শিল্প, সাহিত্য, সংস্কৃতির আলোচনা ও চর্চা

সুইজারল্যান্ডের পাহাড়ি গ্রাম ভেংগেন (Wengen)

সময়টা ছিল ২০২২ সালের জুলাই মাস। সুইজারল্যান্ডের জুরিখ শহরে আমার মেয়ে-জামাইয়ের বাড়িতে ছুটি কাটাতে গিয়েছিলাম। এই সময়টা এখানের summer কিংবা spring বলা যায়। আমাদের ভারতে যখন গ্রীষ্মের দাবদাহ, তখন এখানে রোদ একটু তীব্র হলেও এই সময়টাই বেড়াবার সময়।

ভেংগেন (Wengen) এখানকার অপূর্ব সুন্দর ছবির মতো একটি পাহাড়ি গ্রাম। Eiger station থেকে টানেলের ভিতর দিয়ে ট্রেনে চড়ে আমরা এর আগে পৌঁছেছিলাম ইউরোপের সবচেয়ে উঁচু রেলওয়ে স্টেশন Jungfraujoch। সেখান থেকে আমরা দেখলাম আল্পস পর্বতমালার একটি প্রধান পর্বত বিশেষ Jungfrau.

Jungfrau Railway Station


Jungfraujoch থেকে ট্রেন ধরে এবার আমরা ভেংগেন (Wengen)-এর দিকে রওনা হব। ভেংগেন Bernese Oberland অঞ্চলে অবস্থিত সুইজারল্যান্ডের একটি আল্পাইন গ্রাম। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ১২৭৪ মিটার উচ্চতায় একটি রৌদ্রোজ্জ্বল মালভূমিতে অবস্থিত এই গ্রামটি পর্যটকদের কাছে অত্যন্ত প্রিয়। সেখানে আমরা এক রাত্রি থাকব এবং পরের দিন জুরিখ ফেরার প্ল্যান।

আবার টানেল পার হয়ে আমরা Eiger Station পৌঁছালাম। এবার অন্য ট্রেন ধরব।
পরের ট্রেনে যথারীতি পর্যটকদের ভিড়। তবে বসার সিট পেয়েছি এবং খুব আরামেই এসেছি। এখানে একটা ব্যাপার লক্ষ্য করলাম। কোনো বৃদ্ধ-বৃদ্ধা ট্রেনে উঠলেই সিটে বসে থাকা কমবয়সী যাত্রীরা সঙ্গে সঙ্গে উঠে দাঁড়াচ্ছে, ঠিক যেমন স্কুলে শিক্ষক ঢুকলে ছাত্র-ছাত্রীরা বেঞ্চ ছেড়ে উঠে দাঁড়ায়। এবং ব্যাপারটা ঘটছে খুব নিঃশব্দে। দেখে ভালো লাগল।

সুইস গরুরা চরে বেড়াচ্ছে


ট্রেনের জানালা দিয়ে বাইরের অপূর্ব দৃশ্য দেখতে দেখতে এগোচ্ছি। দু-একটি সুইস গরু আপনমনে চরে বেড়াচ্ছে। দোকান- পাট, মেলার মত মানুষের জমায়েত ইত্যাদি দেখতে দেখতে ট্রেন এসে থামল Kleine Scheidegg স্টেশনে। এই স্টেশনে নেমে আবার পরের ট্রেন। পেটে তখন প্রচন্ড খিদে। স্টেশন চত্বরের পাশেই রেস্তোরাঁ। রেস্তোরাঁর সামনেই ছাতার নিচে বসলাম। মেয়ে- জামাই দুজনে ভেতরে ঢুকল খাবার আনতে। এখানে কোনো ওয়েটার নেই। সেল্ফ সার্ভিস। খাবার মোটেও স্বাদু নয়। ব্রেড এবং স্যুপ। ভালোভাবে খাওয়া হল না। অতএব পেটে খিদে থেকেই গেল।

ট্রেন আসবে আরও আধ ঘন্টা পরে। আমরা সামনেই হাঁটাহাঁটি শুরু করলাম। আমাদের চোখের সামনেই দাঁড়িয়ে আছে আল্পস পর্বতমালা। অপূর্ব কারুকাজ তার শরীরে। বরফের আচ্ছাদন কোথাও পুরু, কোথাও পাতলা, কোথাও পাথুরে শরীর উঁকি মারছে। রাজাধিরাজের মত আল্পস দাঁড়িয়ে আছে। তার মাথার উপরে আবহমানকালের আকাশ। সামনে রেললাইন এঁকেবেঁকে চলেছে আপনমনে। লাল ও হলুদ রঙের একটি দুটি ট্রেন যাতায়াত করছে। অদূরেই একটি বাড়ি, বাড়ির সামনে ব্রিজ।

আমাদের গন্তব্যের ট্রেন এসে গেল। এই ট্রেনে একেবারেই ভিড় নেই। সুতরাং অন্য কোনোদিকে মন না দিয়ে জানালা দিয়ে প্রকৃতির শোভা দেখতে দেখতেই যাওয়া। দূরে পাইন, ফার, ওক ও লার্চ গাছের ছড়াছড়ি। কিছু জংলী ফুল ফুটে আছে ছড়ানো নাম না জানা গাছে। একটা জায়গায় দেখি প্রচুর গাছ কাটা হয়েছে। কাটা গাছের গুঁড়ির অবশিষ্টাংশ অসহায় অবস্থায় পড়ে আছে। দেখে খুব মনখারাপ হল। ভাবলাম, কে জানে হয়তো জ্বালানি কাঠের জন্য এইসব গাছ কেটে ফেলা হয়েছে কিংবা অন্য কোনো কারণেও হতে পারে।

গাছপালা ও আল্পস এবার লুকোচুরি খেলছে। গাছপালার ফাঁকে ফাঁকে আল্পস তার বিচিত্র রূপ দেখাতে দেখাতেই চলেছে। এইসব দৃশ্য দেখতে দেখতে কি পেটের খিদে মরেই গেল? শান্তি পেলাম এই ভেবে যে, আমাদের জন্য এক পাহাড়ি গ্রামের একটি রেস্টহাউজ অপেক্ষা করছে বিশ্রাম ও খাবারের ব্যবস্থা নিয়ে।

Wengen এ যখন পৌঁছালাম, তখন খুব ক্লান্ত লাগছিল। আনন্দের সঙ্গে সঙ্গে পথশ্রমের একটা ক্লান্তি তো থাকেই। উঁচু নিচু পাহাড়ি রাস্তা পেরিয়ে কিছুদূর আসার পর দেখতে পেলাম পাথুরে সিঁড়ি। মেয়ে বলল, সিঁড়ি চড়তে হবে। সিঁড়ির দু-ধারে বাঁশের রেলিং এবং গাছের সমাহার। ধীরে ধীরে উঠলাম। আমাদের বিশ্রামাগারটি ঠিক রেস্টহাউজ নয়, হোটেল।

হোটেলে যাবার সিঁড়ি ও ভেংগেন গ্রাম


রিসেপশন কাউন্টারে এক সুন্দরী মহিলা। যে মেঝে পরিষ্কার করছে, সেও এক মহিলা। যতক্ষণ জামাই সব ফর্মালিটি পালন করছিল, আমরা মা ও মেয়ে বসলাম চেয়ারে। পাশেই চা ও কফির সুন্দর ব্যবস্থা। এক কাপ চা পান করে নিমেষে সব ক্লান্তি দূর হয়ে গেল। একপাশে দেখি ছোট্ট একটি লাইব্রেরি। টুক করে ঘুরে এলাম। বইপত্র নাড়াচাড়া করলাম। লাইব্রেরির পাশে একটি প্লে-রুম। নানারকমের খেলার ব্যবস্থা রয়েছে।

হোটেলের লাইব্রেরি


আমাদের হোটেল-ঘরটিতে যখন ঢুকলাম, ব্যালকনিতে রোদ ঝলমল করছে। সামনেই আল্পস পর্বতমালা। বিচিত্র তার রূপ। একই অঙ্গে নানা রঙ। পাহাড়ের মাথায় যেখানে রোদ পড়েছে, মনে হচ্ছে আল্পস যেন ঝলমলে মুকুট পরে আছে। যেখানে রোদ পড়েনি সেখানে নীল ও সবুজের ছায়া। পাহাড়ের গায়ে সবুজ গাছ- গাছালি, পাহাড়ের কোলে পাইন গাছ সার দিয়ে দাঁড়িয়ে, তারই মাঝে ছবির মত সব ঘরবাড়ি। পাহাড়ি গ্রাম দূর থেকে দেখেছি, কিন্তু এত কাছ থেকে দেখিনি। মনমাতানো সব ঘর-বাড়ি। নানারকমের কারুকাজ ও ফুল দিয়ে সাজানো। খুবই সুরুচিসম্পন্ন এখানকার মানুষজন।

হোটেলের ব্যালকনি থেকে আল্পস এবং ভেংগেন গ্রাম


কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিয়ে অল্প দূরেই একটি রেস্তোরাঁয় ইন্ডিয়ান খাবার রয়েছে দেখলাম। খুব তৃপ্তিসহকারে মনমত খাবার খেয়ে ফিরে এলাম হোটেলে।

এবার একটা লম্বা ঘুম দেয়া যাবে।

Wengen থেকে Grindelwald

পরের দিন সকালে হোটেলেই ব্রেকফাস্ট করে স্নানপর্ব সেরে তৈরি হয়ে আমরা হোটেল ছাড়লাম। মেয়ে ও জামাই আমাকে নিয়ে চিন্তায় ছিল, আমি হাঁটতে পারব কিনা। কারণ ওদের প্ল্যান ছিল Grindelwald থেকে Hike করে প্রায় পাঁচ কিলোমিটার রাস্তা অতিক্রম করে Kleine Scheidegg পর্যন্ত যাওয়া এবং তারপর ট্রেন ধরে জুরিখ ফিরে যাওয়া। ওরা ধরেই নিল অতটা আমি হাঁটতে পারব না, এবং আমিও সংশয়ে ছিলাম এই ব্যাপারে। অতএব ঠিক হল আমরা গন্ডোলা চড়ে সামনের পাহাড়ে যাব এবং তারপর সিদ্ধান্ত নেব। সামনের পাহাড়টি আল্পস পর্বতমালারই একটি অংশ Eiger.

গন্ডোলায় চড়ার টিকিট কাটার সময় কথা হল মেয়ে ও জামাই গন্ডোলার ভিতরে বসে নয়, ওপরে খোলা ব্যালকনিতে দাঁড়িয়ে যাবে এবং আমি যাব ভিতরে বসে। আমি আপত্তি জানিয়ে বললাম, না, আমিও গন্ডোলার ব্যালকনিতে দাঁড়িয়েই যাব। অগত্যা তাই ঠিক হল। ব্যালকনিতে আমরা তিনজনই শুধু। বাকি যাত্রীরা গন্ডোলার ভিতরে বসে। ছোট্ট কয়েকটি সিঁড়ি চড়ে আমরা ব্যালকনিতে উঠলাম। মেয়ে বলল, মা, শক্ত করে রেলিং ধরো। আমি রেলিং ধরে সাহসে ভর করে ব্যালকনিতে দাঁড়ালাম। মাথার উপর উন্মুক্ত আকাশ, সামনে Eiger পাহাড়, ঘর-বাড়ি, পাইন গাছের ঘনায়মান জঙ্গল অতিক্রম করে অকৃপণ প্রকৃতির রূপ ও রস আস্বাদন করতে করতে আমাদের গন্ডোলা এগিয়ে চলল। এ এক রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতা।
গন্ডোলা এবার আমাদের নামিয়ে দিল Grindelwald গ্রামে। এটিও সুইজারল্যান্ডের একটি আল্পাইন গ্রাম। এখানে শীতকালে স্কিয়িং করা হয় এবং গরমকালে হাইক। দেখলাম যাত্রীরা ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে সামনের প্রশস্ত জায়গায়। বাচ্চাদের খেলার নানা উপকরণ। সকলে নিজেদের বাচ্চা নিয়ে পরিবারসহ নানারকম খেলাধূলায় মেতে উঠেছে। একটি জায়গায় অর্কেস্ট্রা বাজছে আর তার তালে তালে সকলে নাচছে। আমার সামনে এই আনন্দময় পৃথিবী দেখে আমার মনটাও নেচে উঠল। মেয়ে আমাকে বলল, হাইক করবে? নিচে নামতে হবে। আমি ভেবেছিলাম উপরে চড়তে হবে। নিচে নামার কথা শুনে আমার মন সায় দিল। আর মন যদি একবার সায় দেয়, তাহলে শরীর আর তেমন বেগড়বাই করতে পারে না। অতএব অগ্রপশ্চাৎ না ভেবে আমি বললাম, পারব। আসলে বহুদিন ধরে মনে সাধ ছিল কোনো গ্রামের পথে নদী, গাছপালা, বিস্তীর্ণ ক্ষেতের পাশ দিয়ে হেঁটে যাই। আমাদের দেশে কত গ্রাম-গঞ্জ ঘুরেছি, কিন্তু হাঁটা হয়নি। গাড়ি চেপে ঘুরেছি, কারণ প্রথমেই ধরে নিয়েছিলাম বেশি দূর হাঁটতে পারব না এবং আমার ভ্রমণসঙ্গীটিরও হাঁটা বিশেষ পছন্দের ছিল না।

পর্যটকরা হাঁটার পথে

Grindelwald থেকে Kleine Scheidegg পায়ে হেঁটে (Hike)

“গ্রাম ছাড়া ওই রাঙা মাটির পথ
আমার মন ভুলায় রে”

এই গ্রামে রাঙা মাটির পথ নেই, আছে পাথুরে পথ। সেই পথই মন ভুলালো। এই পথ পাথরের ছোট ছোট টুকরো দিয়ে তৈরি। খুব সাবধানে হাঁটতে হয়। আমরা হাঁটা শুরু করলাম। মেয়ে সামনে আমি মাঝখানে ও জামাই আমার পিছনে, এইভাবে হাঁটছিলাম। ওদের দুজনের কেবলই ভয় আমি যদি পড়ে যাই।

রোদ নেই। ঠান্ডা বাতাস। পথ হাঁটার জন্য অনুকূল। আল্পস পর্বতমালাকে সামনে রেখে পাথুরে সরু রাস্তা দিয়ে আমরা হাঁটছি। এখানে পাখির কূজন নেই কিন্তু সুইস গরুদের গলার ঘন্টার মিষ্টি ধ্বনি রিনরিন বাজছে। গ্রামের মাঠে তারা আপন মনে চরছে, ঘাস খাচ্ছে, একেবারে স্বাধীন। তাদের সঙ্গে কোনো রাখাল বালক নেই। যেখানে পথ নিচুর দিকে, সেখানে কোনো কষ্ট নেই, তবে সাবধানে চলতে হচ্ছে। একটু চড়াই হলে কষ্ট হচ্ছিল। মেয়ে হাত ধরে ছিল। উপর থেকে দেখা যাচ্ছে আঁকাবাঁকা পাথুরে পথ নিচের দিকে নেমে গেছে। বাড়িঘর ছোট ছোট দেখাচ্ছে। পাইনের সারি ঢাল বেয়ে যেন নেমে আসছে। পথের ধারে ধারে কত যে পাহাড়ি জংলি ফুল! নাম না জানা, নানা রঙের।

পাহাড়ী জংলি ফুল

অনেক পর্যটকরা হাইক করছে। বাচ্চা, তরুণ-তরুণী, বৃদ্ধ-বৃদ্ধা। তাদের কারো কারো হাতে স্টিক রয়েছে, সকলেরই পিঠে ব্যাগ। পাশ কাটিয়ে যাবার সময় তারা আমাদের হ্যালো’ বলে অভিবাদন জানাচ্ছে। জামাই বলল, তুমিও বল ‘গ্রুইৎ জি’। তারা পাশ দিয়ে চলে যাবার সময় আমিও বললাম, ‘গ্রুইৎ জি’ অর্থাৎ হ্যালো’। সকলেরই হাসিমুখ। মনে হচ্ছে এই মুহূর্তে জীবনের কোনো সমস্যার কথা তাদের জানা নেই। সকলেই এই পদযাত্রা উপভোগ করছে।

একটু দূরে দূরেই বিশ্রাম নেবার জন্য বসার জায়গা রয়েছে। আমরাও বসলাম কিছুক্ষণ। টুকটাক কিছু খেলাম, জল পান করলাম, ছবি তুললাম আর আল্পস-এর দিকে তাকিয়ে মুগ্ধনয়নে বসে থাকলাম। যতটা সম্ভব অক্সিজেন প্রাণভরে টেনে নিলাম।

বিশ্রামের জায়গা

মাঝে মাঝে পথে দেখছি পাহাড়ি ধস নেমেছে। এবং সেখানে সাবধান বাণী লেখা আছে, যাতে জায়গাটা তাড়াতাড়ি পার হয়ে যাই। সেই সাবধান বাণী অনুসরণ করলাম। জায়গায় জায়গায় প্রাকৃতিক সরোবর ছড়িয়ে রয়েছে। কোথাও নীল, কোথাও সবুজ তার রঙ। অনেককে দেখছি উলটো পথ দিয়ে উপরে উঠে আসছে। প্রাণচঞ্চল সব মানুষজন। কাউকে হাঁপাতে দেখছি না।

প্রাকৃতিক সরোবর

যত নিচে নামছি দৃশ্যমান হচ্ছে সামনের পথ। অনেক নিচে দেখছি একটি রেলগাড়ি এঁকেবেঁকে উপরে উঠছে। ঠিক মনে হচ্ছে খেলনা গাড়ি। একদিকে তুষারময় আল্পস পর্বত, পাশে, দূরে ঘন সবুজে ঢাকা পাহাড়।

আহা! শিল্পী প্রকৃতিকে কুর্ণিশ জানাচ্ছি, নিজেকে ধন্য মনে হচ্ছে এই সুন্দর ধরণীর আমিও একটি ক্ষুদ্র অংশ ভেবে।

গাইতে ইচ্ছে করছে রবিঠাকুরের সেই গান –
“জগতে আনন্দযজ্ঞে আমার নিমন্ত্রণ
ধন্য হল ধন্য হল মানব জীবন”

ধীরে ধীরে পথ চলা শেষ হল। আমরা আমাদের গন্তব্যে পৌঁছে গেছি। কখন কিভাবে যে পাঁচ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করলাম জানি না। তবে এটুকু বলতে পারি ঈশ্বর তার সব ঐশ্বর্য দু-হাত মেলে ছড়িয়ে দিয়েছেন। তিনিই যুগিয়েছেন এই পথ চলার শক্তি।

আল্পস পর্বতমালা

পথ শেষ হয়ে আসে। ফেরার পালা শুরু হয়। মনের আনন্দ স্তিমিত হয়ে এলেও মন এক অপূর্ব শান্তিতে পরিপূর্ণ।

“বহে নিরন্তর অনন্ত আনন্দধারা
বাজে অসীম নভ মাঝে অনাদি রব ..
… একক অখণ্ড ব্রহ্মান্ড রাজ্যে
পরম এক সেই রাজরাজেন্দ্র রাজে
বিস্মিত নিমেষহত বিশ্ব চরণে বিনত
লক্ষশত ভক্তচিত বাক্যহারা…
…. বহে নিরন্তর অনন্ত আনন্দধারা
বাজে অসীম নভ মাঝে অনাদি রব
জাগে অগণ্য রবিচন্দ্রতারা
বহে নিরন্তর অনন্ত আনন্দধারা”

ছবিঃ
• লেখিকা (১০ টি ছবি)
• Picture of Jungfrau Railway Station (Courtesy: Internet)

[লেখকের পূর্ব রচনা]

আপনি এই পত্রিকা পড়ছেন জেনে ভাল লাগল।

নতুন লেখা বা ভিডিও সংযোজন, অথবা রবিচক্রের অন্যান্য খবরাখবর সম্পর্কে জানতে, ইমেল নথিভুক্ত করতে পারেন।

We don’t spam! Read our privacy policy for more information.


0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
0 Comments
Oldest
Newest Most Voted
Inline Feedbacks
View all comments
0
Would love your thoughts, please comment.x
()
x