
রাগ কোর না। রাগ করতে নেই,
তারচেয়ে অভিমানে থেকো
কলাপাতার কচি রঙের মতো অভিমান
অনেক বেশী বুক ছুঁয়ে যায়।
রাগে কোথাও পরাজয় মিশে থাকে, অথবা পরাজয় বোধ—
নিজেকে ছিঁড়ে খুঁড়ে রক্তাক্ত করে কী লাভ হয় বলো ?
হিংসা ক্লান্ত করে, শুধুই ক্লান্ত করে।
ভয় পেও না। ভয় পেতে নেই,
ভয় পেলে শামুক তোমার দোসর হয়ে যাবে।
অস্থিহীন অমন আলুথালু মাংসল
তোমাকে ভাবতেও পারিনা আমি।
তারচেয়ে আঘাত কোর — মেরুদন্ডী আঘাত
যেভাবে সমুদ্র ঢেউ আছড়ে পড়ে বোল্ডারের বুকে
তারপর অজস্র বুদ্বুদে
ছড়িয়ে যায় —
ফিরে আসে শান্ত দুলুনি দিয়ে পায়ের পাতায় …
সেই ভাবে বাঁচো
রোদে ও বর্ষায়।
আর যদি সবকিছু ভুলে ভালোবাসো
শুধু ভালোবাসো,
এ পৃথিবীর যতকিছু তামস,যত গ্লানি সব
সবকিছু উত্তুরে হাওয়ার মতো উড়িয়ে নিয়ে যাই
এলোমেলো গৃহস্থালি সযত্নে পরিপাটি করি
তারপর
সারাদিন ধুলোবালি মেখে
তোমার সুবর্ণ জলে হাত ছুঁয়ে হিরন্ময় হই !



” রাগে কোথাও পরাজয় মিশে থাকে,অথবা পরাজয় বোধ — “,খুব সুন্দর লিখেছেন।মনে ভালোবাসা না থাকলে তো বোঝাই যাবে না কোন রাগ অভিমানসঞ্জাত। ভালোবাসাই মনকে ক্ষমাসুন্দর করে শান্ত করতে পারবে।আর ঈর্ষা,হিংসা, বিদ্বেষসঞ্জাত রাগের মোকাবিলায় জিততে গেলে প্রত্যাঘাত থেকে প্রতিরোধ মনেহয় কার্যকরী হয় বেশি।খুব ভাল লাগলো বিষয়টি।
খুব ভালো বলেছেন।অনেক ধন্যবাদ ।
এই অস্থির সময়ের আর্তি -‘ রাগ করতে নেই, তারচেয়ে অভিমানে থেকো ‘ খুব শান্তি দিল। অসার আবেগে নিজেকে শেষ করার থেকে বরং কিছুটা অভিমান থাকুক। রাগ ক্ষয় করে, অভিমান শুদ্ধ করে। আর যদি ভালোবাসা যায় তবে আবার ধুলবালি মেখে গৃহস্থালি গুছিয়ে নিতে অসুবিধে তো নেই। এই রকম কবিতা পাঠ করলে মনে পড়ে ‘ … শুশ্রূষার মত শত শত শত জল ঝরণার ধ্বনি ‘ । কবির কলমে ঝর্ণা থাকুক।
অনেক ধন্যবাদ ।নমস্কার জানবেন।
কী সুন্দর লেখা, অপূর্ব