শিল্প, সাহিত্য, সংস্কৃতির আলোচনা ও চর্চা

।। ১ ।।

অবশেষে এল ফিরে করে সেই প্রতীক্ষার দিন। প্রতিদিনের ব্যস্ততা, জীবন দৌড়, ছোটা ছুটির পরে একটু জিরোনোর পালা। চায়ের কাপ হাতে, তিন-চারটে খবরের কাগজ উল্টোতে উল্টোতে, ছিটেফোঁটা নরম সূর্যের আলো গায়ে মাখতে মাখতে রবিবারের সকাল আলসেমিতে ভরিয়ে দেয়ার খেলা। সারা সপ্তাহ মুখ বুজে টিকে থাকার চেষ্টা করে জয়ন্ত কখন এই দিনটা আসবে সেই অপেক্ষায়। ইদানীং সপ্তাহের বাজার সেরে রাখে শনিবার অফিস ফেরার পথে।

এই নিয়ে স্ত্রী বিদিশার সঙ্গে একটা অলিখিত চুক্তি করেও রেখেছে সে, রবিবার কোন মতে বাড়ি র বাইরে পা ফেলবে না সে। দিনের বেলা গাদাগুচ্ছের খবরের কাগজ পড়ে কাটায়, অনলাইনের যুগেও হাতে করে ছাপার হরফ বুলিয়ে সময় কাটাতে পছন্দ করে। বিশেষত এই দিনটা অনেক পত্রিকা গল্প কবিতা যত্ন করে প্রকাশ করে, সেগুলো তারিয়ে তারিয়ে পড়ে ফেলে জয়ন্ত। বিদিশার অত ধৈর্য নেই, তাই পড়া হয়ে গেলে তাকে সার-সংক্ষেপ শোনায় জয়ন্ত যে লেখাগুলো ভালো লেগেছে | আজও সেরকম একটা লেখা সে বেশ খুঁটিয়ে পড়ছিল, পৌরাণিক চরিত্র-ভিত্তিক মনস্তাত্ত্বিক গল্প, পাশের ঘর থেকে ভেসে এল কথা এইসময় -“শুনছ, তোমার মেয়ে কি বায়না করছে।“ বেশ একটা মন দেওয়া-নেওয়ার ব্যাপার চলছিল, তার মাঝে ছেদ পড়ল। জয়ন্ত কিছুক্ষণ ফ্যালফ্যাল করে তাকাল, পরের কয়েকটা লাইন পড়েও মনে রাখতে পারল না, মাঝে এল দ্বিতীয় ‘ওয়ার্নিং’, “কি হল, শুনতে পাচ্ছ না।” তড়াক করে লাফিয়ে পাশের শোবার ঘরে চলে এল জয়ন্ত। খাটের দুই প্রান্তে দুজন যুযুধান প্রতিদ্বন্দ্বী বসে আছে, মা-মেয়ে। জয়ন্তর ডাক পড়েছে রেফারীর ভূমিকায়।

“কি হয়েছে”, ছোট কথায় জানতে চায় জয়ন্ত।
“তোমার মেয়েকে জিজ্ঞেস কর”, ঝাঁঝালো প্রশ্ন প্রথম প্রতিদ্বন্দ্বী বিদিশার।
“কি হয়েছে”, একই কথা অন্যদিকে মুখ ফিরিয়ে বলে জয়ন্ত।
-“বলছি”, রেফারীর নজর আকর্ষণ করে একটু তৈরি হয়ে নিল দ্বিতীয় প্রতিদ্বন্দ্বী ক্লাস ফাইভে পড়া জয়ন্ত-বিদিশার একমাত্র মেয়ে দিয়া।
“আমাদের স্কুলে যে গ্রুপ-ডান্স প্রোগ্রামে আমি চান্স পেয়েছি, তার জন্য একটা পিঙ্ক ফ্রক লাগবে” – বেশ উৎসাহ নিয়ে বলে দিয়া।
জয়ন্ত বুঝে উঠতে পারল না সমস্যা, তাই চুপ করে থাকল।
-“কিছু বুঝতে পারলে?” – বিদিশার সুর আবার সপ্তমে।
-“একটা পিঙ্ক ফ্রক কিনে দিতে হবে” – জয়ন্ত ম্যানেজ করার চেষ্টা করল, “কিনে দাও।”
-“আগের দিন যখন পুজোর কেনাকেটা করলাম, ওকে সঙ্গে নিয়েই সব কিনলাম। সেদিন তো অন্য কালার নিজেই পছন্দ করল, আজ আবার ওর নতুন খিদমত খাটতে বায়না, কতবার ঘরদোর ফেলে বেরোব বলোতো”, এবার রেফারীকে ম্যানেজ করার চেষ্টা বিদিশার।
-“বা-রে, তখন আমি কি জানতাম মোহর পিঙ্ক ফ্রক কিনেছে পারফর্ম করবে বলে”, ধারালো যুক্তি দেয় দিয়া।” মোহর আমার বেস্ট-ফ্রেন্ড, ‘সো’ আমরা ম্যাচিং ম্যাচিং পরব ঠিক করেছি”, যুক্তির পর যুক্তি সাজায় দশ বছরের একরত্তি মেয়ে।
“এক কাজ কর”, পরামর্শ দেয় জয়ন্ত, “অনলাইনে পছন্দ করে কিনে দাও”|
-“খুঁজেছি, ওখানে সেই ডিজাইন নেই, স্টোরেই পাওয়া যায়।” বিদিশার ব্যাখ্যা শুনে এতক্ষণে মূল সমস্যা বুঝতে পারে জয়ন্ত। তার মানে ভিড় ঠেলে আবার বেরোনো। এই গত সপ্তাহেই পুরো একটা রবিবার ব্যয় করেছে তারা পুজোর কেনাকাটা সম্পূর্ণ করতে। নিজেদের, বাবা-মায়ের, আত্মীয়দের। দোকানে দোকানে ভিড়, ভাবলেই গায়ে জ্বর আসে। কষ্ট করে একদিনেই সব কিনতে হয়েছে, তখন কি জানত সেই পরিস্থিতি আবার আসবে! আরও একটা রবিবার বিসর্জন দিতে হবে বোধনের আগেই!

শেষ চেষ্টা করে জয়ন্ত, “তুমি প্লিজ ওকে নিয়ে সেরে এসো, জানোই তো, এই একটাই ছুটির দিন আমার।” বিদিশা চুপ থাকে, ওর সরকারী কলেজের চাকরী, সপ্তাহে দুদিন ছুটি, তাই বোঝে জয়ন্তর মনের ভাব। কিন্তু সবে রান্নার প্রস্তুতি শুরু করেছে, কি করে বেরবে তাই পরামর্শ নিতে জয়ন্তকে ডাকা।
-“তোমরা ম্যাগি খেয়ে বেরিয়ে পড়ো, দুপুরের রান্না আমি সামলে নেব” – সহজ সমাধান দেয় জয়ন্ত, মেনে নেয় বিদিশা। একটা ঝামেলা থেকে অন্তত মুক্তি মেলায় খুশীতে মেতে ওঠে সে। ওদিকে অনেক চেষ্টায় রবিবারের আলসেমি সামলে উঠতে পেরে গুনগুনিয়ে উঠে পাশের ঘরে যায় জয়ন্ত, পৌরাণিক গল্পের মন দেওয়া-নেওয়ার সূত্র খুঁজে বার করে। দুপুরের রান্না চড়ানোর আগে অগাধ সময় তার আগে ‘রবিবাসরীয়’ গুলো পড়ে রাখতে হবে। এরকম একটা ‘উইন-উইন’ পরিস্থিতির জন্ম হওয়ায় বাড়ীর পরিবেশ হাল্কা হয়ে ওঠে, দিয়া চট করে মায়ের সঙ্গে বেরোবে বলে তৈরি হয়ে নেয়।

।। ২ ।।

অটো স্ট্যান্ডের লম্বা লাইন দেখে পরিস্থিতি আঁচ করেছিল বিদিশা, ভিড় কেমন হতে পারে। গড়িয়াহাটে পৌঁছে বুঝল জনসমুদ্র কাকে বলে। পুজোর আর কয়েক সপ্তাহ বাকি, কাতারে কাতারে লোক বেরিয়ে পড়েছে নতুন জামা কিনতে। রাস্তার জনসংখ্যা দেখে বলে দিতে হবে না যে, বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব দোরগোড়ায়। বেচারা দিয়া বুঝতে পারে নি যে এত হুড়োহুড়ি হবে। মহালয়ার আগে প্রতি বছর ওর স্কুলে বড় ফাংশান হয়, প্রথমবার সুযোগ পেয়েছে দিয়া পারফর্ম করবে বলে তাই নিয়ে উত্তেজিত ক‘দিন ধরে। কিন্তু তার জন্য নতুন জামা কিনতে এসে যে এত ভোগান্তি হবে, ওইটুকু মনে বুঝে উঠতে পারেনি। প্রাণপনে মায়ের হাত ধরে আছে যাতে ছাড়িয়ে না যায়। দেখে মায়া লাগল বিদিশার। মেয়ের মাথায় হাত বুলোতে বুলোতে বলে, “চিন্তা করিস না, ভিড় সামলে ঠিক কিনে দেব তোর ফ্রক”।

প্রথমে পরিচিত কয়েকটা শপিং মলে খোঁজ করল মা-মেয়ে, পছন্দের ডিজাইন কোনটায় মিলল, কিন্তু সাইজ মিলল না। পরেরগুলোয় সাইজ মিলে গেল কিন্তু ডিজাইন পছন্দ হল না মেয়ের। মায়ের মোবাইলে বন্ধু মোহরের ফ্রকের ছবি সঙ্গে করে এনেছে দিয়া, ভিড় সামলে মলের কর্মচারী অনেক ডিজাইন বার করল, কিন্তু মোবাইলের ছবির সঙ্গে মেলানো গেল না। বাধ্য হয়ে পরের দোকানে খোঁজ করতে বেরোল তারা।
ফুটপাতের ভিড় সামলে এগোতে থাকে, একটা ভিখারী ধরনের মেয়ে জামা টানল বিদিশার, “দিদি নাও না, নাও না”, বলে একটা ধূপকাঠি এগিয়ে দিল। অন্য সময় হলে বিদিশা কিনে নেয় এক-দু’প্যাকেট ধূপকাঠি, মায়া লাগে ছোট ছোট ফুটপাথের ছেলে-মেয়ে এইভাবে শৈশব বিসর্জন দিয়ে যখন বেরোয় পেট চালাবে বলে। কিন্তু আজ দম মেলার সুযোগ নেই, একঘন্টার ওপর হয়ে গেছে তাও মেয়ের জামা কেনা হল না। ওদিকে বাড়ীতে রান্না ফেলে এসেছে, কে জানে জয়ন্ত কতটা পেরে উঠবে, উৎকণ্ঠা বাড়ছিল বিদিশার। ভিখারী মেয়েটাকে উপেক্ষা করে ফুটপাতে বদল করল, ওদিকে দিয়া পেছন ফিরে দেখতে লাগল মেয়েটাকে।
“মা”, যেতে যেতে বিদিশাকে বলল দিয়া।
-“কি হয়েছে, দাঁতে দাঁতে চেপে উত্তর দিল বিদিশা।
“ধূপকাঠি কিনলে না?” পরের প্রশ্ন দিয়ার।
-“দুষ্টু মেয়ে, একে তো এই ভিড রাস্তায় বার করেছিস, আবার ধূপকাঠি না কেনার কৈফিয়ৎ চাইছিস” মায়ের গলায় বিরক্তি। কনভেন্টে পড়া দিয়া ‘কৈফিয়ৎ’ মানে বুঝল কিনা কে জানে, কিন্তু মাকে বলে চলল “দাও না মা, দেখ কেমন চেয়ে আছে”, দিয়ার কথা শেষ হওয়ার আগে পরের দোকানে ঢুকে পড়ল বিদিশা মেয়েকে টেনে।

।। ৩ ।।

ম্যাগি খেয়ে, রবিবারের সাহিত্যপাঠ যথাসময়ে সম্পূর্ণ করে রান্নাঘরে এল জয়ন্ত। সকালবেলায় দেখে নিয়েছিল জয়ন্ত চিকেন বার করেছে বিদিশা। তাই সাহস করে বলতে পারল, “দুপুরের রান্না আমি সামলে নেব”।
হাতে অনেক সময় তাই নেটে সার্চ করে ঠিক করল কোন্‌ রেসিপি বানানো যায়।
কাজের মাসীকে দিয়ে কেটে-কুটে রাখল পেঁয়াজ-টমাটো-আদা-রসুন। চিকেনটাকে ভালো করে ম্যারিনেট দিয়ে মাখল। ধীরে ধীরে রান্নার অগ্রগতি হতে থাকল- মশলা মাখানো, তেলে ভাজা, চিকেন কষানো, আলু যোগ করা, জল শুকিয়ে আসার পর ঘি মেশানো, একটু ঝোল-ঝোল রেখে নুন-মশলা দেখে নেওয়া। মোটামুটি রান্না যখন এগিয়েছে মোবাইল বার করে দেখল কোন মেসেজ এল কিনা বিদিশার। না নেই। তার মানে এখনও কেনা হয়নি, বিদিশার যা স্বভাব কোন কাজ হয়ে গেলেই জানিয়ে দেয় নিজে থেকে। বুঝল জয়ন্ত আজ দেরি হতে পারে পুজোর আগে আর কটা রবিবার মাত্র বাকি। একটু খারাপ লাগল এতক্ষণে, মনে হল ও নিজেও সঙ্গে গেলে ভালো হত। কে জানে ভিড় রাস্তায়, মা-মেয়ে কোন সমস্যায় পড়ল কিনা! ফোন করল একবার বিদিশার নম্বরে উত্তর এলনা। যাকগে বেশি চিন্তা করে লাভ নেই, কাজ হয়ে গেলে নিশ্চয়ই জানাবে। জয়ন্ত রান্নায় মন দিল, শেষবারের মতন নুন ঝাল দেখে নিল, দিয়া বেশি ঝাল খেতে পারে না, তাই ঝাল কম কম রাখল। রান্না শেষের পথে, সেই সময় বিদিশার মেসেজ এল, “আমরা ফিরছি”।

।। 8 ।।

স্নান সেরে তৈরি হয়ে নিল জয়ন্ত। অনেকদিন পরে হলেও মাংস রান্না ভোলেনি ভেবে ভাল লাগল। মা-মেয়ের জন্য দইয়ের ঘোল বানাল।
দরজায় বেল বাজলে ছুটে গেল জয়ন্ত, দেখল ক্লান্ত-বিধ্বস্ত হয়ে ফিরেছে তারা।
-” তাড়াতাড়ি মুখ-হাত ধুইয়ে নাও, দইয়ের ঘোল করেছি”, জয়ন্ত জানাল।
চোঁ-চোঁ করে নিমেষে খেয়ে নিল মা-মেয়ে, শরতের দুপুর, বাইরে ভালই গরম, বুঝল জয়ন্ত। আর একটু ঠান্ডা জল দিয়ে খাবার বাড়তে গেল।
আজ অনেকদিন পরে রান্না করেছে জয়ন্ত – পরোটা, মাংস, রায়তা। কিন্তু কোন কারণে বিদিশা আর দিয়া কোন কথা বলছে না, বুঝল জয়ন্ত।
“কি হয়েছে তোমাদের”- জয়ন্ত জিজ্ঞেস করল দুজনকেই, কেউ উত্তর দিল না।
-“মেয়ের ফ্রক পেয়েছ তো?” – এবার বিদিশাকে প্রশ্ন করুল জয়ন্ত।

ধীরে ধীরে সব উত্তর দিল বিদিশা। আজ অনেক ভিড় ছিল, খোঁজাখুঁজি করতে অনেক সময় লেগেছে মেয়ের ফ্রকের জন্য। তার মধ্যে পছন্দসই ডিজাইন কিছুতেই পাওয়া যাচ্ছিল না। অনেক কষ্টে একটা বহুদিনের পুরোনো দোকানে পাওয়া গেল বন্ধু মোহরের মতন একই ডিজাইনের পিঙ্ক রঙের ফ্রক।

মেয়ে খুব খুশি খুশি হয়ে যখন বেরোল দোকান থেকে, বাইরে তখনও দাঁড়িয়ে সেই ভিখিরি মেয়ে। অন্যদিনের মতন বিদিশা দেরী হয়ে গেছে বলে আজ কিছু কেনেনি ওর কাছ থেকে, তাড়াতাড়ি করছিল অটো ধরবে বলে। অটোয় উঠে দেখে মেয়ের হাতে নতুন প্যাকেট নেই, জানতে চাওয়াতে বলল, ওটা ভিখিরি মেয়েটাকে দিয়ে এসেছে সে।
পুরো ঘটনাটা শুনে অবাক হয়ে গেল জয়ন্ত, কিছুক্ষণ সময় লাগল সম্বিত ফিরতে, তার পর বলল “তোর জন্য মা কাজ ফেলে এত কষ্ট করে বেরল আর নতুন জামাটা তুই দিয়ে চলে এলি”!
“কি করব, মা রোজ বেরোলে ওদের থেকে ধূপকাঠি কেনে, বলে ওরা খুব গরীব, স্কুলে যেতে পারে না। আমার খুব ইচ্ছে হয়েছিল ওর থেকে ধূপকাঠি কিনতে, আজ মা কেনেনি, আমার তো টাকা নেই, তাই ফ্রকটাই দিয়ে দিলাম” – দিয়া জানাল।

-“তোমরাই তো বলো যে আমাদের কম হলেও চলবে, কাজের মাসী, ভিখিরি এদের আগে দেখা উচিত”, দিয়ার ক্রমশ বলে চলা কথায় বাবা-মা দুজনেই বুঝল মেয়ে শুধু বয়সে নয়, ভাবনাতেও বড় হচ্ছে।

– “তোর গ্রুপ ড্যান্সের কি হবে, মোহরের সঙ্গে ম্যাচিং ড্রেস”, বাস্তবে ফিরে আসে জয়ন্ত।
“তাও বলেছে”, মেয়ের হয়ে বিদিশার উত্তর “ওর গতবারের জন্মদিনে পাওয়া পিঙ্ক ফ্রক আছে একটা, একটু টাইট কিন্তু সেলাই খুলে পড়া যাবে”। পুরো ব্যাখ্যাটা বুঝিয়ে দেয় মেয়ের হয়ে মা।
“আরিব্বাস, মাংসটা দারুণ হয়েছে বাবা, একদম ঝাল নেই”, মেয়ের কথায় চমকে উঠে হো-হো করে হেসে ওঠে বাবা-মা দুজনেই।

[লেখকের পূর্ব রচনা]

Facebook Comments Box

আপনি এই পত্রিকা পড়ছেন জেনে ভাল লাগল।

নতুন লেখা বা ভিডিও সংযোজন, অথবা রবিচক্রের অন্যান্য খবরাখবর সম্পর্কে জানতে, ইমেল নথিভুক্ত করতে পারেন।

We don’t spam! Read our privacy policy for more information.


0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
0 Comments
Oldest
Newest Most Voted
0
Would love your thoughts, please comment.x
()
x