
(শ্রীমতী সুরমা ঘটকের লেখা “ ঋত্বিক”বই থেকে সংগৃহীত, সংগ্রাহক: শ্রী সোমেন দে)
- নাগরিক (পূর্ণ দৈর্ঘ্যের কাহিনিচিত্র) – ১৯৫২
(ছবিটি সেই সময়ে মুক্তি পায় নি । মূল নেগেটিভ হারিয়ে যায় । ডুপ্লিকেট নেগেটিভ থেকে একটি প্রিন্ট বানানো হয় পুনা এফ টি আই আই এর উদ্যোগে । ঋত্বিক ঘটকের মৃত্যুর দেড় বছর পরে ১৯৭৭ সালে, নির্মাণের পঁচিশ বছর পর ১৯৭১ সালে মুক্তি পেয়েছিল । ব্যবাসায়িক সাফল্য পায় নি।)
- আদিবাসীয়োঁ কা জীবনস্রোত ( হিন্দি তথ্যচিত্র ) – ১৯৫৫
- বিহারকে দর্শনীয় স্থান ( হিন্দি তথ্যচিত্র) – ১৯৫৫
- ওরাঁও ( হিন্দি তথ্যচিত্র ) – ১৯৫৭
- অযান্ত্রিক (পূর্ণ দৈর্ঘ্যের কাহিনী চিত্র ) – ১৯৫৭-৫৮
( ১৯৫৯ সালে ছবিটি ভেনিস ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে Information Section – স্পেশ্যাল এন্ট্রি হিসবে হয়েছিল , non-competitive-এ দেখানো হয়েছিল।)
- বাড়ি থেকে পালিয়ে (পূর্ণ দৈর্ঘ্যের কাহিনিচিত্র) – ১৯৫৯
( ১৯৬০ সালে ভেনিস ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে ছবিটি Information Section-এ প্রদর্শিত হয়েছিল )
- কত অজানারে (পূর্ণ দৈর্ঘ্যের কাহিনিচিত্র) – ১৯৫৯ (অসম্পূর্ণ)
(২০ দিনের মতো শুটিং করে ছবির সিংহভাগ চিত্রগ্রহণ হয়ে গেলেও কিছু কাজ বাকি ছিল । সেই অবস্থায় ছবিটি পরিত্যক্ত হয়। প্রায় সাত রিল মতো সম্পাদিত ছবি এখন রক্ষিত আছে ।)
- মেঘে ঢাকা তারা (পূর্ণ দৈর্ঘ্যের কাহিনিচিত্র) – ১৯৬০
(১৪ই এপ্রিল ১৯৬০ সালে ছবিটি শ্রী, প্রাচী, ইন্দিরা সিনেমাঘরে মুক্তি পেয়ে কিছুটা ব্যবসায়িক সাফল্য পায়।)
- কোমল গান্ধার (পূর্ণ দৈর্ঘ্যের কাহিনিচিত্র) – ১৯৬১
(৩১ শে মার্চ ১৯৬১ সালে ছবিটি রাধা, পূর্ণ, লোটাস ও পূরবী সিনেমাঘরে মুক্তি পায়। ব্যবসায়িক সাফল্য পায়নি )
- সুবর্ণরেখা (পূর্ণ দৈর্ঘ্যের কাহিনিচিত্র) – ১৯৬২
( ১৯৬২ সালে নির্মিত হলেও নানা বাধা বিপত্তির ফলে ছবিটি মুক্তি পায় তিন বছর পরে, ১৯৬৫ সালে । রাজশ্রী পিকচার্স এই ছবিটির স্বত্ত্ব মাত্র ৬৫ হাজার টাকায় কিনে নেয় এবং পরিবেশনার দায়িত্ব নেয় ) ।
- সিজার্স – (বিজ্ঞাপন চিত্র) – ১৯৬২
(মূলত সুবর্ণরেখা ছবিটি সম্পূর্ণ করার জন্য অর্থ সংগ্রহ করার উদ্দেশ্যে এই বিজ্ঞাপনের কাজটি করতে হয়।)
- ওস্তাদ আলাউদ্দীন খান – তথ্যচিত্র
(ছবিটি প্রযোজক ছিলেন হরিসাধন দাশগুপ্ত । ছবিটি চিত্রগ্রহণ প্রায় সমাপ্ত হয়ে গেলেও প্রযোজক বলেন এই ছবি তিনি সম্পূর্ণ করবেন না । পরে তিনি নিজেই এই বিষয়ে একটি তথ্যচিত্র নিজের পরিচালনায় নির্মাণ করেন )
- বগলার বঙ্গদর্শন – ১৯৬৪ (অসম্পূর্ণ কাহিনিচিত্র)
( ছবিটির চিত্রগ্রহণের কাজ হয়েছিল এক সপ্তাহের মত । তারপর ছবিটি পরিত্যক্ত হয়ে যায় )
- ফিয়ার – ১৯৬৫ (স্বল্প দৈর্ঘ্যের চিত্র)
(ঋত্বিকের পুনে ফিল্ম ইন্সটিটিউটে চাকরি করার সময়ে ঋত্বিক তাঁর ছাত্র ছাত্রীদের নিয়ে এই ছবিটি করেন মূলত অভিনয় শিক্ষা দেবার জন্য )
- রঁদেভু – ১৯৬৫ (স্বল্প দৈর্ঘ্যের চিত্র)
(ঋত্বিক ঘটক পুনে ফিল্ম ইন্সটিটিউটের ভাইস প্রিন্সিপ্যাল থাকার সময় তাঁর তত্বাবধানে ইন্সটিটিউটের ছাত্র ছাত্রীরা এই ডিপ্লোমা ফিল্মটি প্রস্তুত করেছিল।)
- সিভিল ডিফেন্স – ১৯৬৫
(ফিল্ম ইন্সটিটিউটের প্রযোজনায় এই তথ্যচিত্রটি ভারত পাকিস্তান যুদ্ধের সময় নির্মিত হয়। )
- সাইনটিস্ট অফ টুমরো – ১৯৬৭
(ফিল্ম ডিভিসনের জন্য নির্মিত তথ্যচিত্র।)
- রঙের গোলাম (অসম্পূর্ণ কাহিনিচিত্র) – ১৯৬৮
(এক সপ্তাহের মতো চিত্র গ্রহণ করা হয় বোলপুরের আশেপাশে । ছবিটির এক চতুর্থাংশ চিত্রগ্রহণ হয়ে যাবার পর অর্থাভাব এবং প্রতিকূল পরিস্থিতির জন্য ছবিটি কাজ তার পর আর এগোয়নি।)
- পুরুলিয়ার ছৌ (তথ্যচিত্র) – ১৯৭০
- আমার লেনিন (তথ্যচিত্র) – ১৯৭০
(লেনিনের জন্ম শতবার্ষিকীতে ছবিটি নির্মিত হলেও সেই সময়ে ভারতে এই ছবিটি নিষিদ্ধ করা হয় । কিন্তু রাশিয়াতে ছবিটি প্রদর্শিত এবং পুরস্কৃত হয়। )
- ইয়ে কিঁউ (স্বল্প দৈর্ঘ্যের হিন্দি চিত্র) – ১৯৭০
- দুর্বার গতি পদ্মা (স্বল্প দৈর্ঘ্যের চিত্র) – ১৯৭১
( বাংলা দেশ মুক্তি যুদ্ধের পটভূমিতে নির্মিত চিত্র, বিশ্বজিৎ, শচীন দেব বর্মন , দিলীপ কুমার , ধর্মেন্দ্র সহ বোম্বাইয়ের খ্যাতনামা অভিনেতা অভিনেত্রী এতে অংশ নেন )
- ইন্দিরা গান্ধী (অসম্পূর্ণ তথ্যচিত্র) – ১৯৭২
(হায়দ্রাবাদে ছবির কিছু অংশের শুটিং হয়, পরে কলকাতায় ইন্দিরা ও মুজিবুর রহমানের কিছু চিত্র গ্রহণ করা হয় । পরে ছবিটি পরিত্যক্ত হয়।)
- তিতাস একটি নদীর নাম (পূর্ণ দৈর্ঘ্যের কাহিনিচিত্র) – ১৯৭৩
(বাংলা দেশের প্রযোজক এবং অভিনেতা অভিনেত্রীদের নিয়ে ছবিটি তৈরি হয় । বাংলাদেশে ছবিটি মুক্তি পায় ২৭ জুলাই ১৯৭৩ সালে । ভারতে মুক্তি পায় ১১ই মে ১৯৯১ সালে।)
- যুক্তি , তর্ক আর গপ্পো (পূর্ণ দৈর্ঘ্যের কাহিনিচিত্র) – ১৯৭৪
(মুক্তির তারিখ – ৩০ শে সেপ্টেম্বর ১৯৭৭। এই ছবিটি ঋত্বিকের শেষ কাহিনিচিত্র , মুক্তি পায় ঋত্বিকের মৃত্যুর দেড় বছর পরে। )
- রামকিংকর (তথ্যচিত্র) – ১৯৭৫
(সামান্য কিছু দৃশ্য বাদে চিত্রগ্রহণ ও সম্পাদনার কাজ হয়ে গিয়েছিল । ব্যাকগ্রাউড ও সাউন্ডট্রাকের কাজ শুরু হওয়ার মুখে ঋত্বিক ঘটকের মৃত্যু হয় । ছবিটি মুক্তি পায়নি । )
অন্যের ছবিতে ঋত্বিকের করা চিত্রনাট্য
· মধুমতী/ হিন্দি/ ১৯৫৫/ পরিচালক বিমল রায়
- মুসাফির / হিন্দি/ ১৯৫৫ / পরিচালক হৃষিকেশ মুখার্জি
- স্বরলিপি/ বাংলা / ১৯৬১ / পরিচালক অসিত সেন
- কুমারী মন / বাংলা / ১৯৬১ / পরিচালক অসিত সেন
- দ্বীপের নাম টিয়া রঙ/ বাংলা / ১৯৬২ / পরিচালক গুরু বাগচী
- রাজকন্যা / বাংলা / ১৯৬২ / পরিচালক সুনীল ব্যানার্জি
- হীরের প্রজাপতি ( ১৯৬৬)

