Category: কৃষ্ণেন্দু সেনগুপ্ত
গানের সখ্য – মনের যত্নঃ দিলীপকুমার রায়, নিশিকান্ত রায়চৌধুরী
ফ্রান্স্ কাফকা-ম্যাক্স ব্রড, ভিন্সেন্ট ভ্যান গখ্-পল গগ্যাঁ, বঙ্কিমচন্দ্র-দীনবন্ধু মিত্র,রবীন্দ্রনাথ-জগদীশ চন্দ্র বসু- এঁদের, এবং এঁদের মতো এরকম আরও সখ্য-সম্পর্কগুলি আঁতিপাঁতি করে পড়লে হারিয়ে যাওয়া এক একটা সময় এক লহমায় কীরকম যেন হাতের নাগালে ধরা দেয়। সঙ্গে সঙ্গে উঠে আসে এঁদের মনের একরকম ইতিহাসও। কিন্তু এ সবের পাশাপাশি যে বিষয়টা মনকে সবচেয়ে বেশি নাড়া দেয়, তা হল…
ডঃ কৃষ্ণেন্দু সেনগুপ্তর মরমী কণ্ঠে রবীন্দ্রনাথের দুঃখ জয়ের গান
রবিচক্রের কবি-স্মরণের অনুষ্ঠানঃ আগস্ট, ২০২২। “রবীন্দ্রনাথের দুঃখ জয়ের গান” অভিধায় এগারোটি গানের এক অসামান্য মালা গেঁথেছিলেন রবিগানের বিদগ্ধ শিল্পী ডক্টর কৃষ্ণেন্দু সেনগুপ্ত রবিচক্রের সান্ধ্য আসরে। রবীন্দ্রনাথের গান শ্রোতাকে তার ব্যক্তিগত দুঃখানুভূতিকে অতিক্রম করে পৌঁছে দেয় স্বর্গীয় সৌন্দর্যানুভূতিতে। কৃষ্ণেন্দু বাবুর অন্তর মথিত করা কণ্ঠে ও অনবদ্য গায়কীতে তার স্পর্শ পেয়েছিলেন সেদিনের শ্রোতারা। তাঁর সুনির্বাচিত গানগুলির অনুষঙ্গে…
‘নিজের সুর দেওয়া গান’
‘নীরব রজনী দেখো মগ্ন জোছনায়’, ‘বলি ও আমার গোলাপবালা’, ‘আঁধার শাখা উজল করি এবং ‘শুন নলিনী খোলো গো আঁখি’, এই গানগুলি রবীন্দ্রনাথ লেখেন আমেদাবাদে। ১৮৭৮ সালে, প্রথমবার বিলেত যাবার আগে কিছুটা সময় রবীন্দ্রনাথ আমেদাবাদে কাটান। আমেদাবাদ তাঁর মেজদাদা সত্যেন্দ্রনাথের কর্মস্থল তখন। ১৮৭৬ এর এপ্রিল থেকে এখানে ডিস্ট্রিক্ট্ অ্যান্ড সেশন্স জজ হিসাবে নিযুক্ত হন সত্যেন্দ্রনাথ। সত্যেন্দ্রনাথের…