শিল্প, সাহিত্য, সংস্কৃতির আলোচনা ও চর্চা

“চীনের প্রেসিডেন্টের ছেলে আমার ছবি তুলে নিয়ে গেছে।”
কথাটা শুনে সাত্যকি ঘুরে তাকায়। লোকটার ফুল হাতা সোয়েটার, মাঙ্কি ক্যাপ, গলায় মাফলার। সাত্যকির হাসি পেয়ে যায়। কলকাতায় শীত পড়ল কি পড়লনা, কিছু মানুষ সঙ্গে সঙ্গে এত রকম গরম পোশাক বার করে ফেলবে, যেন বরফ পড়ছে! লোকটির পোশাক পরিচ্ছদ দেখে, কেন ফিরে তাকিয়েছিল, ভুলে যায় সাত্যকি। আবার ঘাড় ঘুরিয়ে নিজের হাতে থাকা মোবাইলে মনোনিবেশ করে।

প্রচুর শব্দ মেখে বাস চলেছে। শীতের সকালে অফিসযাত্রী রয়েছে। তাদের কেজো মুখগুলো গম্ভীর হয়ে রয়েছে।
এবার ওর কাঁধের ওপরে আঙুলের চাপ অনুভব করে। মাঙ্কিক্যাপ পরা লোকটা হাত দিয়ে ওর দৃষ্টি ঘুরিয়ে নিজের দিকে করে বলে, “আমার প্যান্ট খুলে যাচ্ছিল, উনি বলল চেনটা আটকে নাও।”
সাত্যকি ঠিক কীভাবে প্রতিক্রিয়া দেখাবে, বুঝতে পারে না। এই গাদাখানেক উল দিয়ে মোড়া লোকটি কি উন্মাদ? নাকি বোকা? নাকি ধুরন্ধর! অন্য কোন উদ্দেশ্য নিয়ে ওকে ডাকছে বুঝতে পারে না। দ্বিতীয়বার চোখ ফেরানোর পর, সত্যকির মস্তিষ্ক কাজ করতে থাকে, “চুনী? চুনীলাল। তাই তো?”
লোকটি গম্ভীর হয়ে জবাব দেয়, “চিনতে পেরেছিস তাহলে?”
“কী করে চিনবো? টুপি মাফলারে সব তো ঢেকে রেখেছিস।”
সাত্যকির কথা শুনে, লোকটির উৎসাহ যেন বেড়ে গেল, “চীনের প্রেসিডেন্টের ছেলে আমার ছবি তুলে নিয়ে গেছে।”
সাত্যকি হতাশ হয়ে হেসে ফেলে। চুনীর মাথাটা কি পুরোই গেছে? তাহলে একা একা বাসে চড়ে কোথায় যাবে! লোকটা এবার জানলা দিয়ে বাইরে তাকায়, যেন সাত্যকি এখানে বসে নেই। এবার সাত্যকিই কথা বলে, “কতদিন পর তোর সঙ্গে দেখা? প্রায় বিশ বছর হল?”
চুনীলাল বলে, “চীনের সঙ্গে ভারতের যুদ্ধ লেগে গেছে। টিভিতে দেখবি।”
সাত্যকি বেশ বিব্রত, চুনী সেই এক বিষয়ে আটকে রয়েছে। বুঝতে পারে না, ঠিক কী করলে প্রসঙ্গ পাল্টাবে, “আমি টিভি দেখি না।”
“না, ইয়ার্কি মারছি না। টিভিতে দেখাবে। যুদ্ধ লেগে গেছে।”
“তোকে কে বলল?”
“আমার নেটওয়ার্ক আছে।”
“তোর নেটওয়ার্ক? সেটা আবার কী?”
“চোদ্দ বছর, জেল খেটেছি। কত ওস্তাদের সঙ্গে ওঠাবসা! আমার নেটওয়ার্ক নেই?”
কথা শুনে সাত্যকি থম মেরে যায়। জীবনের অপ্রিয় সত্য কেউ এমন সর্বসমক্ষে ঘোষণা করতে পারে?

সেই সময় কাগজে টিভিতে বেশ হইচই পড়ে গিয়েছিল। চুনীলাল রজক নিজের প্রেমিকার গলা কেটে খুন করেছে। সেইসব দিনের কথা মনে পড়তেই গা শিউরে ওঠে। নিজেকে গুটিয়ে রাখলেই বোধহয় ভাল হতো। এক বাস ভর্তি অপরিচিত লোকের সামনে, চুনীলালের মতো দাগী আসামীর সঙ্গে পরিচয় প্রকাশ করাও লজ্জার। সাত্যকি একবার আশেপাশে চোখ বুলিয়ে নেয়। আপিসযাত্রীরা, যে যার মতো রয়েছে, কেউ সেভাবে ওদের কথোপকথন শুনছে বলে মনে হল না।

সাত্যকি গলা নামিয়ে জিজ্ঞেস করে, “অপরাধীরদের সঙ্গে নেটওয়ার্ক কেন রাখিস?”
এতক্ষণে চুনীলাল হাসে, “এতদিন ঘর করেছি। ওরাই তো আমার আত্মীয় স্বজন।”
“এখন কী করছিস?”
“যা করতাম, তাই। ধোলাই।” কথাটা বলে হেসে ফেলে চুনী, যেন খুব একটা মজার কথা বলল।

সংগ্রহ করতে ওপরের ছবিতে ক্লিক করুন

চুনীলাল রজক। ওর বাবা সুন্দরলাল রজক। সাত্যকির পুরোন পাড়ায় থাকত। ছোটবেলায় সুন্দরলাল রজককে দেখেছে, প্রতিদিন পোষা গাধার পিঠে রাশিকৃত জামাকাপড় চাপিয়ে পাড়ার পুকুরঘাটে যেতো, পাশে পাশে হাঁটতো কিশোর চুনীলাল। হাতে হাতে বাবাকে সাহায্য করত। শীত গ্রীষ্ম বাপবেটায় খুব করে কাচা ধোয়া করে ফিরে এসে, ক্লাবের মাঠে সেই কাপড় শুকোতে দিত। সাত্যকির অবাক লাগত। ওর বয়সী একটা ছেলে, কাপড় কাচছে, শুকোতে দিচ্ছে, অথচ সাত্যকির শুধু পড়া আর পড়া! সুন্দরলালকে পাড়ায় সবাই খুব পছন্দ করত। ওর পোশাকের মতো মনটাও ছিল সাদা। সুন্দরলালের পর পারিবারিক পেশাতে নিযুক্ত হয় চুনীলাল। ততদিনে সাত্যকি-রা ও পাড়ার পাট চুকিয়ে চলে আসে। সাত্যকির নাকে এখন নস্টালজিয়ার ঘ্রাণ, “তোর বাবার সেই গাধাটা কি আছে?”
“গন্না? সে তো কবেই মরে গেছে! এখন বাবার এই গাধা আছে।” বলে নিজের বুকের দিকে আঙুল দেখায়, আবার তেমন করে হাসে, যেন খুব একটা মজার কথা!
“পাড়ার আর কী খবর?”
“মন্দিরটা তৈরি করলাম!”
“মন্দির?”
পাড়ার মোড়ে একটা ছোট কালী মন্দির ছিল। সেটিই এখন বড় করা হয়েছে। চুনী সেই খবরই দেয়। সাত্যকি একটু ঠোঁট বাঁকায়, “সে তো অনেক টাকার গল্প। কী করে সব হল?”
“ট্রান্সপোর্টারদের ধরেছি, পাড়ার প্রোমোটারদের ধরেছি। এখানে ব্যবসা করবে, আর মন্দির বানাতে পয়সা দেবে না?”
“তাহলে তো বেশ সেয়ানা হয়ে গেছিস। লোকের কান মুলে পয়সা আদায় করতে শিখে গেছিস। মন্দির মানে তো, তার পিছনে ক্লাবের ছেলেদের মদ খাওয়ার জায়গা।”
চুনী গম্ভীর হয়ে যায়, “মদ খাওয়া খারাপ নাকি? পেটের মাপ বুঝে খাবে। ওদের তো মাপ মতোই চাই।”
“বেশ! তা তোদের স্টমাক শেয়ার কত?”

চুনীলাল জানালা দিয়ে বাইরে তাকিয়ে থাকে। সাত্যকির কৌতুহল বাড়তে থাকে। বিশেষ করে, চুনীলাল কেন খুন করেছিল? কীভাবে করেছিল? তখন সাত্যকি-রা ও পাড়ায় থাকে না। কাগজ বা টিভি মারফত যতটুকু জেনেছিল। তাছাড়া আগ বাড়িয়ে কাউকে বলতেও পারেনি, যে এমন একজন অপরাধীকে ও চেনে। আজ হঠাৎ সেই ‘খুনী’ ওর পাশে বসে, গালগল্প করতে করতে চলেছে, ভেবেই একটা অন্যরকম অনুভূতি হচ্ছে। কিন্তু চট করে সেই কথা জিজ্ঞেস করতেও বাধছে, “এখনও মন্দিরের পিছনে মদ খাওয়া চলে?”
“মদ কি এখনকার গল্প? সভ্যতার শুরু থেকে আছে।”
“তা অবশ্য ঠিক। তবে যারা মন্দিরের আড়ালে খায়, তাদের লক্ষ্য অন্য।”
“মদ খাওয়ার লক্ষ্য আবার কী? ঘরেই হোক বা মন্দিরে হোক সব কারণের কারণ এক, নেশা।”
“বাব্বা! তোর তো বেশ কথা ফুটেছে?”
“আমার মতো ইউনিভার্সিটিতে কাটিয়ে আয়, সব শিখে যাবি।”
“ইউনিভার্সিটি!”
“সেন্ট্রাল জেল! এর চেয়ে বড় ইউনিভার্সিটি আর নেই।”
সাত্যকি একটু অবাক হয়, “মদ খাওয়ার লক্ষ্য বলতে, কিক পার রুপি। তোদের ওইখানে যারা মদ খেতে জড়ো হয়, তাদের উদ্দেশ্য, সস্তায় কত জলদি নেশা হবে।”
“কেন রে? তোরা কি অন্য উদ্দেশ্যে খাস?”

সংগ্রহ করতে ওপরের ছবিতে ক্লিক করুন

সাত্যকি একটু চমকে যায়। আপাতদৃষ্টিতে যাকে তারকাটা ভাবছিল, তাকে এভাবে প্রশ্ন করতে দেখে, অন্য প্রসঙ্গে যাওয়ার চেষ্টা করে। পুরোন পরিচিতদের খবরাখবর নিতে চায়, “গোপাল, নুর, হাসু ওদের কী খবর?”
“নুরের মেয়ের বিয়ে।”
“তাই নাকি? বাহ! এই একটা ভাল খবর দিলি।”
“বিয়ে করছে হিন্দু ব্রাহ্মণ পরিবারে।”
“আরিব্বাস! তাহলে প্রচুর প্রগতিশীল ব্যাপার।”
“দুদিকেই অনেক জলঘোলা হয়েছিল। অবশেষে না মেনে উপায় ছিল না।”

এর মধ্যে কন্ডাকটর এসে টিকিট চায়। সাত্যকি দুজনের টিকিট কাটে। চুনী ওর টিকিট কাটতে নিষেধ করছিল, তবে শেষে না করে না। চুনী বলে, “হাসু মারা গেছে, শুনেছিস তো?”
সাত্যকি বলে, “হ্যাঁ, খবরটা এসেছে। কী করে হল?”
“রাত নটা পর্যন্ত মন্দিরের চাতালে বসে আড্ডা দিয়েছে, রাত সাড়ে বারোটায় বুকে ব্যথা। অ্যাম্বুলেন্সে যেতে যেতেই শেষ।”
এসব শোনার পর খুব বেশি কিছু বলার থাকে না। সাত্যকি মানুষের থাকা না থাকার ব্যবধান নিয়ে ভাবতে থাকে। কাঁধের কাছে আবার আঙুলের চাপ অনুভব করে। চুনীলাল ওকে নিজের দিকে ফিরিয়ে আনছে, “চীন ভারত যুদ্ধ লেগে গেছে। বাংলাদেশও এবার টের পাবে।”
“তখন থেকে কীসব যুদ্ধের খবর বলছিস।”
“যুদ্ধই তো জীবন।”
“বাপরে! তুই তো দার্শনিক হয়ে গেছিস।”
“ওই যে বললাম ইউনিভার্সিটি। ওখান থেকে পাশ করে এলে, সব পরিস্কার হয়ে যায়।”
“কী পরিস্কার?”
“যেমন, তোর আমার বা এই বাসের কন্ডাকটর, সবারই খাওয়া-পরার যুদ্ধ। চীন ভারতের জমির লড়াই, ব্যবসার লড়াই। মাঝখানে বাংলাদেশ একবার এদিকে, একবার ওদিকে।”
“নিজের নিজের জীবন যুদ্ধ এক রকম, আর এইসব রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ ভয়ঙ্কর!”
চুনীলাল বেশ জোরে হেসে ওঠে, “নিজেদের জীবন যুদ্ধে রক্তক্ষয় হয়না কে বলেছে।”
ওর চোখের চাউনি দেখে সাত্যকি ভয় পেয়ে যায়। মনে পড়ে যায়, একজন সাজাপ্রাপ্ত খুনের আসামীর সঙ্গে ও কথা বলছে, “সবার জীবনে তেমন করার সুযোগ কি আসে? সেটা তো অপরাধ। তাই না?”
“অপরাধ? এটা আপেক্ষিক শব্দ।”
“মানে?”
“শোন, এত বছর জেলে থেকে এটা পরিস্কার হয়ে গেছে। সত্যিকারের অপরাধ বলে কিছু হয় না।”
“কী বলছিস তুই?” সাত্যকি এবার প্রশ্নোত্তরে মনোযোগ দেয়।
চুনীলাল বলে, “তোকে একটা বুড়ি ছুঁয়ে থাকতে হবে। ছোটবেলায় বুড়ি বসন্তি, কুমির ডাঙা, লাল লাঠি খেলতাম মনে নেই?”
“হ্যাঁ, সেগুলো তো খেলা!”
“খেয়াল কর, সব খেলাগুলোর একই নিয়ম। বুড়ি-বসন্তি খেলায় বুড়ি ছুঁয়ে দিলে, কুমির-ডাঙার সময় ডাঙায় উঠে পড়লে বা লাল-লাঠি খেলায় যে কোন লাল-রঙ লাঠি দিয়ে ছুঁয়ে দিলেই তুই সেফ। জীবনটাও তাই, একটা খেলা বই কিছু নয়। তুই যত বড় কান্ড করিস না কেন, বুড়ি ছুঁয়ে ফেললে, তোকে কেউ কিছু করতে পারবে না।”
কথাটা শুনে সাত্যকি চুপ করে যায়। হঠাৎই মনের মধ্যে একটা ঢেউ ওঠে। তারকাটা চুনীলালের এই কথাটা মনের মধ্যে যেন গেঁথে গেল।
চুনীলাল আবার বলে ওঠে, “চারিদিকে চোখ কান খোলা রাখ, সর্বত্র দেখতে পাবি। কারা বুড়ি ছুঁয়ে আছে? তাদের টিকিও কেউ ছুঁতে পারবে না।”
সাত্যকি উত্তর করে না। চুনীলাল আবার বলে, “এই যে তুই তখন থেকে জানতে চাইছিস, আমার কেসটা কী ছিল? কিন্তু চক্ষুলজ্জায়, মুখে বলতে পারছিস না। তাই তো?”
সাত্যকি যেন ধরা পড়ে গেছে, “ধ্যাৎ! ওসব কেন জানতে চাইব?”
“সবাই জানতে চায়। আমি মৌসুমীকে কেন মারলাম? কীভাবে মারলাম? ওর সঙ্গে আমার কতদিনে সম্পর্ক? নিয়মিত শুতাম কিনা, সব জানতে চায়।”
“আ-আমি মোটেই সে সব ব্যক্তিগত কথা জানতে চাইনি।”
“আমার আর কিছুই ব্যক্তিগত নেই। যখন বিচার চলেছে, অনেক কাগজেই ফলাও করে লিখেছে। তুই গুটি কয়েকজনের মধ্যে আছিস, যারা ওই সময়ে কাগজ দেখিসনি।”
“হ্যাঁ, আমি ওই সময় কয়েক বছর, আফিসের কাজে দেশের বাইরে ছিলাম।”
“আমার সাজা হয়ে যায়। যাবজ্জীবন কারাদন্ড। তারপর ইউনিভার্সিটিতে কাটিয়ে ফিরে এসেছি বছর তিনেক হল। এখন আমি অনেক কিছু অনেকের আগে বুঝতে পারি।”

সাত্যকি এবার একটু যেন স্বস্তি পায়। মন খুলে বলে, “তোর অপরাধ নিয়ে আমার কৌতুহল নেই। বরং জানতে চাই, এখন কি অনুতাপ হয়? মনে হয় যা করেছিলি ভুল করেছিলি?”
চুনীলালের দৃষ্টি আবার কেমন অস্বচ্ছ হয়ে যায়, “প্রথমতঃ তোকে কে বলল? আমি অপরাধী? এতক্ষণ কী বললাম? আমার কোন বুড়ি ছোঁয়া ছিলনা, তাই নিজেকে আইনের চোখে নিরাপরাধ প্রমাণ করতে পারিনি। তার মানে এই নয় যে, আমি অপরাধী। আর যখন অপরাধী নই, তখন অনুতাপের প্রশ্নই ওঠে না। আবার যদি ওই রকম অবস্থা হয়, আমি আবার একই কাজ করব।” শেষ কথাটা বলার সময় চুনীলালের গলাটা যেন হিসহিস করে ওঠে। সেই কথার অনুরণন এই সকালের কেজো সময়ে ভরা বাসে বসে সাত্যকির ভেতর পর্যন্ত ছুঁয়ে যায়।
চুনীলাল বলে চলে, “আমি প্রতারিত হয়েছিলাম। মৌসুমী আমাকে লুকিয়ে অন্য পুরুষের সঙ্গে সম্পর্ক করেছিল। সেটা জানার পর, আমি কি চুপ করে থাকব? আদালতে এই অন্যায়ের বিচার হয়না, তাই আমাকেই শাস্তি পেতে হয়েছে।”
“কিন্তু তাই বলে, হত্যা করা তো পাপ!”
চুনীলাল হেসে ওঠে, “ভারত চীনের যুদ্ধ শুরু হয়ে গেছে। তুই লাশ গুনবি। টিভিতে দেখাবে। তখন দেখবি কত রক্ত, কত মৃত্যু। সেগুলো অপরাধ না? ওদের সব বুড়ি ছোঁয়া আছে। কারও কিছু হবে না। সাজা হয় শুধু আমাদের মতো, যারা সময় মতো ডাঙায় উঠতে পারিনি।”

কন্ডাকটরের চিৎকারে হুঁশ ফেরে চুনীলালের, “আমার স্টপ এসে গেছে। যুদ্ধ কিন্তু শুরু।”
চুনীলাল নেমে যায়। অবিন্যস্ত শহরের ভিড়ে মিলিয়ে যায়। সাত্যকির মনে একরাশ প্রশ্ন টুপটাপ করে ঝরতে থাকে, চুনী ঠিক বলতে চাইল? চুনীর অপরাধ কি সত্যি নয়? তবে খুন করা কি এত সহজ? আর সবাইকে বুড়ি ছুঁয়ে থাকতেই হবে? সমাজে বুড়ি কে? চিনবেই বা কী করে?

[লেখকের অন্য রচনা]

Facebook Comments Box

আপনি এই পত্রিকা পড়ছেন জেনে ভাল লাগল।

নতুন লেখা বা ভিডিও সংযোজন, অথবা রবিচক্রের অন্যান্য খবরাখবর সম্পর্কে জানতে, ইমেল নথিভুক্ত করতে পারেন।

We don’t spam! Read our privacy policy for more information.


0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
2 Comments
Oldest
Newest Most Voted
Inline Feedbacks
View all comments
Mrinmoyee Sarkar
Mrinmoyee Sarkar
1 month ago

অদ্ভুত সুন্দর মন কাড়া গল্প। ভাবায়।

Sourav
Sourav
Reply to  Mrinmoyee Sarkar
1 month ago

আপনি পড়ছেন জেনেই সুখ।

2
0
Would love your thoughts, please comment.x
()
x