শিল্প, সাহিত্য, সংস্কৃতির আলোচনা ও চর্চা

দ্য লেডি উইথ দ্য ল্যাম্প

(ভগিনী নিবেদিতা স্মরণে – জন্মদিন, ২৮ অক্টোবর)

কী যে হত এই বিদেশিনি সন্ন্যাসিনীর! নয় বছরের বড় এই বিজ্ঞানীকে দেখলে! এক নৈঃশব্দ্যের ঝরোখায় ভেসে যেতে চাইত তাঁর সব স্পন্দমান অনুভব! তা্ঁর হাত পা যেন অসাড় হয়ে আসত! এই আবেশ কি শুধুই প্রতিভা আর বৈদগ্ধ্যের বিচ্ছুরণের প্রতি অপার মুগ্ধতা? নাকি তার থেকে বেশি কিছু?

শ্রদ্ধা, মুগ্ধতা, ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতা সংহত হয়ে এল ধীরে ধীরে, বিখ্যাত বিজ্ঞানীর কলমের ডগায়। শেষপর্যন্ত অবশ্য মাত্র একটা বাক্যই লিখতে পারলেন তিনি তাঁর আত্মীয়াকে, সন্ন্যাসিনীর প্রয়াণের পর। ঐ বিদেশিনি সন্ন্যাসিনীর সম্পর্কে।

ভারতের প্রথম পদার্থবিদ ও এশিয়ার প্রথম জৈবপদার্থ বিজ্ঞানী লিখলেন,, —“She had not body, it was all mind”. দুমড়ে মুচড়ে যাওয়া বুক নিয়ে এই কাঠবাঙাল, একগুঁয়ে ও ভাবালুতাহীন মানুষটার চোখ বুজে এল এক অনিমেষ আলোর স্নিগ্ধ উপস্থিতির স্মৃতিতে। কে তিনি? কার স্মৃতিতে আজ আবিষ্ট হয়ে যাচ্ছেন তিনি?

নিবেদিতা ও জগদীশচন্দ্র

‘কে তিনি?’ প্রশ্নটা রণন তুলল আবারও। কয়েক বছর পর। আচার্য নন্দলালের ছবি ‘A Lady with the Lamp’— এর একটা অন্য সংস্করণ উঠে এল তামার ভাস্কর্যে। ভিন্ন শিল্পমাধ্যমের প্রয়োজনীয় অ্যাডাপ্টেশন ও শিল্পীর স্বকীয়তা নিয়ে অবশ্যই; এশিয়ার প্রথম বিজ্ঞান -গবেষণার তীর্থ ক্ষেত্রে।
রবীন্দ্রনাথ নাম দিলেন “বসু বিজ্ঞান মন্দির”। নামে কি কোন দৈব-অনুষঙ্গের স্পর্শ রয়ে গেল? বিশুদ্ধ শিল্পকলা অথবা ভাববাদ— কোনটাই কি শেষপর্যন্ত ফলিত জড়বিজ্ঞানের যৌক্তিক নির্যাসের সঙ্গে যায় দর্শনগতভাবে?

বিজ্ঞান-গবেষণার প্রাণকেন্দ্রে মহারাষ্ট্রীয় শিল্পী বিনায়ক পান্ডুরাঙ্গার ঐ ভাস্কর্য যে এক বিশুদ্ধ অঞ্জলি এক রক্তমাংসের দেবীর প্রতি! যাঁর স্বপ্নসন্তান এই গবেষণাকেন্দ্র, সেই বিজ্ঞানীর নির্দেশে কোন ক্যাপশন কিন্তু রাখা হলো না ঐ শিল্পকর্মে! অনেকেই বুঝলেন, একটা সমগ্রজাতির কৃতজ্ঞতা মূর্ত হয়ে উঠেছে ঐ ভাস্কর্যে! শুধুই প্রতিভাসের প্রতীকী শিল্পনন্দনই তাঁর অভ্যন্তরের পূর্ণতা নয়। চেতনার যে অনিমেষ আলোর জ্যোতির্বলয় তাঁকে ছুঁয়ে থাকতো নিয়ত, কীভাবে সেই চেতনার আলো তুলে আনা সম্ভব শুধু নান্দনিকতার স্পর্শে? হয়তো তাই কোন নামকরণ রইলো না! হয়তো!

শিল্পী বিনায়ক পান্ডুরাঙ্গ

কেন নেই ক্যাপশন? উত্তরের কি অন্য কোন সম্ভাবনা আছে? কী করে নাম দেবেন তিনি? একটা মানুষ মূর্ত হয়ে ওঠে তাঁর অবয়বে। বিজ্ঞানী যে বিশ্বাস করেন তাঁর কোন শরীরী অস্তিত্বই ছিল না। যা ছিল তা শুধুই মন আর চৈতন্য। কিন্তু চৈতন্যইতো প্রকৃত পরিচয়! তাহলে নাম থাকবে না কেন?
আসলে বিজ্ঞানী বিশ্বাস করেন, ভারতবর্ষ এখনো প্রস্তুত হতে পারে নি ঐ মহীয়সীকে চিনে নেতে। তাঁর পূর্ণতার স্বর্গীয় স্পর্শের মহিমা বুঝতে। যে কোন নাম যে তাঁকে সীমায়িত করে ফেলবে বড্ড বেশি, এই মুহূর্তের ভারতবাসীর কাছে! ‘ ‘বিদেশিনি’ অথবা ‘ সন্ন্যাসীনি, সব অভিধাই যে তাঁর সম্পূর্ণতার নিরিখে নিছকই এক সঙ্কীর্ণ সীমা! কিন্তু বিজ্ঞানী বিশ্বাস করেন একদিন নিশ্চয়ই তাঁকে চিনে নিতে পারবে এই দেশ, তার সাধনার শেষে। সেদিনই চিনে নিক বরং এই মহান নারীকে। নিজে থেকেই। তাই হয়তো ক্যাপশন থাকলো না।

আনন্দমোহন বোসের বাড়ী যেদিন ব্রাহ্মসমাজের অন্যান্যদের সঙ্গে দেখেছিলেন বিজ্ঞানীকে, সেদিনই কোথাও এক ব্যাখ্যাতীত স্পন্দন মন ছুঁয়ে গিয়েছিল এই নারীর। তারপর নারীশিক্ষার প্রসার, সামাজিক কাজ আর রবীন্দ্রনাথের সাধারণ যোগসূত্রে পরিচয় আরও গাঢ় হ’ল একসময়। বিজ্ঞানীর পরিবারের সঙ্গেও বন্ধুতা বেড়ে উঠল তাঁর।

বাকীটা ইতিহাস। এক নিবেদিতপ্রাণ নারী চাইছেন নব্যবেদান্তের প্রেরণা ছুঁয়ে শিল্প-সাহিত্য-বিজ্ঞান- সমাজসেবা— সব দিক থেকে উঠে আসুক লুন্ঠিত অথচ ঋদ্ধ এক আত্মবিস্মৃত সভ্যতা। অন্ধকূপের মায়াজাল কেটে নিজেকে আবিষ্কার করুক আবার।

ভগিনী নিবেদিতা

স্যর যদুনাথকে বললেন, আপনার ইতিহাস-প্রজ্ঞা পশ্চিমি শীর্ষ পণ্ডিতদের সমতুল্য। শুধু বিশুদ্ধ গবেষণাই করুন। আজ সম্ভবত টয়েনবি আর গিবনের পরই পৃথিবী যদুনাথকেই স্বীকৃতি দেয় সেরা ঐতিহাসিক বলে। রামেন্দ্রসুন্দর কে বললেন, বিজ্ঞান, দর্শন ও সাহিত্যের ত্রিবেণী সঙ্গম আপনার বোধি। অধ্যক্ষ-অধ্যাপনার মতো মধ্যমেধার কাজ ছাড়ুন। টোলসংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসতে হবে এ দেশকে। বাঙলায় বিজ্ঞানচর্চার পথ দেখান। বিজ্ঞান জনপ্রিয়করণের প্রকরণ খুঁজুন বাঙলা ভাষায়। নন্দলালকে বললেন, ইলোরা অজন্তার উত্তরাধিকার আপনাদের । তবু পশ্চিমি কলা দেখুন। শিল্পের ভাঙচুর, বিবর্তন, পরিবর্তনের স্পর্শ নিন। জোর করে পাঠালেন পশ্চিমি শিল্পকলার প্রদর্শনীতে।
এক সন্ধ্যায় বিজ্ঞানী ঐ সন্ন্যাসিনীকে যা বললেন তা মোটামুটি এইরকম। একই সময়ে আমেরিকায় ছিলেন। যে স্বদেশীয় বেদপ্রভকে তিনি দেখেছিলেন তেজ, বোধি আর হৃদয়ের স্বর্গীয় সমবায়ে আমেরিকায়, তাঁর জন্য গর্বিত হয়েছিলেন ভারতবাসী হিসেবে, বিজ্ঞানগবেষক হয়েও! কিন্তু এখন যে তিনি কালী-উপাসনায় সীমিত করে ফেলছেন নিজেকে! বিজ্ঞানীর ক্ষোভ ও উষ্মা সংহত হলো জিজ্ঞাসায়! কী পান সন্ন্যাসিনী ঐ কালীর উপাসক সাধুর সঙ্গে? উৎকন্ঠার আর্তি উঠে এল বিজ্ঞানীর গলায়। অভিমানে বিদ্ধ করলেন বিদেশিনিকে- তাঁর বৃহৎ হৃদয় কিন্তু সংকীর্ণ হয়ে উঠছে দিন দিন, ঐ মঠ ও সাধুসঙ্গে। নির্দ্বিধায় অনুযোগ জানালেন বিজ্ঞানী ।

চোখ ফেটে কান্না এল বিদেশিনির। গলার কাছটা আটকে গেল অব্যক্ত কষ্টে । ছলছল চোখে এক মুহূর্ত অপলক দেখলেন ঠোঁটকাটা বিজ্ঞানীকে। তাঁর সঙ্গে যে তাঁর তর্ক আসে না! বিজ্ঞানীর বুদ্ধিদীপ্ত, উজ্জ্বল, গভীর চোখের দিকে তাকালে তাঁর মনে তোলপাড় শুরু হয়। হাত-পা অসাড় হয়ে আসতে চায় অন্য এক অনির্বচনীয় অনুভবে।

অথচ আনন্দমোহনের বাড়ীতে এই ধরণের আক্রমণের সময় ব্রাহ্মদের বৈদান্তিক বৈদগ্ধ্যের বিরুদ্ধে একাই তীব্র সরব হয়েছিলেন তিনি, রামকৃষ্ণ-বিবেকানন্দর রক্ষায়। কিন্তু নিরুচ্চার অভিমানে আজ কেন তাঁর বুক ফেটে শুধু কান্নাই আসছে?

বেরিয়ে এলেন নীরবে বিজ্ঞানীর আস্তানা থেকে। ভেঙে পড়লেন। বান্ধবী ম্যাকলেউড ও বুলকে লিখলেন—-তোমরা তো আমায় এতদিন চেনো! আমি সংকীর্ণ হতে পারি কখনো? পরিপ্রশ্নের জবাবে লিখলেন, কীভাবে তর্ক করবো তাঁর সঙ্গে, দীর্ঘলালিত অতলান্তিক মুগ্ধতা নষ্ট করে? ‘ I love that man”।

ঐ একটা শব্দ! ‘ Love’! যতটা তার স্বর্গীয় পবিত্রতা, ততটাই তার সঙ্কীর্ণ লক্ষ্মণরেখার মধ্যবিত্ত বেড়ি! সে-তো তাঁকে ও ঐ বীর সন্ন্যাসীকে ঘিরেও মধ্যবিত্ত গুঞ্জন ছিল। অনগ্রসর এক জাতির কূপমণ্ডূকতা ও নেতিবোধ কয়েকটা বিশেষ সংজ্ঞার বাইরে মানুষের সম্পর্কের বয়ন যে ধরতেই শেখেনি!
বিখ্যাত কলেজের মাত্র চব্বিশ বর্গফুট ল্যাবের জানলা দিয়ে তখন শেষ বিকেলের আলো ঐ রঙচটা স্যুট ছুঁয়ে উঠে এসেছে, ক্লান্ত ধ্বস্ত এক বিজ্ঞানসৈনিকের কঠিনকোমল মুখের শিরায় শিরায়। দেশবিদেশের মানুষের নীচতা আর সংবেদনহীনতায় স্তব্ধবাক তিনি। অবিচার আর অসহযোগিতায় ভেঙে পড়তে চাইছে শরীর-মন-প্রত্যয়! ঘরের এক কোণে গ্রাম্য-ছুতোড় আর কামারের যন্ত্রপাতি । improvisation আর innovation এ ভর করে প্রতিভার লড়াই অসহোযোগিতার বিরুদ্ধে। অতি সাধারণ আলমারিতে অযত্নে সাজানো পাণ্ডুলিপি, থরে থরে!

” Living & Non- living”, ” Plant response”, ” ” Comparative Electro- physiology “” Irritability of plants” —– বিজ্ঞানের এইসব মূল্যবান সন্দর্ভ আর গবেষণাপত্র তাঁর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার অর্জিত বুদ্ধিতে কতটা আবেদন রাখল সে প্রশ্ন অবান্তর! তবে স্পর্শ করল সন্ন্যাসিনীর বোধি আর চেতনাকে। একটা একটা করে পাণ্ডুলিপি পড়ছেন আর সন্ন্যাসিনীর দুচোখ বেয়ে নেমে আসছে অশ্রুধারা! অসংজ্ঞেয় এক আনন্দে! জড়বাদের এই অন্তর্লীন স্পন্দনতো আসলে জীবনেরই কথামালা! স্বরে তার একান্ত বিদ্রোহ আধ্যাত্মিকতার প্রসাধন আর ভাববাদের বিরুদ্ধে। কিন্তু অন্তঃস্বরে যে প্রগাঢ় মমতায় এক নির্লিপ্ত জীবনসাধনা!

হয়তো বা বিদেশিনির মনে পড়ে যায় ঐ গৈরিক সন্ন্যাসীর তৈত্তরীয় উপনিষদের অনন্য ব্যাখ্যা!
“তস্মাৎ বৈ এতস্মাৎঅন্নরসমায়ৎ। অন্ন্যোহন্তর আত্মা প্রাণময়ঃ।
(তৈত্তরীয়/২য় অধ্যায়/২য় অনুবাক/ উপনিষদ সমগ্র। ।/হরফ/ফেব্রু/২০১৫/ কোল। )
অন্ন রসময়। সেই পিণ্ডের অভ্যন্তরে আর এক প্রাণময় আত্মা! আহা! এ যেন নিছকই এক সভ্যতার উচ্চমার্গীয় ভাবালুতার প্রত্নকথা নয়। বরং আজকের উদ্ভিদবিদ্যার অসীম সম্ভাবনাময় পূর্বাঙ্কুর! এতো অদ্বৈতবাদ! একই চৈতন্যের প্রকাশ জীব, জড় সর্বত্র!

জগদীশ চন্দ্র বসু

একি দেখছেন ঐ সন্ন্যাসিনী? সন্দিগ্ধ বিজ্ঞানীর ঐ গোলফ্রেমের চশমার পেছনে আত্মবিশ্বাসী চোখের মধ্যে ও কার অন্তর্ভেদী দৃষ্টি? যাঁর উদাত্ত আহ্বানে ছুটে এসেছিলেন সাতসমুদ্র পারের এই হতভাগ্য দেশে , পরম মমতায় বেদান্তের মানবিক পাঠ বুঝিয়ে যিনি দায়িত্ব দিয়েছিলেন লক্ষ লক্ষ মানুষের সেবার, সেই তরুণ গৈরিক সন্ন্যাসীর চোখ কি বিজ্ঞানীর চশমার পিছনে? এ কী স্বর্গীয় সমাপতন!
এরপর ইতিহাসের পাতায় শুধুই মণিমুক্তো ছড়ানো। বিজ্ঞানী একে একে দেখাবেন উদ্ভিদের যন্ত্রণার প্রকম্পন! তার কষ্টের সংবেদ! সঙ্গীতের তালে তালে গাছের বৃদ্ধির আনন্দ।

তার আগে ঐ বিদেশিনির অনুরোধে তাঁর বান্ধবী সারা বুলের ২০ হাজার ডলারের দানে বসু বিজ্ঞান মন্দির। সারার উত্তরমৃত্যুপর্বে তাঁর রেখে যাওয়া আরো ২০ হাজার ডলার।

ততদিনে অবশ্য সন্ন্যাসিনী রওনা হয়েছেন অন্যজগতের দিকে। গুরুদেব ডেকে নিয়েছেন তাঁকে। তাঁরই মতো অল্প বয়সেই। বিদেশিনি রেখে গেলেন এক অনগ্রসর জাতির জন্য অপার মমত্ব, ভালোবাসা আর তাঁর নিবেদিত প্রাণের অখণ্ড চেতনা যেখানে জড়জগত ও আধ্যাত্মজগৎ আলাদা নয়। একই অখণ্ড চৈতন্যের অনির্বাণ শিখা!

তাইতো এ-এক স্বর্গীয় সংযোগ! গোটা পৃথিবীতে আর একটাও নিদর্শন আছে কিনা সন্দেহ! এক বিজ্ঞান গবেষণার প্রাণকেন্দ্রে সংরক্ষিত এক সন্ন্যাসিনীর চিতাভস্ম!

চলুন, মাত্র দু-দশকের কোলাজ ভেঙে ভেঙে আরো একবার নিমগ্ন দেখি বসু বিজ্ঞান মন্দিরের ঐ The Lady with the Lamp কে। চিনে ফেলি কোন ক্যাপশন ছাড়াই।
আজ যে তাঁর জন্মদিন। প্রণাম ভগ্নী নিবেদিতা



ছবিঃ ফেসবুক পোস্টের সংযোজনী হিসেবে অব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে প্রকাশিত।
সংগ্রহঃ ইন্টারনেট
কৃতজ্ঞতাঃ বোস ইনস্টিটিউট / দার্জিলিং মিউজিয়াম ( শ্রী অলোকরঞ্জন বসুচৌধুরীর কাছ থেকে প্রাপ্ত)

Facebook Comments Box

আপনি এই পত্রিকা পড়ছেন জেনে ভাল লাগল।

নতুন লেখা বা ভিডিও সংযোজন, অথবা রবিচক্রের অন্যান্য খবরাখবর সম্পর্কে জানতে, ইমেল নথিভুক্ত করতে পারেন।

We don’t spam! Read our privacy policy for more information.


0 0 votes
Article Rating
3 Comments
Oldest
Newest Most Voted
Inline Feedbacks
View all comments
Alak Baauchoudhury
Alak Baauchoudhury
5 months ago

বসু বিজ্ঞান মন্দিরের স্থাপিত এই সেই নিবেদিতার রিলিফ ভাস্কর্য ‘লেডি উইথ দ্য ল্যাম্প’।

20241017_165609
Alak Baauchoudhury
Alak Baauchoudhury
5 months ago

বসু বিজ্ঞান মন্দিরের স্থাপনায় নিবেদিতার সহায়তা স্বীকার করে মিস ম্যাকলয়েডকে লেখা জগদীশচন্দ্রের চিঠির অংশ এবং নিবেদিতার বজ্রপ্রতীকের নকশা, যা বসু বিজ্ঞান মন্দিরের লোগো হিসাবে গৃহীত হয়েছে।

gallery_image_1491986196_9_0-1
Alak Baauchoudhury
Alak Baauchoudhury
5 months ago

দার্জিলিংয়ে জগদীশ বসুর বাড়িতেই নিবেদিতার দেহাবসান হয়েছিল। ওই শহরেই বসু বিজ্ঞান মন্দিরের সংগ্রহশালায় রয়েছে নিবেদিতার এই বিরল প্রতিকৃতিটি। বিরল এই কারণে যে, নিবেদিতার ঠিক এরকম পোশাক বা মুখচ্ছবি তার কোন আলোকচিত্রে দেখা যায় না।

gallery_image_1487359184_6_4