শিল্প, সাহিত্য, সংস্কৃতির আলোচনা ও চর্চা

ভগবানপুরে ভোর হচ্ছে। উপবনের মন্দিরে ছাত্রের দল সমবেত। পরনে সাদা ধুতি আর চাদর। গাছগাছালির ফাঁকে দুধসাদা মন্দির প্রাঙ্গণে প্রবেশ করলেই, মন শান্ত হয়ে আসে। বুনিয়াদী বিভাগ থেকে উচ্চবিদ্যালয়, মহাবিদ্যালয় সব বিভাগের ছাত্ররাই কিছু কিছু করে জমায়েত হয়েছে। রবিবার বিশেষ উপাসনার দিন। ছোটদের সকলের উপস্থিতি বাধ্যতামূলক। বেশ কিছু উঁচু ক্লাসের ছাত্ররাও যোগ দিয়েছে। বন্ধুদের মধ্যে নিচুস্বরে কথা বলার গুঞ্জন ভেসে আসে। তার সঙ্গে পাখিদের ডাক। ভোর হবার আগে থেকেই ওরা প্রস্তুত। ডানার ঝাপটে যেন সকাল এসে পৃথিবীর দোর গোড়ায় উপস্থিত হয়েছে, এবার উঠে পড়।

মণিময়বাবুও উঠে পড়েছেন। প্রতিদিন ভোরে উঠে গলা সাধার অভ্যাস, সেই ছোটবেলার দিন থেকেই। দাদু প্রাণময়ের কাছে প্রথম গান শেখার শুরু। তিনিই এই নিয়ম বেঁধে দিয়েছেন। আগের রাতে কোন জলসা থেকে ফিরতে রাত হলেও, চেষ্টা করেছেন সূর্য ওঠার সঙ্গে রেওয়াজে বসতে।

আজ অবশ্য মণিময় রেওয়াজে বসবেন না। ভগবানপুর উপবনের মন্দিরেই গান শোনাবেন। মণিময়ের ছেলে শুভময় এই ভগবানপুর উপবনেরই ছাত্র। মণিময় আর সুমিতা দুজনেই ব্যস্ত মানুষ। আজ এই শহর, কাল অন্য শহরে তাদের ঘুরে বেড়াতে হয়। ওরা দুজনেই ছেলের জন্য এই হোস্টেল ঠিক করেছে। আলাদা আলাদা পালা করে দুজনে দেখতে আসে। দুদিন এঁদের অতিথিশালাতে থাকে। ছেলের সঙ্গে দেখা সাক্ষাৎ করে আবার যে যার কাজের জায়গাতে ফিরে যায়।

এ মাসের পালা মণিময়ের। মন্দির প্রাঙ্গণে প্রবেশের সঙ্গে সঙ্গে কর্তব্যরত শিক্ষক শুভঙ্করবাবু এসে আপ্যায়ন করে নিয়ে যান। বেশ কয়েকটি সর্বভারতীয় ছবিতে গানের সুবাদে মণিময় এখন বিখ্যাত গায়ক। মন্দিরে উপবেশন করে থাকা ছাত্রদের দিকে চোখ বুলিয়ে নিজের আত্মজ শুভময়কে খোঁজার চেষ্টা করে। পরে বুঝতে পারে, ভগবানের মূর্তির পায়ের কাছে, গানের দলের সঙ্গেই ও বসে আছে।

বৈদিক মন্ত্রোচ্চারণের মধ্য দিয়ে উপাসনা শুরু হল। ছাত্রদের সমবেত প্রার্থনা সঙ্গীতের পর অধ্যক্ষ নির্বাণানন্দজী অমৃত কথা পাঠ করলেন। অতঃপর তিনি মণিময়কে গান গাইতে আহ্বান করেন। মণিময় লক্ষ করে, তানপুরা হাতে পুত্র শুভময়, গায়কের আসনের পাশটিতে প্রস্তুত হয়েছে। সকালের এই পবিত্র আবহাওয়াতে মণিময়ের অন্তর পরিপূর্ণ হয়ে ওঠে। পরমাত্মাকে মনে মনে ধন্যবাদ জানায়। যে সুরের আলোকে তার জীবন উজ্জ্বল হয়েছে, সেই আলো তার সন্তানের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হতে দেখে জীবনের অর্থ খুঁজে পায়। ভৈরবীতে তান ধরেন মণিময়। প্রশান্ত সকালের প্রতিটি আলোককণা যেন সুর মূর্ছনায় অধীর হয়ে মন্দিরের প্রতিটি স্তম্ভে, দেওয়ালে, ভগবানের বিগ্রহে ছড়িয়ে পড়ল। গান শেষ হলে, সকলে ধীরে ধীরে বেরিয়ে যায়। মণিময় আরও কিছুক্ষণ ভগবানের মূর্তির সামনে বসে থাকেন। তারপর পায়ে পায়ে বাইরে আসেন। ছেলের দল যে যার হোস্টেলে ফিরে গিয়েছে।

নির্বাণানন্দজী মন্দিরের বাইরে, বাগানে মালীর সঙ্গে কথা বলছিলেন, সঙ্গে শুভময়ের ক্লাস টিচার শুভঙ্কর বাবু। একটি ঝাঁকড়া আমগাছের নিচে বেদি করা আছে। মণিময়কে ডেকে নিয়ে শুভঙ্কর বাবু সেখানে বসেন। ছায়াঘেরা বাগানে, চারিদিকে নানা রকমের ফুল ফলের গাছ। তার মধ্যে বসে থাকতে বেশ লাগছে। একটা নরম বাতাস শরীর মনকে স্নিগ্ধ করে দিচ্ছে। ছাত্রের অভিভাবক হলেও মণিময় একজন বিখ্যাত গায়ক। তার পাশে বসে, শুভঙ্করবাবুর কিছু একটা কথা বলতে ইচ্ছে করছে। ঠিক কী নিয়ে আলাপ করবে বুঝতে পারছে না। হঠাৎই জিজ্ঞেস করেন, “প্রার্থনার পরও এতক্ষণ বসে ভগবানের কাছে কী চাইলেন?”
প্রশ্নটা ব্যক্তিগত, শুভঙ্কর বাবু ঠিক কী নিয়ে কথা বলবেন বুঝতে না পেরে এই কথাটা বলে ফেললেন।
মণিময় খুব শান্ত চোখে তাকিয়ে বলেন, “আমার কিছু চাইবার নেই, স্যার। বসে থাকতে ভাল লাগে, তাই বসে ছিলাম।”
“সে কী? কিছু চাইবার নেই।”
“আমার তো কোন কিছুর অভাব নেই, যা পূরণের জন্য অবেদন করব। জীবনের সব কিছুই আমার মতো করে আমার পাওয়া হয়ে গিয়েছে।”
নির্বাণানন্দজী কাছেই দাঁড়িয়ে, বুঝতে পারছিলেন, শুভঙ্করবাবু এমন প্রশ্ন না করলেই পারতেন। কিন্তু মণিময়ের উত্তর শুনে উৎসাহিত হয়ে এগিয়ে আসেন, “জীবনে পরিতৃপ্তি ভাল। আপনার ওপর ভগবানের আশীর্বাদ আছে।”
“হয়তো আমি সৌভাগ্যবান। একজন মানুষ হিসেবে যা চাইবার, অর্থ, যশ, প্রতিপত্তি, পরিবার, সন্তান সব সুখই, আমি আমার মত করে পেয়েছি।”
নির্বণানন্দজী একটু গভীর চোখে মণিময়ের দিকে তাকিয়ে থাকেন, তারপর বলেন, “সব পেয়েছেন, শোক পেয়েছেন কি? মনে রাখবেন পার্থিব জীবনে সুখের সঙ্গে অসুখ, আনন্দের সঙ্গে শোক-ও অঙ্গাঙ্গি ভাবে জড়িত। একটি বাদ দিয়ে অন্যটি পাওয়া যায় না।”
মণিময় একটু দ্বন্দ্বে পড়ে যায়, বুঝতে পারে না, নির্বাণানন্দজী ঠিক কী বলতে চাইছেন, “ঠিক বুঝলাম না।”
নির্বাণানন্দ বলেন, “বেশিরভাগ মানুষ, আমরা ভগবানকে নিজেদের কর্মসহায়ক বলে মনে করি। আমাদের ঘরে যেমন টিভি, ফ্রিজ, ওয়াশিং মেশিন আমাদের জীবনযাত্রা সহজ করে দেয়, তেমনি আমাদের ধারণা ভগবানও আমাদের চলার পথ সুগম করতে সাহায্য করবে।”

মণিময় শুভঙ্কর দুজনেই ঔৎসুক্য নিয়ে তাকায়। শুভঙ্কর বলে “এত মানুষ ভগবানকে অবলম্বন করে পথ চলে, তবে সে কি মিথ্যা?”
নির্বাণানন্দজী এবার এগিয়ে এসে গাছতলায় বসেন, “মিথ্যা কেন হবে? ভক্তিমার্গের মতো সর্বজনগ্রাহ্য উপায় আর দ্বিতীয়টি নেই। ভগবান তো অবলম্বন। সে অবলম্বন নিজেকে জানার। নিজের আত্মশক্তি অনুভব করার। অধিকাংশ মানুষ প্রার্থনা করে, তার নিজের অথবা প্রিয়জনের সুখের কারনে কিম্বা শোকতাপ লাঘবের জন্য। আপনি যেমন বললেন, আপনার চাওয়ার কিছু নেই, শুধু পাওয়ার জন্য তো তাঁকে ডাকা নয়। আত্মার সঙ্গে পরমাত্মার যোগসূত্র উপলব্ধি করার জন্য যে ডাক, তা আমরা ক’জন পারি?”

নির্বাণানন্দজীর কথা শুনে দুজনেই চুপ করে থাকেন। কোথাও একটা চোখ-গেল পাখি ডেকে চলেছে। ফুল গাছগুলোর চারিদিকে বেশকিছু প্রজাপতি আর ভ্রমর উড়ে বেড়াচ্ছে। কেউ কোন কথা বলে না। নির্বাণানন্দজী বুঝতে পারেন হয়তো একটু গভীর তত্ত্বকথা হয়ে গিয়েছে। পরিবেশ লঘু করতে বলেন, “আজ আপনার নিবেদনে অপূর্ব আবেশ অনুভব করলাম।”
মণিময় বলেন, “এ সবই স্থান মাহাত্ম্য!”
“হয়তো সেটা আপনি ঠিকই বলেছেন।”
“আমাকে তো নিয়মিত বহু জায়গাতে গান শোনাতে হয়, উপবনের এই মন্দিরে এলে কেমন যেন অন্য রকম হয়ে যাই।”
নির্বাণান্দজী আবার বলেন, “আপনার ওপর ভগবানের আশীর্বাদ রয়েছে।”
“সে তো নিশ্চয়ই। এই যে বেঁচে আছি, চলে ফিরে বেড়াচ্ছি, সবই তাঁর ইচ্ছেতে।”
“চলে ফিরে তো সকলেই বেড়াই। এমন গাইবার সুযোগ সকলে পায় কি?”
“হয়তো তাই।”
“ব্রেকফাস্টের সময় হয়ে গেল। আপনি বোধহয় ছেলের সঙ্গে ব্রেকফাস্ট করবেন। হয়ে গেলে আমার অফিসে আসতে পারেন।”

শুভময়ের সঙ্গে দুটো দিন কাটিয়ে রবিবার বিকেলে ফেরার ফ্লাইট ধরেন মণিময়। মনটা খুশি হয়ে রয়েছে। শুভময়ের বেড়ে ওঠা দেখে অপরিসীম তৃপ্তি অনুভব করেন।

দুটোদিনের সুখের রেশ মিলিয়ে যাওয়ার আগেই খবরটা দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়ল। ভগবানপুরে একটি আবাসিক বিদ্যালয়ের ওপর বিমান ভেঙে পড়েছে। বিধ্বংসী আগুনের লেলিহান শিখা মোবাইলে, টিভিতে, খবরের কাগজে সর্বত্র। খবরটা পাওয়া মাত্র মণিময়, ওর স্ত্রী সুমিতাকে ফোন করেন। কর্মসূত্রে এক শহরে থাকতে পারেন না। বাধ্য হয়ে ওদের একমাত্র সন্তান শুভময়কে হোস্টেলে থাকতে হয়েছে। আর সেখানেই ঘটে গেছে এই ভয়ঙ্কর দুর্ঘটনা। ফোন ধরে স্তব্ধবাক দুজনেই। মণিময় কোন রকমে বলেন, “আমি বেরচ্ছি। তুমিও এসো।” আত্মীয় পরিজন অনেকেই মণিময়কে ফোন করছে, জানতে চাইছে শুভময়ের কথা। কেউ আবার বলেছে, “তোমরা নিজেরা যদি কেরিয়ার নিয়ে একটু কম ভাবতে, ছেলেটাকে এভাবে একা একা থাকতে হত না।” মণিময়ের কাছে কোন উত্তর নেই। ভয়ঙ্কর খবরের অভিঘাতে সে মূক হয়ে গিয়েছে। কারও সঙ্গে কথা বলতে ইচ্ছে করছে না। উপবনে ফোন করেও কোন খবর পায়নি। সেখানেও সকলে বিপর্যস্ত, কে কার খবর কাকে দেবে? অত্যন্ত যান্ত্রিকভাবে মণিময় ভগবানপুরের উদ্দেশ্যে রওনা হয়।

পুরো রাস্তায় মণিময়ের চোখের সামনে গত রবিবারের কয়েকটি মুহূর্ত ছায়াচিত্রের মতো ভেসে ওঠে। কিছুতেই বিশ্বাস করতে পারছে না যে, মাত্র কয়েকদিন আগেই ছেলের সঙ্গে দেখা করতে উনি ভগবানপুরে এসেছিলেন।

দুর্ঘটনা হয়েছে সকালে। অতি দ্রুত চেষ্টা করেও মণিময়ের অকুস্থলে পৌঁছতে রাত হয়ে গিয়েছে। শুভময়ের মা সুমিতা এখন দেশের বাইরে। তিনি এখনও এসে পৌঁছতে পারেননি। ভগবানপুরের উপবন আজ পৃথিবীর সমস্ত সংবাদ মাধ্যমের কেন্দ্রবিন্দুতে। সুন্দর করে সাজিয়ে তোলা উপবনের একটা অংশ নরককুন্ডে পরিণত। সেনাবাহিনী, পুলিশ, দমকল, অ্যাম্বুলেন্স, সাংবাদিক ঘিরে আছে। ঘটনাস্থল অবধি পৌঁছানো যায়নি।

সংগ্রহ করতে ওপরের লিঙ্ক ক্লিক করুন

শুভঙ্করবাবুর সঙ্গে দেখা হল। উদভ্রান্তর মতো ছোটাছুটি করছেন। ক্ষয়ক্ষতি কত জানা নেই। নির্বাণানন্দজী সহ অনেকেরই খোঁজ নেই। সেই নেই-এর তালিকায় শুভময়ও রয়েছে।

উপবনের কাছেই শুভঙ্করবাবু বাড়ি। রাতটুকু মণিময়ের সেখানেই কাটল। দুচোখ এক করতে পারেনি সারা রাত। মণিময়ের চোখের সামনে গত কয়েক দিনের স্মৃতি ঘুরে ঘুরে আসছে।

সময়ের নিয়মে সব গাঢ় আঁধারের শেষে ভোরের আলো ফোটে। জানালা দিয়ে মণিময় স্তম্ভিত চোখে বাইরে তাকিয়ে। শুভঙ্করবাবু এসে দরজায় টোকা দেয়। মণিময় দরজার দিকে চোখ ফেরায়,
শুভঙ্কর বলে, “চলুন।”
মণিময় কোন অতল কূপের ভেতর থেকে জেগে উঠে জিজ্ঞেস করে, “কোথায়?”
“মন্দিরে, আজ রবিবার উপাসনা শুরু হবে।”
মণিময় প্রত্যুত্তর করতে পারে না। যন্ত্রের মতো উঠে দাঁড়ান। পায়ে পায়ে শুভঙ্করবাবুর পিছনে যেতে শুরু করে।

উপবনের এদিকটা তো আগের মতোই রয়েছে। কোথাও এতটুকু কম পড়েনি। সেই গাছে গাছে পাখি ডাকছে, পাতার ফোঁকর দিয়ে সকালের সূর্যালোক চুঁইয়ে পড়ছে। মন্দিরের ভেতর একই রকম পবিত্র শীতলতা। শুধু ছাত্রসংখ্যা খুব কম। ভগবানের মূর্তির নিচে, দুর্ঘটনাগ্রস্ত মানুষের উদ্দেশে ফুল মালা দিয়ে একটা আলাদা বেদী রচনা করা হয়েছে। উদ্ধারকার্য এখনও চলছে। হতাহতর তালিকা সরকারি ভাবে ঘোষিত হয়নি। বেসরকারিভাবে নানা রকম সংখ্যা উঠে আসছে। মণিময় কী করে গাইবে, জানে না।

সকাল শুরু হল বৈদিক মন্ত্রোচ্চারণের মধ্য দিয়ে। প্রার্থনা সঙ্গীত শেষ হতে অমৃত-কথা পড়লেন অন্য কেউ। নির্বাণানন্দজীর এখনও কোন খোঁজ পাওয়া যায়নি। ভস্মীভূত ছিন্নবিচ্ছিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গ দেখে বোঝার উপায় নেই, কোনটা কে? অমৃত কথা-র পর কেউ একজন মণিময়ের নাম ঘোষণা করলেন। মণিময় যন্ত্রবৎ এগিয়ে এসে হারমোনিয়ামে বসে। হঠাৎ মনে হয়ে বাঁপাশে শুভময় তানপুরা ধরেছে। কানে এসে লাগে সেই সুর। এবারে মণিময়ের কন্ঠেও সুর লাগতে শুরু করে। কোথা থেকে যে এত সুর আসে, ও বুঝতে পারেনা। ঘটনার অভিঘাতে বিগত কয়েক ঘন্টা কীভাবে কেটেছে মনে নেই। এই প্রথম অঝোর ধারায় দুচোখ বেয়ে অশ্রু ঝরতে থাকে। অন্তঃস্থল থেকে যেন নির্বাণানন্দজীর গলার স্বর ভেসে আসে, “শোক পেয়েছো কি?”

মণিময় সেই শোকের আগুনে নিজেকে সঁপে দিতে থাকে। ভগবানের মূর্তির সামনে শোকমগ্ন সুর, মণিময় নিজে বুঝতে পারে, এমন ভাবে আগে কোনদিন, তিনি গাইতে পারেন নি।

[লেখকের রবিচক্রে পূর্ব প্রকাশিত রচনা]

অন্যত্র প্রকাশিত কিছু গল্পঃ

আরও গল্প

বাংলা লাইভে প্রকাশিত গল্প

আপনি এই পত্রিকা পড়ছেন জেনে ভাল লাগল।

নতুন লেখা বা ভিডিও সংযোজন, অথবা রবিচক্রের অন্যান্য খবরাখবর সম্পর্কে জানতে, ইমেল নথিভুক্ত করতে পারেন।

We don’t spam! Read our privacy policy for more information.


5 1 vote
Article Rating
2 Comments
Oldest
Newest Most Voted
Inline Feedbacks
View all comments
Ruchi Ghosh
Ruchi Ghosh
6 months ago

অসাধারণ একটি গল্প। সাম্প্রতিক একটি বিমান দুর্ঘটনাকে কেন্দ্র করে লেখক যে গল্প শোনালেন, তার তুলনা হয় না। এক গভীর উপলব্ধির থেকে এই গল্প উঠে এসেছে। লেখককে শুভেচ্ছা জানাই।

সৌরভ হাওলাদার
সৌরভ হাওলাদার
Reply to  Ruchi Ghosh
6 months ago

অনেক ধন্যবাদ। আপনি পড়ছেন জেনে ভাল লাগল।