
দ্রোহের আগুনে পুড়ছিল জীর্ণতা ,
স্থবির আঁধার, স্বপ্ন, পুরাণ কথা,
বিনির্মাণের তীব্র সে ঝঙ্কার
শব্দে পয়ারে বেজেছিল বোধে তাঁর।
ক্রমশ একাকী নিজেরই মুদ্রাদোষে ,
নির্জনতার সেতার রক্তকোষে,
ভাঙনের তীরে দাঁড়িয়ে দেখেছিলেন
স্থির আঁধারের বুকে বনলতা সেন ।
ধানসিড়ি আজও পউষের জ্যোৎস্নায়,
পৃথিবী প্রবীণ মিরুজিন নদীতীরে,
তবুও রক্ত-রণ-উন্মাদনায়
ঘুরে ঘুরে ফেরে আপন নষ্ট নীড়ে।
হাজার বছর জোনাকির মতো জ্বলে,
মহাপৃথিবীর মৃতদের কলরোলে
নিহিত সত্য মৌন অন্ধকার –
তবুও অমৃতসূর্য, জ্যোৎস্না অপার,
আঁধারে আলোর চির-ছন্দস্পন্দ :
দীপ্তশ্লোক যেমন জীবনানন্দ।

Facebook Comments Box


অমৃত প্রমান সমীহ স্মরণে গীত, হে কবি তোমার রচনা প্রশংসিত। যে কবি হেঁটেছে একাকী হাজার বছর -। তাহার ভক্ত অধুনা শ্রদ্ধানত।
অসাধারণ একটা কবিতা পড়লাম
অনবদ্য।
বাঃ ! নির্জনতার কবি মূর্ত হলেন আপনার অনবদ্য রচনায় !