
১. টানাপোড়েন
দুটো পাহাড়ের মাঝে বয়ে যায় নদী
বহু নীচু দিয়ে,
ধারাল জলের দাঁতে তীব্র নদী খাত
নীলচে সবুজ জল…
ঢাল বেয়ে নেমে আসছে অবিরল ঝর্ণা ও প্রপাত
দুটি পাহাড়েরই আছে
যার যার নিজস্ব পাইন ঝাউ পাকদণ্ডী
উতরাই চড়াই
কিন্তু নদীর বেলা? একটা মাত্র নদী।
তার ভাগ বাটোয়ারা মোটে নয় ততটা সহজ।
নদীই সিদ্ধান্ত নিক…
নদী তবে কার নদী হবে।
একটা পাহাড় হোক নিদারুণ একা
একা একা নিঃসঙ্গ হয়ে যাক

২. শহর
একটা বৃষ্টির ফোঁটা শেষ অবধি কত বড় হতে পারে?
টুপটাপ থেকে ঝুপঝাপ হওয়ার আশায় থাকা জলকণার মত
লেপ্টে ছিলাম মেঘটার গায়ে।
আমার উচ্চাকাঙ্খী আর্তনাদকে সান্ত্বনা দিচ্ছিল ঝোড়ো হাওয়া
আমাকে তোমরা নিছক আসবাব ভেবে নিতে পারো।
না, নারীবিদ্বেষী নই, বৃহন্নলাদ্রোহী নই, এমনকি কোনও উপাচার্যও নই আমি
খুব একটা নিখুঁত নই, পায়া ভাঙা, ভেতরে কটকট আওয়াজ করছে ঘুণপোকা আর সর্বনাশ
অন্তর্গত কল্পিত প্রতিভা আর বহির্গত গর্হিত লোভ ছুঁতেই দিল না শব্দদের।
এর চেয়ে পাখি হওয়া ভালো ছিল, ঠোঁট দিয়ে লিখে রাখা যেত কয়েকটা লাইন।
গুটির ভেতরে থাকা মূককীটকে সরিয়ে নিলে কবিতার সুতো বেরোবে ভেবেছিলাম।
পুরোনো মার্কা একটা এরোপ্লেন প্রথম আর দ্বিতীয় যুদ্ধ পেরিয়ে পর্দা ছিঁড়ে উড়ে গেল নিরালম্ব ভবিষ্যতে
সকাল নটার সাইরেন কবেই যে বাজা ভুলে গেছে খেয়াল করিনি।

