
দৃষ্টিকোণ
কিছুটা সুযোগ পেলে সকলেই জাল ছুঁড়ে মারে
যেভাবে হাত পা বেঁধে পশুর শিকার হয় বনে,
তবুও অনেক দেহ পিষে গিয়ে বেঁচে যেতে পারে
বাকিরা আটক হয় না জেনেই শুধু প্রয়োজনে।
অপর শিবির থেকে যে কথাটা অপরাধমুখী—
একই কথা নিজ মুখে স্বাভাবিক মনে হলো যাঁর,
তাঁরাই তো আজীবন অকারণে রয়ে যাবে সুখী
তাঁদের আয়নাটাও মাঝে মাঝে মোছা দরকার।
নিয়ম শানিয়ে দিয়ে উঁকি মারে যেসব প্রহরী
সেসব ঘরের কোণে মেনে নেওয়া মিথ্যে প্রবাদ,
সকল চিহ্ন নিয়ে হেঁটে চলে অনায়াসে ঘড়ি
আপোষ নিখুঁত হ’লে স্বাধীনতা নিমেষে লোপাট।
দেখার দৃষ্টি কাঁপে, মানুষও বদলে যায় ক্রমে;
ঈশ্বর একই থাকে বরাবরই শনি, রবি, সোমে।

সমসাময়িক
তোমার হাতে তৈরি হলো যাঁরা
তাঁরাই এখন তোমার বিপরীতে,
আসলকথা বুঝলো না এ পাড়া!
সঠিক দিশা কেউ পারেনি দিতে।
দেখছি সবই সূত্র একই থাকে—
বাংলা কিংবা পুরোনো বার্লিনে,
দিব্যি এঁরা মহৎ কাজের ধাঁচে
আঁধার গলি সক্কলে যায় চিনে।
পেছন থেকে অতীত মারে উঁকি
সবকালে সব ব্যর্থ খোঁজে ছিল,
ভরসা ক’রে তাই পেয়েছে ঝুঁকি
আস্থা এখন শূন্য টাকা কিলো।
স্বাদের ধরণ পাল্টে দিচ্ছে গ্লানি
গ্রাসের থাবা শোনাচ্ছে হাততালি
অভিজ্ঞতায় ‘সন্দেশ’ও নেই জানি
সবার হাত-ই মাঠের মতো ‘খালি’।