
অলৌকিক
কখনও চাঁদ মুসলমান কখনও চাঁদ হিঁদু
কখনও হাটবারের পরে হাটচালাতে ইঁদুর
হন্যে হয়ে খাদ্য খুঁজে, বিফল হয়ে রেগে
রুটির মতো চাঁদকে খোঁজে চাঁদ ঢাকলে মেঘে
কখনও চাঁদ দেখতে গিয়ে তোমায় দেখে ফেলা
স্বপ্ন এবং স্বপ্নভঙ্গ – এমনতরো খেলার
শুরুও নেই শেষও নেই; শেষ না থাকাই শ্রেয়
তবুও চাঁদ স্পর্শ করার স্পর্ধা স্মরণীয়
চাঁদ ছুঁয়েছো চাঁদ পেড়েছো চাঁদের তাতে কি
আমরা বরং খিদের সময় দু’ মুঠো ভাত দি’
ওই ইঁদুরটাকে, বাঁচুক নাহয় কয়েকটা চাঁদ বেশি
বাঁচা এবং মরার ভিতর বিষম রেষারেষি
বাঁধ দিয়েছো চাঁদের হাসি, যা কিছু ভাস্বর
ছড়িয়ে পড়া জ্যোৎস্না- তুই একটু সবুর কর
বাঁচতে চাওয়া জীবন যেন তোর আলোতে ভিজে
নদীর মতো বইতে পারে একা একাই, নিজে
খাবারলোভী ইঁদুর বা ঘষা কাচের চোখ
জ্যোৎস্না পড়ুক সবার ঘরে, অলৌকিক হোক।

অস্তিত্ব
নুন আনতে গিয়েছিলাম-
কখন আচম্বিতে
মোহনার নোনাজল
ঢুকে গেছে চাষের জমিতে
সমাগত খরার বছরে
চাষ-অযোগ্য জমিটিতে
বিজাতীয় মাছ খেলা করে


