
গান্ধী ও জওহরলাল – বিপরীত মেরুর দুই বাসিন্দার দূরত্ব ও নৈকট্যের অন্বেষণ
“ MY MIND IS MORE IN TUNE WITH TAGORE
THOUGH MY ACTION IS CONDITIONED BY GANDHI.”
JAWAHARLAL NEHRU
২০১১ সালে প্রথম প্রকাশনার পর আমার সংগ্রেহে অতি সম্প্রতি জায়গা করে নিল অর্জুন দেব সম্পাদিত ‘Gandhi-Nehru Correspondence – A Selection’ বইটি । গান্ধী-নেহরুর পাস্পরিক সম্পর্ক এবং চিঠিপত্রের মাধ্যমে তাঁদের মধ্যে মত বিনিময়ের যে ইতিহাস, তা ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে বিভিন্ন গ্রন্থে । তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য ও প্রামাণ্য গ্রন্থগুলি হচ্ছে – Collected works of Mahatma Gandhi, Selected Writings of Jawaharlal Nehru এবং নেহরু সম্পাদিত A Bunch of Old letters । তবে প্রায় ছাব্বিশ বছর ধরে নেহরুকে লেখা গান্ধীজির একত্রিত পঁচাশিটির মতো চিঠি সম্বলিত আলোচ্য গ্রন্থটি হাতের কছে সহজলভ্য হওয়াটা আমাদের খুশির কারণ । ১৯২২ সাল থেকে শুরু হওয়া গান্ধীজির লেখা এই চিঠিগুলি শেষ হয়েছিল তাঁর মৃত্যুর মাত্র বারোদিন আগে । গান্ধীজিকে লেখা নেহরুর চিঠির সংখ্যা দেখছি তুলনায় অনেক কম ।
জওহরলালকে লেখা গান্ধীজির চিঠিগুলিকে দুটি পর্বে ভাগ করা যায় । একটি পর্বে দেখা যাবে সেইগুলি জওহরলালের সঙ্গে তাঁর ব্যক্তিগত সম্পর্কে আলোকিত । অন্য পর্বের চিঠিগুলির প্রেক্ষাপটে আছে রাজনৈতিক প্রসঙ্গ । লক্ষ করার বিষয়, সম্পর্কের সূত্রে শুরু থেকেই গান্ধীজি নিজেকে নেহরু পরিবারের একজন বরিষ্ঠ সদস্য হিসাবে ভেবে নিয়েছিলেন । মতিলাল নেহরুকে জানিয়েও ছিলেন, জওহরলালকে তিনি তাঁর সন্তান হিসাবেই মান্যতা দেন । গান্ধীজি প্রায় সব চিঠিতেই অল্প-বিস্তর ব্যক্তিগত প্রসঙ্গ এনেছেন, বিশেষ করে কমলা নেহেরু ও ইন্দিরা সম্পর্কে । তা ছাড়া নেহরু পরিবারের অনেক কঠিন সমস্যায়, যেমন মতিলালকন্যা কৃষ্ণা ও বিজয়লক্ষ্মীর (সারুপ) বিবাহ, আরও বিশেষ করে ইন্দিরা-ফিরোজের ঘনিষ্ঠতা এবং তাঁদের অসম ধর্মের বিবাহকে (২৬।২।১৯৪২) কেন্দ্র করে তাঁরই দিকে চারিদিক থেকে তুমল বিরোধিতা নিক্ষিপ্ত হয়েছিল । এই প্রসঙ্গে গান্ধীজি মন্তব্য করেছেন (মার্চ,১৯৪২)-‘Not a single correspondent has anything against Feroz Gandhi as a man. His only crime in their estimation is that he happens to be a parsi.’ অবশ্যই গান্ধীজি বিবাহের কারণে ধর্মের পরিবর্তনকে সমর্থন করতেন না । তাঁর মতে ‘Religion is not a garment to be cast off at will.’ কিন্তু ‘IN THE PRESENT CASE THERE IS NO QUESTION OF CHANGE OF RELIGION.’(বড় হরফ আমার) । তা ছাড়াও গান্ধীজির কথায়, ‘ Feroz Gandhi for years an intimate of Nehru family. He nursed Kamala Nehru in her sickness. He was like a son to her. A natural intimacy grew up between them. The friendship has been perfectly honourable. It has ripened into mutual attraction. But neither party would think of marrying without the consent and blessings of Jawaharlal Nehru…. AS TIME ADVANCES SUCH UNIONS ARE BOUND TO MULTIPLY WITH BENEFIT TO SOCIETY.” (বড় হরফ আমার)।

জওহরলালকে নিজের উত্তরসূরী হিসাবে গান্ধীজির সেদিনকার স্পষ্ট ঘোষণা ব্যক্তিগত ও কংগ্রেসের দলীয় সম্পর্কের প্রশ্নে তো ছিলই, বরং তার মধ্যে নিহিত ছিল স্বাধীনতার পরবর্তী ভারতের গঠনতন্ত্রের ভাবনা এবং সেই প্রসঙ্গে প্রধান কাণ্ডারীর ভূমিকাটিরও । একটি চিঠিতে (৫।১২।৪৫) গান্ধীজি জওহরলালকে লিখছেন, “ I want to live to 125 for the service of india but I must admit that I am now an old man. You are much younger in comparison and I HAVE THEREFORE NAMED YOU AS MY HEIR. I must, however, understand my heir and my heir should understand me.” (বড় হরফ আমার) । কিন্তু বিষয়টা কি সত্যি তাই ? স্নেহ-ভালবাসা-শ্রদ্ধা ইত্যাদি মানবিক অনুভূতির আন্তরিক উপস্থিতি সত্ত্বেও গান্ধী-নেহরুর দুই বিপ্রতীপ দার্শনিক প্রজ্ঞার মেলবন্ধন কি সম্ভব ছিল ?
স্বাধীনতা-পূর্ব ভারতীয় রাজনীতিতে কংগ্রেস দলের মধ্যে জওহরলাল একজন বামপন্থী হিসাবেই চিহ্নিত ছিলেন । সোস্যালিজমের প্রতি তাঁর আকর্ষণ ছিল; মার্ক্সবাদের অন্তর্নিহিত একটা বৈজ্ঞানিক সত্যকে তিনি অস্বীকারও করতে পারেননি (দ্রঃ An Autobiography, p-591) । এমন কথাও তিনি স্বীকার করেছেন, “A study of Marx and Lenin produced a political effect in my mind and help me to see history and current affairs in a new light.”(The Discovery of India, P-29)। কিন্তু কার্যক্ষেত্রে আসলে একজন লিবারাল হিউম্যানিস্ট হওয়ার কারণে দক্ষিণপন্থীদের সঙ্গে তাঁকে প্রায়শই আপস করতে হয়েছে । জওহরলালের ভাবনায় এমন দ্বন্দ্ব ও দ্বিচারিতাই ছিল পরবর্তীকালে তাঁর সঙ্গে সুভাষচন্দ্রের দূরত্বের অন্যতম কারণ । রাজনীতিতে ‘Left and Right’ নিয়ে জওহরলালের প্রকৃত identity সম্পর্কে সুভাষচন্দ্রের তীক্ষ্ণ প্রশ্নবাণকে প্রতিহত করতে চেয়ে জওহরলাল লিখলেন (৩।৪।১৯৩৯)– “I suppose I am tempermentally and by training an iindividualist, and intellectually a socialist…”
জওহরলালের কাছে গান্ধীজি ছিলেন ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের প্রাণপুরুষ । কিন্তু তাঁর মহত্ব, মানবিকতা ও নেতৃত্বের প্রতি জওহরলালের অকৃত্রিম শ্রদ্ধা এবং সীমাহীন আনুগত্ব সত্ত্বেও তাঁদের পরস্পরের ভাবনার বৈসাদৃশ্যটি অত্যন্ত গুরুত্বপূ্র্ণ বিষয় ছিল । ‘হরিজন’ পত্রিকার একটি সাক্ষাৎকারে (১৩।২।৩৭) গান্ধীজিকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, “Is there any difference of opinion between you and Jawaharlal in respect of Socialism ?” তাঁর উত্তর ছিল, “There is, but it is a difference in emphasis. He perhaps puts an emphasis on the result, whereas I put on the means.”
শুধু অর্থনীতি, সমাজনীতি এবং ধর্ম সম্পর্কে তাত্ত্বিক দৃষ্টিভঙ্গীর পার্থক্য নয়, আন্দোলনের লক্ষ্য,পন্থা এবং দলীয় শৃঙ্খলা নিয়েও উভয়ের মধ্যে অসন্তোষ লক্ষ করার মতো । ১৯২৭ সালে মাদ্রাজ অধিবেশনে পূর্ণ স্বরাজের প্রশ্নে জওহরলালের ভূমিকারও তীব্র সমালোচনা করলেন গান্ধীজি – “You are going too fast….enforce your own views but do please form a disciplined party.” জওহরলালের অনেকটাই অবিনয়ী উত্তর – “You chastise us like an angry school master.” গান্ধীজিও থেমে থাকলেন না, তাঁর ক্রুদ্ধ মন্তব্য – “I see quite clearly that you must carry on open warfare against me and my views.” তিনি একটি চিঠিতে আরও লিখছেন (১৭।১।১৯২৮) –“THE DIFFERENCE BETWEEN YOU AND ME APPEAR TO ME TO BE SO VAST AND RADICAL THAT THERE SEEMS TO BE NO MEETING GROUND BETWEEN US. I CAN’T CONCEAL FROM YOU MY GRIEF THAT I SHOULD LOSE A COMRADE SO VALIANT, SO FAITHFUL, SO ABLE AND SO HONEST AS YOU HAVE ALWAYS BEEN;…” (বড় হরফ আমার) । উত্তরে জওহরলাল লিখলেন, “There can be no question of our personal relations suffering. But even in the wider sphere I AM NOT YOUR CHILD IN POLITICS, THOUGH PERHAPS A TRUANT AND ERRANT CHILD ?” (বড় হরফ আমার) । চিঠিপত্র ঘাঁটলে এমন বাক্যালাপ অজস্র যা আমাদের বিস্মিত করে ।
গান্ধীজি এবং জওহরলালের চিন্তার বৈপরীত্য নিয়ে বহুর মধ্যে অন্তত দু-তিনটি বিষয়ের উল্লেখ এখানে করা যায় । গ্রামীণ ও জাতীয় অর্থনীতিতে গান্ধীজি জমিদারি ব্যবস্থাকে সমর্থন করায় পরম বিস্ময়ে জওহরলাল তাঁর আত্মজীবনীতে লিখছেন, “How very different was his outlook from mine, I thought again, and I wondered how far I could co-operate with him in future.” । আর একটি বিষয় হচ্ছে, বিহারের ভুমিকম্পের কারণ নিয়ে গান্ধীজির ব্যাখ্যা ছিল, এই ঘটনা মানুষের পাপ ও অস্পৃশ্যতার শাস্তিস্বরূপ । অর্থাৎ এটা ঈশ্বরের বিধান । তা ছাড়াও তাঁর চিন্তায় বিজ্ঞান নয়, পরিবার পরিকল্পনায় ব্রহ্মচর্যই ছিল বিকল্প পন্থা; এবং তিনি এটাও মনে করেন, স্বামী-স্ত্রীর যৌন জীবনকে শুধু সন্তান উৎপাদনের ক্ষেত্রেই সীমাবদ্ধ রাখা একান্ত প্রয়োজন । মনে পড়ে, এই ধরণের অবৈজ্ঞানিক এবং কুংস্কারাচ্ছন্ন ভাবনার বিরুদ্ধে তীব্র বিরোধিতায় অবতীর্ণ হন রবীন্দ্রনাথ । সোচ্চার প্রতিবাদ আসে জওহরলালের তরফেও । এখানে বলতে হয়, জাতীয়তা এবং আন্তর্জাতিকতার প্রেক্ষাপটে জওহরলাল ও রবীন্দ্রনাথের দৃষ্টিভঙ্গীর বেশ সাযুজ্য লক্ষ করার মতো । চিন্তার জগতে রবীন্দ্রনাথ যে তাঁর অনেক কাছের মানুষ এমন কথা জওহরলাল খুব পরিষ্কার করে স্বীকারও করেছেন ।
তা হলে পারস্পরিক ভাবনায় এত দ্বন্দ্ব, এত বাক্যবাণ সত্ত্বেও দুজনের শান্তিপূর্ণ অবস্থান কেনই-বা, কী করেই-বা, তা ভাবনার বিষয় । রাজনীতিতে অনেক মতান্তর সত্ত্বেও তাঁদের মনান্তর ঘটেনি কখনও; গান্ধীজিকে অস্বীকার করা জওহরলালের পক্ষে সম্ভব ছিল না আদৌ । এর কারণ দ্বিবিধ । প্রথম কারণ এই যে, তৎকালীন ভারতীয় রাজনীতিতে এবং স্বাধীনতা সংগ্রামে কংগ্রেসকে নেতৃত্ব দেওয়ার প্রশ্নে গান্ধীজি ছিলেন অবিকল্প ব্যক্তিত্ব । জওহরলাল তো বটেই, এই সত্যকে অস্বীকার করা কারও পক্ষেই সম্ভব ছিল না সেদিন । ‘Unto him a witness’ গ্রন্থে S.A. Ayer-এর সাক্ষ্যে পাচ্ছি – গান্ধীজির অসুস্থতার সংবাদ পেয়ে দেশে স্বাধীনতা সংগ্রামের নেতৃত্বের প্রশ্নে যুদ্ধ চলাকালীন সিঙ্গাপুর থেকে প্রণত সুভাষচন্দ্রের উদ্বিগ্নতার খবর (২৩।৪।১৯৪৫) – “I hope to God that nothing will happen to him … THERE IS NOT ANOTHER MAN IN ALL INDIA TO STEP INTO HIS SHOES AT THIS, THE MOST CRITICAL MOMENT IN INDIA’S HISTORY” (বড় হরফ আমার) । দ্বিতীয়বারের জন্য কংগ্রেসের সভাপতি নির্বাচিত হওয়া সত্ত্বেও নানা বিরোধিতা সম্মুখীন সুভাষচন্দ্রের প্রশ্নবাণে (২৮।৩।১৯৩৯) জর্জরিত জওহরলালকে আত্মরক্ষায় প্রতিপ্রশ্ন (৩।৪।১৯৩৯) তুলতে হল যে, দলে অধিকাংশের সমর্থন সত্ত্বেও গান্ধী-নীতির সঙ্গে বিবাদের সূত্রে কীভাবে দল এবং সংগ্রাম পরিচালনা করা তাঁরপক্ষে(সুভাষচন্দ্রের) সম্ভব ! অর্থাৎ একটু ঘুরিয়ে সুভাষচন্দ্রকে জওহরলাল নিজের মনের যে আসল কথাটা জানালেন তা এই, কংগ্রেস দলের একজন সদস্য হওয়ার বাধ্যবাধকতায় গান্ধীজির বিরোধিতা করে চলা কোনমতেই তাঁর পক্ষে সম্ভব নয় ।
দ্বিতীয় কারণটা অবশ্যই ব্যক্তিগত । পিতৃত্বের অধিকার, মহত্ব বা প্রজ্ঞা কোনো বৌদ্ধিক সন্তানের মননকে সংক্রমিত করার পক্ষে অবশ্যই অনিবার্য নয় । তথাপি, কোনো সন্দেহ নেই, গান্ধী-জওহরলালের ব্যক্তিগত সম্পর্কের প্রশ্নটা পিতা-পুত্র সদৃশ স্নেহ ও শ্রদ্ধায় আলোকিত । তবে কোনো পরিস্থিতিতে ও কোনো সম্পর্কের স্বার্থেই গান্ধীজির অনমনীয় মানসিকতা তাঁর নিজস্ব বিচার থেকে বিচ্যুত হয়ে জওহরলালের সংবেদনশীল হৃদয়-বৃত্তিকে প্রশ্রয় দিতে অপারগ ছিল । তাই তাঁদের মতাদর্শের সংঘাতে, সে যেমনই হোক, নিজের স্ত্রী ও পুত্রদের সঙ্গে তাঁর বিচিত্র সম্পর্ক ও তজ্জাত গৃহীত কঠোর সিদ্ধান্তের কিছু উদাহরণ জওহরলালকে গান্ধীজি স্মরণও করিয়ে দিয়েছিলেন ।
সে যাই হোক, কী রাজনৈতিক ক্ষেত্রে কী ব্যক্তিগত জীবনচর্যায়, গান্ধীজির অনেক খামখেয়ালীপনা, অবিবেচক সিদ্ধান্ত এবং অবৈজ্ঞানিক মনোভাব জওহরলালের অনেক অস্থিরতা ও অস্বস্তির কারণ তো ছিলই । তথাপি এমন অনেক ক্ষেত্রেই তো সংসারের হাল একাই ধরে থাকা কঠোর-কঠিন কখনও-বা অবুঝ পিতার আকস্মিক মৃত্যুতে, যেন মাথার উপর আবৃত ছায়াঘেরা বটবৃক্ষটি উৎপাটিত হয়ে, সন্তানকে তো অনাথ করে দেয়ই । তাই আদর্শের জন্যে বলিপ্রদত্ত গান্ধীজির জীবন সমস্ত ভারতবাসীকে তেমনই অনাথ করে চলে যাওয়ার তীব্র হাহাকারেই জওহরলালের অন্তিম উচ্চারণ – “We mourn for Bapu and feel orphaned.”


অসাধারন প্রতিবেদন, বেদনাবহ আবার আবিস্কারের আনন্দে মহীয়ান। নেহেরু গান্ধীর পরস্পরের প্রতি সম্পর্ক সম্পর্কে সাধারন পাঠকের চিন্তায় আমার ধারনা একরৈখিক ছিল। এবার বুঝলাম তা বহুস্তরীয় এবং কমবেশি ঠোকাঠুকি হত। অবশ্যই এই ধরনের সত্যানুসন্ধান অযাচিত দেবত্ব থেকে মানুষ কে মুক্ত করে। হিমাদ্রী বাবুর জয় যাত্রা অক্ষুণ্ণ থাকুক।
আপনার এই ধরনের বিষয়ের উপরে সব আলোচনা গুলি পড়েই একটা বিষয় উপলব্ধি করতে পারি যে, নিজের চিন্তা ভাবনা ও দর্শনে স্থিত থেকেও এই সব প্রতিভাসম্পন্ন মানুষরা ভিন্ন মতের মানুষদের অনায়াসে ধারণ ও গ্রহণ করতে পারতেন পারস্পরিক শ্রদ্ধা বজায় রেখে।আপনার প্রিয় এই বিষয়গুলি নিয়ে আপনার সারা জীবনের চর্চার ফসল আপনার এই আলোচনাগুলি আমাদের সমৃদ্ধ ও আলোকিত করে।এমন লেখা আরো আরো প্রত্যাশা করি নিরন্তর।