যে খোকামি প্রশ্রয় পেয়ে আজ বাংলা দেশের কপিধ্বজ রথের চূড়ায় চড়ে বসেছে, সেই খোকামির স্বরূপ চেনবার শক্তি বাঙালীর এতদিন অর্জন করা উচিত ছিল। দুঃখের বিষয় তা হয় নি। বাঙলা দেশের আধুনিক পলিটিক্স সেই নিষ্ফলতারই সাক্ষ্য দিচ্ছে।

দেখ, আমার দেহ আজ অপটু, কিন্তু মন ছুটে চলেছে সেই পুরাতন কল্যানের আদর্শ ধরে। ইচ্ছে করছে, আবার সকলের সঙ্গে মিলে কাজে লেগে যাই। তা আর সম্ভব হবে না। এই অক্ষমতার বেদনা নিয়েই আমাকে যেতে হবে। যদি পার আমার সেদিনের সেই বিলুপ্ত ইতিহাস সংগ্রহ করার চেষ্টা কর….

গ্রন্থঋণ :- রবীন্দ্রনাথ :জীবন ও সাহিত্য – সজনীকান্ত দাস।

[লেখকের অন্য রচনা]

Facebook Comments Box

আপনি এই পত্রিকা পড়ছেন জেনে ভাল লাগল।

নতুন লেখা বা ভিডিও সংযোজন, অথবা রবিচক্রের অন্যান্য খবরাখবর সম্পর্কে জানতে, ইমেল নথিভুক্ত করতে পারেন।

We don’t spam! Read our privacy policy for more information.

0
Would love your thoughts, please comment.x
()
x