
অসময়ের ঝিরঝিরে বৃষ্টি কাজ বাড়িয়ে দেয় কতো! যে স্মৃতিগুলো যত্ন করে সময়ের রোদে শুকোতে দেওয়া ছিল – ব্যস্ত পায়ে তাদের তুলে আনা, আবার মনের জানালাগুলোও তাড়াহুড়ো করে বন্ধ করা দরকার, নয়তো বৃষ্টির ছাঁটে যে ভিজবে পুরো মনটাই–
কি করে শুকোবো তাকে?
এমনকি স্মৃতির নাড়াচাড়ায় মিহি এলাচ পোড়ার গন্ধ পাই এখনও…
একদিন বলেছিলে…
হাঁটবো হাত ধরে বহুদূর, নিজেকে আমার মাঝে খুঁজতেও চেয়েছিলে, আর আমি থাকতে চেয়েছিলাম তোমার আকাশ হয়ে…
চাঁদের আলোয় মোড়া ঝাউবনের পথে হারিয়ে গেল যে গতিপথ, সে আর ফিরবে না জানি। বুড়ো আংলা পেরিয়ে যে জীবনের যাবার কথা ছিল তুঙ্গভদ্রার দুই তীরে–
মাত্র চার ইঞ্চি ব্যবধানে সে পথ হারিয়েছে বহুদিন-ই–
অবেলায় বৃষ্টির তাও খুব দরকার।
এখন এ জনহীন বাড়িতে ক্লান্ত রাতে তালা খুলি,
বৃষ্টি ভেজা ছাতাটা দরজার পাশে
রাখতে গিয়ে হাতে জড়িয়ে যায় মাকড়সার জাল।
ঘরের মধ্যে পাক খায় সোঁদা হাওয়া,
গন্ধের স্মৃতি ছড়িয়ে। মাথার ভিতর খোদাই হয়–
“Tonight, I can write the saddest line.”


